আত্মার ঘরে বন্ধি আমাদের সোনার পাখিটি ,
দুধ কলা দিয়ে পুষলাম পাখিটা দেখলাম না ছবি পাখিটির।
যাওয়া আসা করে প্রতি সেকেন্ডে নাই তার বিরতি,
বন্ধ ঘরে খোলা দরজায় চলাফেরা করে রাখছে পিরিতি।
সরাসরি যাওয়া আসায় নাই কোন নিষেধের বিজ্ঞপ্তি ,
যাবজ্জীবন এইভাবে যাওয়া আসার করেছে নিবন্ধন ,
সব দাবি মেনে চলে সক্ষমতার নাই কোন পরিবর্তন।
বিপ্লব করেনা সেই পোষা পাখি দমে দমে চলে ,
নির্ধিদায় চলাফেরায় থাকে সে অনুপ্রবেশের কালে।
সরাসরি বাহিরে যায় তিনটি দরজায় কপাট খোলা থাকে ,
অবরুদ্ধ থাকেনা কখনো , যায় আসে আবার খাঁচার ভেতরে।
বিরোধিতা করেনা সেই পাখিটি কখনো দেহের সাথে।
ঐক্যবদ্ধ থাকে দেহের সর্বঅঙ্গ তার মতোই চলে ,
জীবনের সবচেয়ে মহা সংকটের সময়ে ,
শুনবে একমাত্র সৃষ্টিকর্তার আদেশ নিষেধ ভক্তি সহকারে।
ঘোষণাপত্র যখন পাবে, তখন হটাৎ যাবে বাহিরে চলে ,
আর আসবেনা ওই পাখিটি ফিরে , দরজা বন্ধ হয়ে যাবে ,
থাকবে না আর দেহের ভেতর কারো কোন অধিকার,
রক্ষক হিসেবে প্রতিদিন যাওয়া আসার সমাপ্তি হয়ে যাবে।
দেহের সংবিধানের সকল আলোচনা উত্থান পতন হলো ইতি ,
কে বা জানতো ঠিক এই সময়ে এতো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবে।
এতো সময় জীবন ভরে পাখিটি করলো আসা যাওয়া,
চিনতে জানতে পারলাম না তারে নাহি হলো দেখা ,
যথোপযুক্ত দেহখানি সাদা লেবাসে সংরক্ষিত করে দিলো।
রাষ্ট্রের জনগণ পাক পবিত্র করে, পাঠায়ে দিলো প্রকৃত,
শেষ বিচারের কাঠগড়ায় সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গে মোড়ায়ে রাখিলো ,
অন্ধকার বদ্ধ গৃহের মধ্যে আগল দিয়ে সংরক্ষিত করে।