ডাকসু নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ছাত্রশিবিরের সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।
স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়েছেন। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি-জিএস, এজিএসসহ ২৮টি পদে ২৩টিতেই বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থীরা।
ছাত্রশিবির প্যানেলের বাইরে পাঁচ পদে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তারা হলেন- সমাজসেবা সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবাইর বিন নেছারী, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সানজিদা আহমেদ তন্বী।
সদস্য পদে স্বতন্ত্র জয়ীরা হলেন- হেমা চাকমা ও উম্মু উসউয়াতুন রাফিয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল বিপুল বিজয় লাভ করেছে। ২৮টি কেন্দ্রীয় পদে তাদের প্রার্থীরা ২২টি পদ জয়ী হয়েছেন।
ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ছাত্রশিবিরের নেতা এস এম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫হাজার ২৮৩ ভোট। এ ছাড়া প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট।
ডাকসু নির্বাচনে এজিএস পদে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ছাত্রশিবিরের নেতা মুহা. মহিউদ্দীন খান ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রদলের এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৪ ভোট। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের এজিএস প্রার্থী আশরেফা খাতুন পেয়েছেন ৯০০ ভোট।
শিবির সমর্থিত বিভিন্ন সম্পাদক পদে ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী’ জোটের জয়ী প্রার্থীরা হলেন:
মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা (১০ হাজার ৬৩১ ভোট),
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হায়দার (৭ হাজার ৮৩৩ ভোট),
আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসিম (৯ হাজার ৭০৬ ভোট),
ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ (৯ হাজার ৬১ ভোট),
ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসাইন (৭ হাজার ২৫৫ ভোট),
কমন রুম–রিডিং রুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা (৯ হাজার ৯২০ ভোট),
মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক সাখাওয়াত জাকারিয়া (১১ হাজার ৭৪৭ ভোট),
স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এম এম আল মিনহাজ (৭ হাজার ৩৮ ভোট), এবং
ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম (৯ হাজার ৩৪৪ ভোট)।
শিবির প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা
সমাজসেবা সম্পাদক পদে যুবাইর বিন নেছারী (৭ হাজার ৬০৮ ভোট),
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ (৭ হাজার ৭৮২ ভোট)
এবং গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে সানজিদা আহমেদ তন্বি (১১ হাজার ৭০৮ ভোট) জয় লাভ করেছেন।
শিবিরের প্যানেলের সদস্যদের হয়েছেন- ১০ জন।
তারা হলেন, সর্ব মিত্র চাকমা(৮ হাজার ৯৮৮)
সাবিকুন নাহার তামান্না (১০ হাজার ৮৪)
ইমরান হোসাইন (৬ হাজার ২৫৬)
আনাস বিন মনির (৫ হাজার ১৫)
মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ (৫ হাজার ১৫)
রাইসুল ইসলাম (৪ হাজার ৫৩৫)
মো. শাহিনুর রহমান (৪ হাজার ৩৯০)
আফসানা আক্তার (৫ হাজার ৭৪৭)
রায়হান উদ্দিন (৫ হাজার ৮২)
বেলাল হোসেন অপু (৪ হাজার ৮৬৫),
তাজিনুর রহমান (৫ হাজার ৬৯০)।
শিবিরের প্যানেলের বাইরে রয়েছেন ২ জন। তারা হলেন,
উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া (৪ হাজার ২০৯), হেমা চাকমা (৪ হাজার ৯০৮)।
ডাকসুর ১২ সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৯টিতে ছাত্রশিবির জয়ী
ডাকসুর ১২টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৯টিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বাকি তিনটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ডাকসুতে পদ আছে ২৮টি। এর মধ্যে সদস্যপদ ১৩টি। সদস্যপদে ফলাফল ঘোষণা চলছে।
জয়ী হলেন যারা–
* সহসভাপতি (ভিপি)– আবু সাদিক কায়েম
* সাধারণ সম্পাদক (জিএস) –এস এম ফরহাদ
* সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস)—মুহা মহিউদ্দীন খান
* মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক—ফাতেমা তাসনিম জুমা
* বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক—ইকবাল হায়দার
* কমন রুম রিডিং রুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক— উম্মে ছালমা
* আন্তর্জাতিক সম্পাদক—জসীমউদ্দিন খান
* সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক—মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ (স্বতন্ত্র)
* গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক—সানজিদা আহমেদ তন্বি (স্বতন্ত্র)
* ক্রীড়া সম্পাদক—আরমান হোসেন
* ছাত্র পরিবহন সম্পাদক—আসিফ আব্দুল্লাহ
* সমাজসেবা সম্পাদক—যুবাইর বিন নেছারী (স্বতন্ত্র)
* ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক—মাজহারুল ইসলাম
* স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক—এম এম আল মিনহাজ
* মানবাধিকার ও আইন বিষয়ক সম্পাদক—মো. জাকারিয়া
বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন সেই সর্ব মিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী’ জোট প্যানেলের প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি ৮ হাজার ৯৯৮ ভোট পেয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনে চোখ হারানো সেই জসিম আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত

জুলাই আন্দোলনে চোখ হারানো শিক্ষার্থী খান জসিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী’ জোট থেকে নির্বাচন করেছেন। ৯ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে তিনি এ পদে নির্বাচিত হন।
বিপুল ভোটে বিজয়ী তন্বি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন জুলাইয়ের পরিচিত মুখ সানজিদা আহমেদ তন্বি। স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন তিনি। ১১ হাজার ৭৭৭টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এ নির্বাচনে গড়ে প্রায় ৭৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভোট পড়েছে বিজয় একাত্তর হলে ৮৩ শতাংশ, জগন্নাথ হলে ৮৩ শতাংশ, মুহসীন হলে ৮৩ দশমিক ৫ শতাংশ, কার্জন হলে ৮০ শতাংশ, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ৮৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ, স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৮২ দশমিক ৮৩ শতাংশ, সূর্যসেন হলে ৮৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ, জসিমউদ্দীন হলে ৭৮ শতাংশ, জিয়া হলে ৭৫ শতাংশ, শেখ মুজিব হলে ৮৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ, উদয়ন স্কুলে ৮৫ শতাংশ, টিএসসিতে ৬৯ শতাংশ ও ল্যাবরেটরি স্কুলে ৬৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে ভোটাররা আটটি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে ভোট প্রদান করেন। এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হবে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন এক হাজার ৩৫ জন। সব মিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হয়।
ডাকসু নির্বাচনে সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন সেই সাবিকুন নাহার তামান্না

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন সেই সাবিকুন নাহার তামান্না। তিনি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
ডাকসু নির্বাচনে তিনি সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৪টি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ভোটে দিনভর ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, উচ্ছ্বাস ও উত্তেজনা।
জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম দিনেই ঘটে বিতর্কিত ঘটনা। ভাঙচুর করা হয় ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের’ প্রচারণা বোর্ড। বিকৃত করা হয় প্যানেলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী সাবিকুন নাহার তামান্নার ছবি।
তবে সেই ছবিকেই নিজের প্রচারণার হাতিয়ার বানান তামান্না। গত ২৬ আগস্ট নিজের ফেসবুক আইডিতে ছবিটি শেয়ার করে লেখেন, ‘স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথযাত্রী, আমরা থামব না।’ সে সময় তামান্নার ছবি এমনভাবে বিকৃত করাকে নারীর পোশাক স্বাধীনতা ও নারীর প্রতি বিদ্বেষী মনোভাবের প্রকাশ উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানায় ঢাবি শিক্ষার্থীরা।
বিস্তারিত ফলাফল সংযুক্ত করা হলো :
DACSU_final_report_2_1
শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষণ : ছোটখাটো অব্যবস্থাপনা ছিল, তবে কোনো অসংগতি ছিল না

এবারের ডাকসু নির্বাচনে ছোটখাটো অব্যবস্থাপনা ছিল। কিন্তু বড় ধরনের কোনো অসংগতি ছিল না বলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন।
গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘অভূতপূর্ব একটি নির্বাচন হয়েছে এই অর্থে যে দীর্ঘদিন আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখিনি। সবকিছু মিলিয়ে আমাদের যেটা মনে হয়েছে যে আমরা এই যে ছোটখাটো যা দেখেছি, অসংগতি বা ব্যবস্থাপনার যে ভুলগুলো, এর বাদে আমরা মনে করিনি যে বড় কোনো ধরনের অসংগতি ছিল এবং নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না, এটা আমাদের মনে হয়নি।’
দুটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে ধীরগতি ছিল উল্লেখ করে অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, জগন্নাথ হল ও টিএসসির ভোটকেন্দ্রে বারবার ধীরগতি করা হয়েছে। টিএসসি কেন্দ্রে একজন সহকারী প্রক্টরের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পরে ভোট গ্রহণ কমে গেছে।
বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ভোট দিতে আশায় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।
উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ মোহাম্মদ শাহান, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাহমিনা খানম, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুব, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মারজিয়া রহমান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
বিস্তারিত ফলাফল সংযুক্ত করা হলো :
DACSU_final_report_2_1