• ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

একুশে বইমেলা : ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত 

usbnews
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৪
একুশে বইমেলা : ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত 
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

মেলার সময়সূচি

অমর একুশে বইমেলা ১লা ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে ২৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত চলবে।

ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বেলা ৩:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
ছুটির দিন বেলা ১১:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা ।
রাত ৮:৩০টার পর নতুন করে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

মোট ৩৭টি প্যাভিলিয়নসহ বইমেলায় ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে৷ বাংলা একাডেমি মাঠে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷ গত বছর ৬০১টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মোট ৯০১টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল৷

বইয়ের এ উৎসবে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুট আয়তনের মাঠে ৬৩৫ প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২০ প্রতিষ্ঠান ১৭৩ ইউনিট এবং সোহরওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৫১৫ প্রতিষ্ঠান ৭৬৪ ইউনিট বরাদ্দ পেয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬টি প্যাভিলিয়ন থাকবে।

১৯৮৩ সালে কাজী মনজুরে মওলা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে বাংলা একাডেমিতে প্রথম “অমর একুশে গ্রন্থমেলা”র আয়োজন সম্পন্ন করেন। কিন্তু  এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষা ভবনের সামনে ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলে ট্রাক তুলে দিলে দুজন ছাত্র নিহত হয়। ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর সেই বছর আর বইমেলা করা সম্ভব হয়নি। ১৯৮৪ সালে সাড়ম্বরে বর্তমানের অমর একুশে গ্রন্থমেলার সূচনা হয়।

বইমেলায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের বই ‘নতুন পৃথিবীর সন্ধানে

এরদোগান

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়া অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের লেখা বই ‘নতুন পৃথিবীর সন্ধানে: ইনসাফভিত্তিক দুনিয়া বিনির্মাণের রূপরেখা’।

বইমেলায় বইটি সাহিত্যদেশ প্রকাশনীর ৩৪০ ও ৩৪১ নম্বর স্টলে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া পাঠকরা রকমারি থেকেও বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন।

এরদোগানের লেখা ‘নতুন পৃথিবীর সন্ধানে’ বইটি অনুবাদ করেছেন মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি বর্তমানে তুরস্কের ইস্তানবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছেন।

বইটিতে চলমান বৈশ্বিক সমস্যা, যেমন অন্যায়-অবিচার, দুর্নীতি-বৈষম্য, শরণার্থী সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও ইসলামোফোবিয়ার মতো স্পর্শকাতর ইস্যুগুলোকে কীভাবে সমাধান করা যায় সে ব্যাপারে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করা হয়েছে।

এরদোগান তার এ বইয়ে বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থার গঠনমূলক সমালোচনা করে একে  এ ক্ষেত্রে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ সভা ও নিরাপত্তা পরিষদসহ বিশ্ব পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভগুলোকে ঢেলে সাজানোর এবং ক্ষমতার ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্ব ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিমুখী নীতির বিস্তারিত আলোচনা করে ‘পৃথিবী পাঁচের চেয়ে বড়’ মতবাদের স্বরূপ ব্যাখ্যা করেছেন।

রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান  তুর্কিশ ভাষায় বইটি লিখেছেন। এর পর পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ সাতটি ভাষায় এটি অনূদিত হয়েছে।