• ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৯ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

৩৩ বছর আগে সর্বশেষ ১৯৯২ সালে জাকসু নির্বাচন হয়েছিল, এবারের নির্বাচনটি ঐতিহাসিক

Usbnews.
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫
৩৩ বছর আগে সর্বশেষ ১৯৯২ সালে জাকসু নির্বাচন হয়েছিল,  এবারের নির্বাচনটি ঐতিহাসিক
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

৩৩ বছর আগে সর্বশেষ ১৯৯২ সালে জাকসু নির্বাচন হয়েছিল, এবারের নির্বাচনটি ঐতিহাসিক। শিক্ষার্থীরা গণ-অভ্যুত্থানে কিন্তু দলমত–নির্বিশেষে সবাই প্রাণ দিয়েছে। তাদের এই যে ত্যাগ, তার বিনিময়ে আমরা দেখেছি যে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, যাঁরা জুলুমের শিকার হয়েছেন, তাঁরা মুক্তি পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় শুরু হয় এই ভোটগ্রহণ। টানা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হল কেন্দ্রে ২২৪টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ।

একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের সংসদ নির্বাচনও হচ্ছে।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কিছুদিন আগের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

সেখানে তিনি বলেছেন , ‘প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেন আমাদের মাতা, গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়া। প্রথম শিশু মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছে শিশু তারেক, শিশু আরাফাত।’

জানা গেছে, ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের ভাইরাল বক্তব্যের ভিডিও ৪০ সেকেন্ডের। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূল বক্তব্য বেশ দীর্ঘ, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪ মিনিটের একটি বক্তব্য পাওয়া যায়।

জানা যায় , শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দেওয়া জাবি উপাচার্যের বক্তব্যের একাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে অসংখ্য মানুষ তার বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার দিয়েছেন, আলোচনা-সমালোচনা করেছেন।

জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৭ জন।

বিভিন্ন পদে মোট ১৭৮ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অনুমোদন পেয়েছেন। এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১০ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলের ২২৪টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১০টি ছাত্রী হল ও ১১টি ছাত্র হল। প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবেন একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৭ জন পোলিং কর্মকর্তা ও ৬৭ জন সহকারী পোলিং কর্মকর্তা।

ভোটাররা কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪০টি ব্যালটে ভোট দেবেন (টিক চিহ্ন দিবেন)। বিশেষ ওএমআর মেশিনে ভোট গণনা করা হবে।

জাকসুর মোট প্রার্থীর ২৫ শতাংশ ছাত্রী, বাকি ৭৫ শতাংশই ছাত্র। ভিপি পদে কোনো নারী শিক্ষার্থী প্রার্থী হননি। জিএস পদে ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে মেয়ে দুইজন। আর চারটি পদে কোনো মেয়ে প্রার্থীই নেই।

সবগুলো হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থীর ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ ছাত্রী। আর মেয়েদের হলগুলোর পাঁচটিতে ১৫ পদে প্রার্থীই নেই।

নির্বাচনে বাম, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত মিলিয়ে সর্বমোট আটটি প্যানেল অংশ নেবে। ছাত্রদল থেকে ভিপি ও জিএস পদে লড়ছেন যথাক্রমে শেখ সাদী হাসান ও তানজিলা হোসেন বৈশাখী। বাগাছাসের ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ লড়বে আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল ও আবু তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়ামের নেতৃত্বে।

‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলে আব্দুর রশিদ জিতু ভিপি এবং মো. শাকিল আলীর জিএস পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ইসলামী ছাত্রশিবির ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ নামে লড়বে। তাদের ভিপি প্রার্থী আরিফুল্লাহ আদিব ও জিএস মাজহারুল ইসলাম।

‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেলে জিএস পদে শরণ এহসান, এজিএস (পুরুষ) পদে নুর এ তামীম স্রোত এবং এজিএস (নারী) পদে ফারিয়া জামান নিকি লড়বেন। এ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী অমর্ত্য রায় জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আদালত।

ছাত্র ইউনিয়ন-ছাত্রফ্রন্টের ‘সংশপ্তক পর্যদে’ জিএস পদে জাহিদুল ইসলাম ঈমন, এজিএস-নারী পদে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস লড়াই করছেন।