• ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আবারও হুথি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনারা, মার্কিন নৌযান ও যুদ্ধজাহাজে পালটা হামলার হুঁশিয়ারি হুথিদের

usbnews
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৪, ২০২৪
আবারও হুথি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনারা, মার্কিন নৌযান ও যুদ্ধজাহাজে পালটা হামলার হুঁশিয়ারি হুথিদের
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

জাতিসংঘের অনুরোধ উপেক্ষা করে ইয়েমেনে আবারও হুথি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনারা।

শনিবার ভোরে (স্থানীয় সময়) দেশটির রাজধানী সানায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি।

এদিকে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে জানিয়ে হুথি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, লোহিত সাগরে আমেরিকার নৌযান ও যুদ্ধজাহাজে হামলা চালাবে তারা।

হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের তথ্য বিভাগের প্রধান নাসির উদ্দিন আমের বলেন, ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে আমেরিকা এবং ব্রিটেন যে হামলা চালিয়েছে তা সফল হয়নি। এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমেরিকা তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের শক্তি ও বাহিনীকে সম্পূর্ণরূপে সংরক্ষণ করেছি এবং ইসরাইলি ও মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার ক্ষমতা আমাদের আছে।

তিনি ইয়েমেনের পক্ষ থেকে আবারো জোর দিয়ে বলেন, লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ এবং তাদেরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে না। তবে আমরা মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে জল ও স্থল থেকে মার্কিন নৌযান ও যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করব।

হুতিদের এক মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের হামলার পরও লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজে হামলা বন্ধ হবে না।

হুথির এ কর্মকর্তা জোরালো ভাষায় বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষার জন্যই আমেরিকা ইয়েমেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করেছে তবে এই আগ্রাসনে ইয়ামেনের সামরিক বাহিনী মোটেই বিস্মিত হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। বিমানবন্দর, নৌঘাঁটিসহ হুতিদের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় এসব হামলা চালানো হয়। লোহিত সাগরে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, শনিবার হুথিদের একটি রাডার সুবিধাকে লক্ষ্য করে তোমাহক ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। হামলাটি চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস কার্নি।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় চালানো হামলার পরিধি কম ছিল। যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা হামলায় ২৮টি বিভিন্ন হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

হুথিদের মতে, হামলাটি ৬০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। প্রাথমিক হামলায় পাঁচজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছে। মার্কিন সামরিক ও হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, হুথিরা পালটা হামলা চালানোর চেষ্টা করবে।