না আমরা কালো ব্যাজ ধারণ করবো না।
লাল সবুজের ব্যাজ ধারণ করবো।
কারণ ওরা ছিল চির সবুজ ,
শেষ হলো রক্তাক্ত লাল রঙে।
ঢাকায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। ‘হৃদয়বিদারক এবং মর্মান্তিক। বাংলাদেশে বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য প্রার্থনা। যারা প্রাণ হারিয়েছেন ও যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, বিশেষ করে যেসব অভিভাবক সন্তান হারিয়েছেন এবং তরুণ শিক্ষার্থীরা বন্ধু ও সহপাঠী হারিয়েছে—তাদের সকলের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা রইলো।উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া সাহসী কর্মীদের প্রতিও আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় সারাবিশ্বের সাথে বাংলাদেশ জুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক ও উদ্বেগের ছায়া।
“এই দুঃখজনক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে ব্যথিত। আল্লাহ শহিদদের জান্নাতবাসী করুন এবং তাঁদের পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দিন।”
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই ‘এফ-৭ বিজেআই’ মডেলের বিমানটি মর্মান্তিকভাবে বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। এই দুর্ঘটনায় অনেকের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অনেকে। আহতদের আশেপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বিমানের বিধ্বস্ত হওয়ার হৃদয়বিদারক দৃশ্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিও ও ছবিগুলো সারাবিশ্ব ও দেশবাসীকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে।
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ও আহতদের হালনাগাদ তালিকা দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য দিয়েছে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ। এ ছাড়া একটি যোগাযোগের জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নম্বরও (ফোকাল পয়েন্ট) দেওয়া হয়েছে।
এই তালিকায় মোট ২৭ জন নিহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি শিশুর নাম ও বয়স পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পাইলটসহ চারজন প্রাপ্তবয়স্কের নামও রয়েছে। হালনাগাদ তালিকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানানো হয়।
আহতদের মধ্যে শিক্ষার্থী ৪০ জন, শিক্ষক ৬ জন, সেনাসদস্য ১৫ জন, স্কুল স্টাফ ১ জন, দমকলকর্মী ১ জন, পুলিশ ১ জন, ইলেকট্রিশিয়ান ১ জন, মেইড ১ জন এবং অন্যান্য ৪ জন।