• ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

চীনা সেনার সঙ্গে ভারতীয় সেনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে , সরকারের তরফে কোনও তথ্যই জনসমক্ষে পেশ করা হয়নি

usbnews
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৭, ২০২৪
চীনা সেনার সঙ্গে ভারতীয় সেনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে , সরকারের তরফে কোনও তথ্যই জনসমক্ষে পেশ করা হয়নি
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ানে সংঘর্ষ বেঁধেছিল ভারত ও চীনা সেনার। এরপরও আরও দু’বার নাকি চীনা সেনার সঙ্গে ভারতীয় সেনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এই তথ্য সম্প্রতি সামনে এসেছে। এর আগে পর্যন্ত এই সংঘর্ষগুলির বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও তথ্যই জনসমক্ষে পেশ করা হয়নি।

অনুযায়ী, গালওয়ান সংঘর্ষের পর আরও অন্তত দু’বার ভারত ও চীনা সেনা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে বিগত এই কয়েক বছরে। এই তথ্য সামনে এসেছে সেনা জওয়ানদের বীরত্বের পুরস্কার প্রদানের থেকে। গত সপ্তাহে ভারতীয় সেনার পশ্চিম কমান্ডে এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি সামনে আসে। তবে এই সংক্রান্ত পুরো তথ্য জানা যায়নি এখনও। শুধু এটুকুই জানা গিয়েছে, চীনা সেনাকে ভারতীয় জওয়ানরা রুখে দিয়েছিলেন।

প্রকাশিত  রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১৩ জানুয়ারি সেনার ওয়েস্টার্ন কমান্ডের সদর দফতর চণ্ডীমন্দিরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বীরত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়েছিল সেনা জওয়ানদের। সেই অনুষ্ঠানের ভিডিও সেনার তরফ থেকে ইউটিউবেও আপলোড করা হয়েছিল। সেখানে পুরস্কার প্রদানের সময় সংক্ষিপ্ত ভাবে ভারত-চীন সংঘর্ষের বিবরণ পড়ে শোনানো হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে সেই চ্যানেলটি ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেয়া হয়।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গালওয়ানের সংঘর্ষের পর আরও যে দু’টি সংঘর্ষ হয়েছিল, সেগুলি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বরের মধ্যে কোনও এক সময়ে হয়েছিল। উল্লেখ্য, গালওয়ান সংঘর্ষের আগে থেকেই সীমান্ত নিয়ে চীনা সেনার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। তবে তাতে কোনও সমাধান সূর বেরিয়ে আসেনি। বরং চীনা সেনা বারবারই আগ্রাসন দেখিয়েছে। শুধু লাদাখ নয়, উত্তরপূর্বে অরুণাচলের তাওয়াং সেক্টরেও স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করেছে চীন।

 

তবে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বরের মধ্যে যে দু’বার ভারত ও চীনা সেনা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, সেই বিষয়টি এই প্রথমবার সামনে এসেছে সেনারই পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। তবে এই বিষয়ে সেনা বা সরকারের তরফ থেকে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি এখনও। পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠানের যে ভিডিওটি সেনার তরফ থেকে আপলোড করা হয়েছিল, সেটিও এখন আর দেখা যাচ্ছে না। এই আবহে এই দুই সংঘর্ষ ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস।