• ১৪ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৩শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫

Usbnews.
প্রকাশিত আগস্ট ১০, ২০২৫
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এখনো ‘জামাই আদরে’ আছেন হাসিনার সহযোগী ১৫ সচিব
আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫,

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের আস্থাভাজন সুবিধাভোগী কর্মকর্তারা প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়সহ সরকারি অনেক দপ্তর ও সংস্থায় এখনো রাজত্ব করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শীর্ষ পদগুলোতে পরিবর্তন হয়েছে সামান্যই।

বিশেষ করে পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তা ব্যতীত বিদেশে মিশনে কর্মরত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তা যারা কমার্শিয়াল কাউন্সিলর, শ্রম কাউন্সিলর, ইকোনমিক কাউন্সিলর এবং মিনিস্টার পদে কর্মরত ছিলেন, তারা সেসব পদে এখনো রয়ে গেছেন। এদের দেশে ফেরত আনা হয়নি। অথচ এরা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার এজেন্ডাই বাস্তবায়ন করে চলেছেন। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ৫ আগস্টের পর সারা দেশের সব প্রতিষ্ঠান থেকে ফ্যাসিস্ট উচ্ছেদ কার্যক্রম চললেও সচিবালয়ে ফ্যাসিস্ট সমর্থক সচিব, অতিরিক্ত সচিব জামাই আদরে অবস্থান করছেন।

শেখ হাসিনার সুবিধাভোগী যে ১৫ জন সচিব রাজত্ব করছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন-(১) মো. মোকাব্বির হোসেন (৫৫৪৮) বর্তমানে সিনিয়র সচিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত আছেন। তিনি ইতঃপূর্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। একজন ফ্যাসিস্ট সমর্থক হিসেবে তিনি এখনো কীভাবে পদে বহাল আছেন, সে প্রশ্ন অনেকেরই। ইতঃপূর্বে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দুর্নীতিবাজ কারাবন্দি সচিব ও প্রশাসন ধ্বংসের নায়ক মহিবুল হকের অনুসারী। (২) ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বর্তমানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি মুজিব জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন। তিনি কারাবন্দি সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসেরের সব অপকর্মের সহযোগী এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। তাকে প্রটেকশন দিচ্ছেন একজন উপদেষ্টা। (৩) ড. ফারহিনা আহমেদ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব। এখনো পদে বহাল আছেন। তিনি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং অপসারণকৃত বিচারক খিজির হায়াত লিজুর বান্ধবী হিসেবে সচিবালয়ে পরিচিত। তিনি পলাতক সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফের অনুগ্রহভাজন ছিলেন।

(৪) নাজমুল আহসান পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বে আছেন। তিনি সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক থাকাকালে বিএনপি, জামায়াত ও বিরোধী দলের ওপর হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতনের নায়ক। তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনার অতি প্রিয়ভাজন ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় ফৌজদারি মামলা হওয়া সত্ত্বেও তিনি সচিব পদে বহাল আছেন। (৫) ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার অর্থ সচিব পদে কর্মরত। তিনি দরবেশখ্যাত সালমান এফ রহমান ও পলাতক গভর্নর আব্দুর রউফের সমর্থক এবং তাদের পক্ষে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। (৬) নাজমা মোবারক, তিনি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব হিসেবে কর্মরত। তিনি দরবেশখ্যাত সালমান এফ রহমান এবং পলাতক গভর্নর আব্দুর রউফের সমর্থক ও তাদের পক্ষে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন।

তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা কর্তৃক মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নিযুক্ত হন। তিনি গণভবনে মহিলা সমাবেশের নামে মহিলা লীগের কর্মসূচি পরিচালনা করেন। (৭) মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে সচিব হিসেবে কর্মরত। তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা কর্তৃক কুয়েতে কাউন্সিলর নিয়োজিত ছিলেন দীর্ঘ ছয় বছর। তিনি সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেকের একান্ত সচিব নিযুক্ত ছিলেন।

হারুন, বিপ্লবসহ পলাতক ৪০ পুলিশ কর্মকর্তার পদক প্রত্যাহার
ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫,

পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকারসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার ৪০ জন কর্মকর্তার বিপিএম (বাংলাদেশ পুলিশ পদক) ও পিপিএম (রাষ্ট্রপতি পুলিশ) পদক প্রত্যাহার করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব তৌছিফ আহমদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি জারির তারিখ হিসেবে সেটিতে ৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) উল্লেখ করা হলেও আজ রোববার এ বিষয়ে জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘ইতিমধ্যে নিজ কর্মস্থল হতে পলায়ন করায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এরূপ ৪০ (চল্লিশ) জন পুলিশ সদস্যের অনুকূলে প্রদত্ত পুলিশ পদক প্রত্যাহার করা হলো।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে এসব কর্মকর্তা পলাতক আছেন। পদক বাতিল হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।

কলকাতায় অফিস প্রসঙ্গে প্রেস সচিব : আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে সরকার

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৫

দেশে দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও বিদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারা বাইরে কী করছে আমরা অবশ্যই মনিটর করছি। তারা দেশের বাইরে থেকে এমন কার্যকলাপ করে আমাদের এখানে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায়– আমরা অবশ্যই এটা মনিটর করছি, আমরা দেখছি। এ বিষয়ে আরও যথাযথ তথ্য সংগ্রহ করার পর আপনাদের জানাতে পারব।’

রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রেস সচিব।

কলকাতায় আওয়ামী লীগ অফিস খুলে কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এ প্রসঙ্গে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করলে শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারা যদি কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করে তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের জন্য বডি ক্যামেরা ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের ১০ হাজার বডি ক্যামেরা রয়েছে। আরও ৪০ হাজার সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে অন্তত একটি ক্যামেরা যাতে থাকে সে চেষ্টা করা হচ্ছে। দূর থেকেও এ ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা আরও ভালোভাবে নিশ্চিত করা যাবে।