বিদেশে শ্রম দিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা প্রবাসীরা দেশে ফিরেই পড়ছেন বিড়ম্বনায়। বিমানবন্দরে তাঁদের অনেককেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অপ্রয়োজনীয় হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি এই অভিযোগের মাত্রা বেড়েছে বলেই জানান সংশ্লিষ্টরা।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরসহ দেশের অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস বা বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের দ্বারা প্রবাসীরা অপমানজনক ব্যবহার, লাগেজ তল্লাশির নামে সময়ক্ষেপণ এবং সন্দেহভাজন হিসেবে দেখার অভিযোগ তুলছেন।বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে। এই রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বিদেশে কষ্ট করে দেশের জন্য আয় করেন। তাঁদের সঙ্গে অপমানজনক ব্যবহার শুধু অবিচারই নয়, বরং কৃতঘ্নতারও প্রকাশ।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের হটলাইন ও পোর্টাল সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ অভিযোগ ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবহার ও লাগেজ হ্যান্ডলিং সংক্রান্ত।
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও গত তিন বছরে অন্তত ২০ জন প্রবাসী হয়রানির অভিযোগ করেছেন। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, লাগেজ ছাড় করতে গিয়ে ‘নির্ধারিত ফি’র বাইরে’ টাকা দিতে হয়েছে।