• ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২রা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

‘রিজোলিউট ড্রাগন’ যৌথ সামরিক মহড়া : টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন নিয়ে জাপানকে সতর্ক করল রাশিয়া ও চীন

Usbnews.
প্রকাশিত আগস্ট ৩১, ২০২৫
‘রিজোলিউট ড্রাগন’  যৌথ সামরিক মহড়া :  টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন নিয়ে জাপানকে সতর্ক করল রাশিয়া ও চীন
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

আগামী ১১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ‘রিজোলিউট ড্রাগন’ নামে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সেনাদের যৌথ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। মহড়া চলাকালে নিজ ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘টাইফুন’ নামের মধ্যম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছে জাপান। এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে টোকিওকে আলাদাভাবে সতর্ক করেছে রাশিয়া ও চীন। জাপানের এ পদক্ষেপকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলে বর্ণনা করেছে দেশ দুটি।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা শুক্রবার বলেছেন, ‘আমরা এটিকে এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখি।’ তিনি আরও বলেন, জাপানে বা রাশিয়ার কাছাকাছি এলাকায় টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন মস্কোর জন্য সরাসরি কৌশলগত হুমকি। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি জাপান ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের সিদ্ধান্ত না বদলায়, তবে রাশিয়া ‘উপযুক্ত সামরিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা’ নিতে বাধ্য হবে। এ ছাড়া এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার জাপানকেই বহন করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন জাখারোভা।

এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন একই দিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের উচিত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা। এমনকি সাময়িকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে হলেও উল্টো তা নষ্ট না করা। গুয়ো বলেন, ‘আমরা এশিয়ার কোনো দেশে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যম পাল্লার টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিরোধিতা করি।’

২০২৪ সালে প্রথমবার ফিলিপাইনে সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়ায় টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়। তখনই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় চীন। এরপর ম্যানিলা যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার ঘোষণা দেয়। সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা।