• ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ হিসাবে স্বীকৃতি, ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউএসএ বাংলাদেশ এডুকেশন এন্ড কালচারাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন

usbnews
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৩, ২০২৫
নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ হিসাবে স্বীকৃতি, ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউএসএ বাংলাদেশ এডুকেশন এন্ড কালচারাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

নিউ ইয়র্ক স্টেটের স্টেট সিনেট ২২ জানুয়ারি এক সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখকে এই অঙ্গরাজ্যে বাংলা নববর্ষ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের স্বীকৃতি হিসাবে ও এই রাজ্যে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি দৃঢ় করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হল।

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্তে বলা হয়, ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সূচনা। বর্তমানে বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে, যেমন লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড সহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে একই সময়ে নববর্ষ উদযাপিত হয়ে থাকে। বাংলা ভাষায় কথা বলেন এমন অভিবাসীর কথা উল্লেখ করে এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত বিপুল সংখ্যক অভিবাসী এই রাজ্যে নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছেন। বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে বসসবাসের জন্য যুক্ত্ররাষ্ট্রে আসছেন। এদের অর্ধেকই নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা।

পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালির জীবনে অতি গুরুত্বপূর্ণ সেকথা উল্লেখ করে সিদ্ধান্তটিতে বলা হয়, প্রতি বছরই বিপুল সমারোহে এই দিনটি উদযাপিত হয়ে থাকে। ২০২২ সাল থেকে দিবসটি নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। এতে উল্লেখ করা হয়, প্রবাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারে নিউ ইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

সিদ্ধান্তে বলা হয়, নিউ ইয়র্ক স্টেট বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের গৌরবময় সাফল্যের, বিশেষত এই রাজ্যে বসবাসরত বাঙ্গালিদের অব্যাহত অবদানের স্বীকৃতি জানিয়ে ১৪ এপিল পহেলাকে এই রাজ্যে বাংলা নববর্ষ হিসাবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নিউইয়র্ক স্টেটের স্টেট সিনেট ২২ জানুয়ারি এক সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখকে এই অঙ্গরাজ্যে বাংলা নববর্ষ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সম্মান ও মর্যাদার উল্লেখ করে নিউইয়র্ক স্টেটের স্টেট সিনেটকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউএসএ বাংলাদেশ এডুকেশন এন্ড কালচারাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এর সভাপতি এমজেড ফয়সল , উপদেষ্টা সাবেক এমপি আনিসুজ্জামান খোকন , উপদেষ্টা  আনোয়ার হোসেন লিটন , উপদেষ্টা  হাকিকুল ইসলাম খোকন।

উল্লেখ্য , অঙ্গরাজ্যে বাংলা নববর্ষ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে সর্বপ্রথম সংবাদ পত্রে বিবৃতি দিয়ে আলোচনায় এসেছিলো ইউএসএ বাংলাদেশ এডুকেশন এন্ড কালচারাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন।

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসএ বাংলাদেশ এডুকেশন এন্ড কালচারাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এর পক্ষ থেকে বহু বিরামহীন দাবি জানানো ও হয়।
বিভিন্ন পথমেলা , বাংলাদেশী অনুষ্ঠানে সবসময় দাবিতে মুখরিত ছিলেন নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশী জনগণ।