দক্ষিণ তালপট্টির মালিকানা নিয়ে ভারতের সামরিক আগ্রাসনের মোকাবেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিরোধ মহড়ার প্রমান।
ভারত সরকার ১৯৮১ সালের মে মাসে সেখানে সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে তাদের পতাকা ওড়ায়। তত্কালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ভূখণ্ড ঐ দ্বীপটি রক্ষার জন্য রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খানের নেতৃত্বে তিনটি নৌ জাহাজ পাঠান। দক্ষিণ তালপট্টি নিয়ে ভারতের সামরিক আগ্রাসনের মোকাবেলায় বাংলাদেশের পদক্ষেপের বিষয়টি ১৯৮১ সালের ১৭ মে তৎকালিন সবগুলো বাংলা দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়।সেই সময়ে বিদেশী পত্রিকাগুলোতেও এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়, এমনকি ভারিতীয় এই আগ্রাসনের প্রতিবাদে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ মিছিলের কথাও বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত হয়েছিল। সেই সময়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এবং এর প্রতিবাদে ভারতীয় দূতাবাস অভিমূখে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কর্তৃক প্রতিবাদ মিছিল প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮১ সালে আগস্ট মাসে যৌথ জরিপ না করেই ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আবারো তালপট্টিতে তাদের সৈন্য এবং ফ্রিগেট প্রেরণ করলে তৎকালীন নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান আবারো সেখানে নৌবাহিনীর গানবোট প্রেরণ করেন। সেই সময় ১৯৮১ সালের ২০ আগস্ট বাংলাদেশ টাইমস পত্রিকা তৎকালীন নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খানের উদৃতি দিয়ে “South Talpatti Island is Ours : M H Khan” শিরোনামে প্রতিবেদনও ছাপা হয়েছিলো। বিদেশী পত্রিকাতেও প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিলো । ১৯৮১ সালের ১৭ আগস্ট আমেরিকার ওয়াসিংটন থেকে প্রকাশিত আবজারভার-রিপোর্টার পত্রিকায় ‘India, Bangladesh Quarrel Over Island’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছিলো, “ভারতের ফ্রিগেট ও বাংলাদেশের গানবোট গুলো নিউমুর বা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের কাছে পরষ্পেরর মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে আছে। ভারত কর্তৃক যৌথ জরিপের বিষয়টি অস্বীকার করার প্রেক্ষিতে এই অবস্থার উদ্ভব হয়েছে।