• ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি নেই

usbnews
প্রকাশিত এপ্রিল ৩, ২০২৪
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি নেই
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

যতদিন না বাল্টিমোরের সেতু দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত ওই এলাকা ছাড়তে পারবেন না নাবিকরা। গত সোমবার ‘ডালি’ নামের জাহাজটি শ্রীলঙ্কায় যাচ্ছিল। এর মধ্যে ছিল ৪ হাজার ৭০০টি কন্টেইনার। আচমকাই বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে জাহাজটিতে। আর তার পরই সেটি ধাক্কা মারে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কী ব্রিজে । সঙ্গে সঙ্গে প্যাটাপস্কো নদীতে ভেঙে পড়ে অতিকায় সেতুটি। জাহাজটির মালিক গ্রেস ওশান পিটিই-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ক্রু সদস্যরা ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড এবং কোস্ট গার্ডকে তদন্তে সহায়তা করছেন। তবে কতদিন এই নাবিকদের জাহাজে থাকতে হবে সেই বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে, আমরা জানি না তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হতে  কতদিন  লাগবে এবং সেই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, ক্রুরা বোর্ডে থাকবে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে জাহাজে থাকা ক্রু সদস্যদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু করেছে এবং তাদের তদন্তের অংশ হিসাবে নথি এবং সমুদ্রযাত্রার ডেটা  সংগ্রহ করেছে। ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ডের প্রধান জেনিফার হোমেন্ডি বলেছেন, কার্গো জাহাজটিতে প্রচুর পরিমাণে বিপজ্জনক এবং দাহ্য পদার্থ ছিল। ২৬ মার্চ ২.৬-কিমি দীর্ঘ চার লেনের ফ্রান্সিস স্কট কী সেতুর সাথে সংঘর্ষের পর থেকে ক্রুরা ৯৮৪ ফুটের  কনটেইনার জাহাজে  রয়েছে।

দুর্ঘটনার সময় সেতুতে গর্ত মেরামতকারী ছয় নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখনও  পর্যন্ত মাত্র দুজনের লাশ পাওয়া গেছে। ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাস ভারতীয় ক্রুদের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলেছে , তারা সবাই  “সুস্থ” রয়েছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার সময় একজন ক্রু সদস্য আহত হয়েছেন। তাকে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে  হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে । এর আগে, জাহাজের ব্যবস্থাপনা সংস্থা সিনার্জি মেরিনকে সহায়তাকারী সংস্থা বলেছিল যে ক্রু সদস্যদের জেনারেটর চালু রাখার জন্য জাহাজে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার, পানি এবং জ্বালানি রয়েছে।