• ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

ইউরোপে এমপক্স ভ্যাকসিন চালুর পরামর্শ : ইসিডিসি গবেষকরা

usbnews
প্রকাশিত আগস্ট ১৬, ২০২৪
ইউরোপে এমপক্স ভ্যাকসিন চালুর পরামর্শ : ইসিডিসি গবেষকরা
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

আফ্রিকার বেশ কিছু অঞ্চলে ভয়াবহভাবে সংক্রমিত হচ্ছে এমপক্স। এতে আফ্রিকা ও ইউরোপে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এমপক্সের প্রাদুর্ভাবের ফলে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এই রোগটি ছোঁয়াচে রোগ। এমপক্স আগে মাঙ্কিপক্স নামে পরিচিত ছিল।

mzamin

আফ্রিকার বাইরে এখনও পর্যন্ত দুই দেশে এই রোগের ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। গত ১৫ আগস্টই হু মাঙ্কিপক্স নিয়ে গোটা বিশ্বকে সচেতন করে। তারপরেই সুইডেন ও পাকিস্তানে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। গতকাল, বৃহস্পতিবার সুইডেনে এক মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। সুইডিশ সরকারের তরফে জানানো হয়, ওই ব্যক্তি মাঙ্কিপক্স ক্লেড ১ আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে মাঙ্কিপক্সের সবচেয়ে বিপজ্জনক ভ্যারিয়েন্ট এটি। এর মাঝেই ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তানেও মিলেছে এই ভয়ঙ্কর ভাইরাসের হদিশ। সূত্রের খবর, আজ, শুক্রবার পাকিস্তানে নতুন করে দু’জনের শরীরে মিলেছে এই ভাইরাসের হদিশ। যার মধ্যে একজন সৌদি আরব থেকে কিছুদিন আগেই ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন উত্তর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের স্বাস্থ্যদপ্তর। যদিও তাঁরা মাঙ্কিপক্সের ঠিক কোন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, সেই বিষয়ে কিছুই জানায়নি উত্তর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের স্বাস্থ্যদপ্তর। আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। পাকিস্তানে কিছুদিন আগেই একজন মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। যার ফলে ইসলামাবাদে মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩। গোটা বিশ্বকেই মাঙ্কিপক্স নিয়ে সাবধান করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। কঙ্গো থেকে ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম গেব্রেসাস জানিয়েছেন, ‘মাঙ্কিপক্স রোধে সব দেশকে একসঙ্গে মিলে কাজ করতে হবে। প্রত্যেক দেশকে আর্জি জানাচ্ছি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তদের উপর নজরদারি চালাতে হবে। ভ্যাকসিনের ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং তথ্য রাখতে হবে।’

কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে আশপাশের লোকজনেরও রোগটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যারা এই রোগের জন্য একবার টিকা নিয়েছে তাদের টিকার দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে ইউরোপীয় সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোলের (ইসিডিসি) গবেষকরা। সংস্থাটি বলছে এমপক্স ইউরোপেও কিছুটা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই রোগের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিকে দশ বছরের মধ্যে সাধারণত দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে গবেষকরা।