বিদ্রোহী গোষ্ঠী টিএনএলএর একজন নেতা শুক্রবার রয়টার্সকে বলেছেন, ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ ও সামরিক বাহিনী ‘আরও অগ্রসর না হয়ে যুদ্ধবিরতি’তে যেতে সম্মত হয়েছে। বিষয়টির সংবেদনশীলতার কারণে তিনি নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘(জোট) পক্ষ থেকে চুক্তিটি হলো শত্রু শিবির বা শহরে ধ্বংসাত্মক আক্রমণ থেকে বিরত থাকা। সামরিক দিক থেকে চুক্তিটি হলো বিমান হামলা, বোমাবর্ষণ বা ভারী অস্ত্রের মাধ্যমে আক্রমণে জড়িত না হওয়া।’
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার বলেছে, ১০-১১ জানুয়ারি চীনের কুনমিং শহরে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে দুই পক্ষ অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করতে ও যুদ্ধ বিরতিতে যেতে সম্মত হয়েছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, উভয় পক্ষই চীনা সীমান্তে বাসিন্দাদের ক্ষতি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘চীন আশা করে, মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ আন্তরিকভাবে ইতিমধ্যে সম্মত হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন করবে এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করবে।’