
নাসার তথ্য বলছে, পিলার্স অব ক্রিয়েশনের অবস্থান ইগল নীহারিকার কেন্দ্রে। নীহারিকাটি পৃথিবী থেকে ৬ হাজার ৫০০ আলোকবর্ষ দূরে। অর্থাৎ আলোর গতিতে (সেকেন্ডে ৩ লাখ কিলোমিটার) কোনো যান পৃথিবী থেকে রওনা দিলে সেখানে পৌঁছাতে সময় লাগবে ৬ হাজার ৫০০ বছর।
হাইড্রোজেন গ্যাস ও ধুলার দৈত্যকার কুণ্ডলী। সেটিতে সোনালি, তামাটে আর বাদামি রঙের অপরূপ মিশেল। এর মধ্যে আবার লক্ষ-কোটি তারার ঝলকানি। মহাজাগতিক এই কুণ্ডলীর নাম ‘পিলার্স অব ক্রিয়েশন’। বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় ‘সৃষ্টির স্তম্ভ’। এমন নামের কারণ, কুণ্ডলীটির আকৃতি অনেকটা স্তম্ভের মতো।
পিলার্স অব ক্রিয়েশনের যে অবস্থার ছবি জেমস ওয়েব তুলেছে, তা ৬ হাজার ৫০০ বছর আগের। সেই সময়ে বিকিরণ হওয়া আলোই এত বছর পাড়ি দিয়ে টেলিস্কোপটিতে ধরা পড়েছে।
জেমস ওয়েব প্রথম পিলার্স অব ক্রিয়েশনের ছবি তুলল এমনটি নয়। বিশ্বের সব বড় বড় টেলিস্কোপেই আগে এটি ধরা পড়েছে। উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে নাসার বিখ্যাত হাবল টেলিস্কোপের। সেটি ১৯৯৫ ও ২০১৪ সালে দুবার পিলার্স অব ক্রিয়েশনের ছবি তুলেছে।