• ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৯ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

ডাকসুতে নির্বাচিত হয়ে যে বার্তা দিলেন বিজয়ীরা

Usbnews.
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫
ডাকসুতে নির্বাচিত হয়ে যে বার্তা দিলেন  বিজয়ীরা
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

যারা একসাথে নির্বাচন করেছেন তাঁরা প্রত্যেকে উপদেষ্টা, যে মতের হোক না কেন সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন: ভিপি সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ সভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচিত হয়ে সাদিক কায়েম বলেন, যে মতের হোক না কেন সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা আমাদের প্রত্যাশা। আমরা ক্যাম্পাসকে স্বপ্নের ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলব।’যারা একসাথে নির্বাচন করেছেন তাঁরা প্রত্যেকে উপদেষ্টা। তাঁরা আমাদের পরামর্শ দেবেন।

জুলাই বিপ্লব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগামী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখবেন বলে জানান তিনি।

দায়িত্বপালনকালে মারা যাওয়া সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান সাদিক কায়েম। তিনি সব গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নবনির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রজন্ম বিজয়ী হয়েছে। এখানে জয় পরাজয়ের কিছু নেই।’

বিজয়ী ঘোষণার পর সাদিক কায়েমের ফেসবুক পোস্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নবনির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রজন্ম বিজয়ী হয়েছে। এখানে জয় পরাজয়ের কিছু নেই।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদদের স্মরণ করছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের, আজাদী আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মরণ করছি। ছাত্রলীগের নির্যাতনে যতজন শহীদ হয়েছে সকল শহীদদের স্মরণ করছি।’

বুধবার সকালে ফল ঘোষণার পর সিনেট ভবনের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের ডাকসুর ভিপি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর নেতৃত্বের আমানত দিয়েছে। সে আমানতের যথাযথ হক আমরা আদায় করব ইনশাআল্লাহ। স্বপ্নের ক্যাম্পাস বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা থাকবো না। আমি ভিপি হিসেবে পরিচয় দিতে চাই না। বোনের ভাই, ভাইয়ের ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই। যেভাবে আগে দেখেছেন পরেও সেভাবেই দেখবেন। আমাদের সবটুকু দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ।’

এ সময় ঢাবি ক্যাম্পাসকে সবার জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস হিসেবে উপহার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ‘সব দল-মত মিলে একসঙ্গে কাজ করব। পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক ইনস্টিটিউট হিসেবে পরিণত করব। প্রথম বর্ষ থেকেই চমৎকার একাডেমিক এনভারমেন্ট এখানে পাবে। নারীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলবো। সবার কাছে দোয়া চাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা আমাদের আকাঙ্ক্ষা, আমাদের প্রত্যাশা‌। যারা আমাদের সঙ্গে একসঙ্গে নির্বাচন করেছে তারা প্রত্যেকে আমাদের জন্য একেক জন উপদেষ্টা। সবাইকে নিয়ে স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করব।’

সব শিক্ষার্থীদের বিজয় , এটা আমার জন্য শিক্ষার্থীদের আমানত , ভুল ত্রুটি হলে শিক্ষার্থীরা আমাকে শুধরে দেবেন: ফরহাদ

ফরহাদ

‘আমার দিক থেকে ব্যক্তিগত অবজারভেশন হচ্ছে জিএস হিসেবে নির্বাচিত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীদের বিজয়। এটি ব্যক্তি ফরহাদের বিজয় হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নাই।’

ডাকসুর নবনির্বাচিত জিএস এসএম ফরহাদ বলেছেন, আমাকে ভোট দিয়েছেন এটা আমার জন্য শিক্ষার্থীদের আমানত। আমি যেন আদায় করতে পারি। আমার ভুল ত্রুটি হলে শিক্ষার্থীরা আমাকে শুধরে দেবেন।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ফল ঘোষণার পর সিনেট ভবনের সামনে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এ সাফল্য নিয়ে বিজয় মিছিল না করার অনুরোধ জানিয়ে একইসঙ্গে দেশবাসী, বিশেষ করে যারা ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এর আর আগে নবনির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রজন্ম বিজয়ী হয়েছে। এখানে জয়-পরাজয়ের কিছু নেই। জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদদের স্মরণ করছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের, আজাদী আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মরণ করছি। ছাত্রলীগের নির্যাতনে যত জন শহীদ হয়েছেন সকল শহীদদের স্মরণ করছি।

বিজয় তখনই পূর্ণ হবে যখন প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারবো: এজিএস মহিউদ্দীন

বিজয় তখনই পূর্ণ হবে যখন প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারবো: এজিএস মহিউদ্দীন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী মো. মহিউদ্দীন খান বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, মহিউদ্দীন খান পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

এজিএস হিসেবে বিজয়ী ঘোষিত হওয়ার পর মহিউদ্দীন খান নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন।

পোস্টের শুরুতে আলহামদুলিল্লাহ লিখে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের এই ঐতিহাসিক বিজয়কে তখনই পূর্ণ মনে করবো যেদিন আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূর্ণ করতে পারবো। এই আমানতের রক্ষণাবেক্ষণ আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’

বন্ধুর এই যাত্রায় সকল বাধা মাড়িয়ে সবাইকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘সমর্থন, পরামর্শ আর সমালোচনার মাধ্যমে আমাদের আপনারা পথ দেখাবেন সেই প্রত্যাশা রাখি।’

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘আল্লাহ আমাদের হঠকারী এবং অহংকারীতে পরিণত হওয়া থেকে পরিত্রাণ দান করুন, আমাদের পথকে মসৃণ করে দিন।’

বিজয় নিয়ে ফাতিমা তাসনিম জুমার বক্তব্য

বিজয় নিয়ে ফাতিমা তাসনিম জুমা এই ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন

May be an image of 1 person, headscarf and dais

এই বিজয় মুসলিমের, এই বিজয় অমুসলিমের।
এই বিজয় হিজাবীর, এই বিজয় নন হিজাবীর।
এই বিজয় নারীদের, এই বিজয় ঢাবির, এই বিজয় আমাদের সবার।

যে পরীক্ষায় অবতীর্ণ করেছো তার যথাযোগ্য মান রাখার তৌফিক দিও খোদা আমাদের।

এর আগে ভোট গণনা কালে এই ছবি শেয়ার করেন ফাতিমা তাসনিম জুমা

May be an image of 1 person and text that says ''অতএব, তুমি তোমার রবের কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে?' ফাতেমা তাসনিম জুমা মুক্তিযুদ্ধ 3 গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদপ্রার্থী, ডাকসু ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেল'

প্যানেলের স্বামী-স্ত্রী দুইজনই বিজয়ী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী’ জোটের দুই পদে স্বামী স্ত্রী বিজয়ী হয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রায়হান-সালমা দম্পতি।

ডাকসু নির্বাচন ২০২৫ এ শিবির সমর্থিত প্যানল ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট থেকে অংশ নেওয়া ডাকসুর ইতিহাসে প্রথম স্বামী-স্ত্রী দু’জনই জয় লাভ করেছেন।

Image description

ঢাবির ২০১৮-১৯ সেশনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী স্বামী রায়হান উদ্দিন ৫ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে ডাকসুর কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন । অন্যদিকে স্ত্রী উম্মে সালমা কমনরুম,পাঠকক্ষ,এবং ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য যে তারা দুজনেই ঢাবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী এবং তাদের পৈতৃক নিবাস বৃহত্তর চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায়।

ডাকসু নির্বাচনে  সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন সেই সাবিকুন নাহার তামান্না

সাবিকুন নাহার তামান্না

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন সেই সাবিকুন নাহার তামান্না। তিনি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

ডাকসু নির্বাচনে তিনি সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৪টি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ভোটে দিনভর ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, উচ্ছ্বাস ও উত্তেজনা।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম দিনেই ঘটে বিতর্কিত ঘটনা। ভাঙচুর করা হয় ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের’ প্রচারণা বোর্ড। বিকৃত করা হয় প্যানেলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী সাবিকুন নাহার তামান্নার ছবি।

তবে সেই ছবিকেই নিজের প্রচারণার হাতিয়ার বানান তামান্না। গত ২৬ আগস্ট নিজের ফেসবুক আইডিতে ছবিটি শেয়ার করে লেখেন, ‘স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথযাত্রী, আমরা থামব না।’ সে সময় তামান্নার ছবি এমনভাবে বিকৃত করাকে নারীর পোশাক স্বাধীনতা ও নারীর প্রতি বিদ্বেষী মনোভাবের প্রকাশ উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানায় ঢাবি শিক্ষার্থীরা।

 

বিস্তারিত ফলাফল সংযুক্ত করা হলো :

DACSU_final_report_2_1