• ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

রেজিস্ট্রারের আচরণকে অগ্রহণযোগ্য দাবি করে নিন্দা ও প্রতিবাদ রাকসুর : ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রাকসুর জিএস চিনেন না ? অপসারণের দাবি তুঙ্গে

Usbnews.
প্রকাশিত নভেম্বর ১০, ২০২৫
রেজিস্ট্রারের আচরণকে অগ্রহণযোগ্য দাবি করে নিন্দা ও প্রতিবাদ  রাকসুর :    ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রাকসুর জিএস চিনেন না ?  অপসারণের দাবি তুঙ্গে
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদের সঙ্গে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার (৯ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে রোববার বেলা ২টার দিকে রেজিস্ট্রারের কক্ষে বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর রেজিস্ট্রারের আচরণকে অগ্রহণযোগ্য দাবি করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন রাকসু নেতৃবৃন্দ।

May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 AJSHAH UNIVERSITY HIVERS UNIVERSI ម្រមសែនែ চিঠি আটকে রাখার সেকেলে গোঁড়ামি তো আছেই। এত ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত লাল ফিতার দৌরাহ্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে আপনারা অনেক দূর পিছিয়ে দিয়েছেন। রেজিন্ট্রার অফিসে যেকোনো চিঠি আটকে থাকছে। আজকে রাকসু জিএস এর সাথে রেজিন্ট্রারের এহেন নিন্দাজনক আচরণ সেই জমা ক্ষ্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। প্রশাসন প্রভু নয়, শিক্ষার্থ্ীরা কারো দাস নয়। মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ভিপি, রাকসু নভেস্বর, ২০২৫'

ভিডিও ভাইরাল

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সালাহউদ্দিন আম্মার রেজিস্ট্রারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি স্যার ভিতরে আসব না?’ তখন রেজিস্ট্রার বলেন, ‘তোমাকে আমি বাইরে ১০ মিনিট ওয়েট করতে বলেছি।’ তারপর আম্মার বলেন, ‘আপনি স্যার চিঠি (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সভাপতি অপসারণের চিঠি) আটকায় রাখছেন।’ রেজিস্ট্রার বলেন, ‘এই বেয়াদব ছেলে, কিসের চিঠি আটকায় রাখছি আমি?’ তখন আম্মার বলেন, ‘বেয়াদব তো আমি। ডেফিনেটলি বেয়াদব।’

 

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘আমার সঙ্গে বেয়াদবি কেন? তুমি কে ওই ডিপার্টমেন্টের? তখন সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমি কে মানে? আমি রাকসুর নির্বাচিত জিএস।’

 

ঘটনার বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগে টানা ২৩ দিন ধরে চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে আন্দোলন চলছিল। গত বৃহস্পতিবার উপাচার্য সালেহ্ হাসান নকীব ওই বিভাগের চেয়ারম্যানকে অপসারণের আদেশে স্বাক্ষর করে তা রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠান। কাগজটি রোববার পর্যন্ত রেজিস্ট্রার দপ্তরে আটকে রাখা হয়। পরে তিনি বিষয়টি জানতে রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ‘ভেতরে মহানগর বিএনপির প্রোগ্রাম চলছে, পরে আসুন।’ এরপর সালাহউদ্দিন আম্মার ভেতরে প্রবেশ করলে শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা।

May be an image of text that says 'RAJSHAHI UNIVERSITY 4E রাবির রেজি্ট্রার মহোদয় রাকসুর নির্বাচিত জিএসের সাথে যে ॐ দধত্যমূলক আচরণ করলেন, তা শুধু ব্যক্তি জিএস নয় বরং রাবির ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর ভোটে নির্বাচিত প্রত্যেক সদস্যকে অপমান। He has no rights to say 'কে তুমি.?' সিফাত আবু সালেহ সহকারী তথ্য 3 গবেষণা সম্পাদক, রাকসু I ১০ নভেম্বর, ২০২৫ Rajshahi University News24'

এ ঘটনার পর রেজিস্ট্রারের ‘অগ্রহণযোগ্য আচরণের’ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন রাকসুর নেতৃবৃন্দ। রাকসুর ফেসবুক পেজে রোববার রাতে এই বিবৃতি প্রচার করা হয়। এতে তারা রেজিস্ট্রারের অশোভন আচরণের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও তদন্ত দাবি করেছেন।

May be an image of text that says 'RAJSHAHI UNIVERSIT 40 L বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইল আটকে, নিয়মিতভাবে অনিয়মে অভ্যস্ত হয়ে আপনার (রবির রেজি্টরার) কাছে জবাব চাইলে আপনি একজন নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিকে বেয়াদব বলতে পারেন না। সালাউদ্দিন আম্মার ছাত্রদের বিপূল ভোটে নির্বাচিত রাকসু জিএস। ছাত্ররা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য, আপনাদের এসকল লাটসাহেবি- জমিদারি প্রথার বিলোপ সাধনের জন্য। আশরাফুল আলম ইমন যুগ্ম প্রচার, প্রকাশনা 3 জনসংঘোগ সম্পাদক, রুয়া I ٥۲ নভেম্বর, ২০২৫ f Rajshahi University News24'

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দপ্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা যেমন নীতিগতভাবে অনুচিত, তেমনি একটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জিম্মি রেখে এমন অবহেলা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক মান-মর্যাদার পরিপন্থী। পুনরায় সরাসরি রেজিস্ট্রার মহোদয়ের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টির অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি অসৌজন্যমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ প্রদর্শন করেন। রাকসু এই ঘটনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও শিক্ষার্থীদের অধিকারবোধের প্রতি এক চরম অবজ্ঞা হিসেবে দেখছে।May be an image of text that says 'RAJSHAHI UNIVERSIT 24 +5 রাবি রেজি্ট্রার নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি-ছাত্রসংসদের জিএ্স সালাহউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে যে উদ্ধত 3 অপেশাদার আচরণ করেছেন, তা নিঃসন্দেহে চেয়ারের মর্যাদা 3 নৈতিকতার পরিপন্থী। ওনার আচরণ প্রমান করেছে, তিনি দায়িত্ববোধ 3 চরিত্রগত স্থিতিশীলতার যে মান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যাক্তির থাকা উচিত, তা তার মধ্যে অনুপস্থিত। এস. এম সালমান সাব্বির এজিএস, রাকসু I ১০ নভেম্বর, ২০২৫ Rajshahi University News24'May be an image of headscarf and text that says 'Rajshahi University News24 RAJSHAHI UNIVERSITY J একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির সাথে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। 'রাকসু' প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীদের সেতুবন্ধন হিসেবে ভুমিকা রাখতে গঠিত হয়েছে। এখানে যারা প্রতিনিধিত্ব করছেন তাদেরকে চিনতেই যদি এত কষ্ট হয় তাহলে কীভাবে হবে? রাকসুর জিএস এর সাথে রেজিন্ট্রার এর এমন আচরণের তীব্র নিন্দা 3 প্রতিবাদ সাইয়িদা হাফছা জানাচ্ছি। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, রাকসু 1 নভেম্বর, ২০২৫'

May be an image of ‎text that says '‎RAJSHAHI UNIVERSITY ا মানলাম, সেটা বিএনপির সঙ্গে মিটিং ছিল না, এনসিপির সঙ্গে মিটিং ছিল। কিন্তু প্রশ্ন হলো-বিশ্ববিদ্যালয়ের এসি, ফ্যান, চেয়ার, টেবিল-এগুলো কি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিটিং করার জন্য? যদি মিটিং করতেই হয়, তাহলে তাদের অফিসে গিয়ে মিটিং করুন। আরও বড় প্রশ্ন হলো-বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল সময়ে আপনি কেন রাজনতিক দলের সঙ্গে মিটিং করবেন? মোজাম্মেল হক ভিপি, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১০নভ্সবর,২০২৫ ২০২৫ ১০ নভেম্বর, f Rajshahi University News24‎'‎

উল্লেখ্য, বৈষম্যমূলক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধন, ইন্টার্নশিপ ভাতা চালু এবং বিসিএস পরীক্ষায় চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানের টেকনিক্যাল ক্যাডার সংযোজনের দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির পালন করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়ায় বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন তারা। চেয়ারম্যান পদত্যাগ না করায় এখনও বন্ধ আছে একাডেমিক কার্যক্রম।

May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 RAJSHAH NIVERSITY দায়িত্বের আসনে থাকা কিছু ব্যাক্তি 'Get out!' শব্দটিকে যেন তাদের ক্ষমতার প্রতীক বানিয়ে ফেলেছেন-এ শব্দটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। আজও আমরা দেখলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজি্ট্রার মহোদয় আমাদের নির্বাচিত জিএসকে একই কায়দায় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। আমরা তার এই আচরণের তীব্র নিন্দা 3 প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মো. তাজুল ইসলাম ভিপি, মতিহার হল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় I so নভেম্বর, ২০২৫'May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 RAJSHARI UNIVERSITY অনেকটা আস্থাভাজন কোটাতে পদ পেয়ে আজ শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটে নির্বাচিত প্রতিনিধিকে বলেন, 'তুমি কে?' আপনার লজ্জা থাকা উচিত। আশাকরি এখন গলাটা নামিয়ে কথা বলবেন। গুরুত্ব্পূর্ণ ফাইলগুলো অফিস থেকে কি 'হাওয়া ভবনে' স্থানান্তরিত হয়? 분 TLAS 著 মো. নাঈ্গম ইসলাম ভিপি, সৈয়দ আমীর আলী হল সংসদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় I so নভেম্বর, ২০২৫'May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 RAJSHAHI UNIVERSITY একজন দায়িত্বশীল হিসেবে কথা বলার সময় আপনার (রোবির ভারপ্রাপ্ত রেজিন্ট্রার) টোন, আচরণ 3 শব্দচয়ন অনেক কিছু প্রকাশ করে। সব জায়গায় উচ্চকণ খাটিয়ে নিজের ওয়েট ধরে রাখা যায় না। মর্যাদাও প্রতিষ্ঠা হয় না। একজন ছাত্র প্রতিনিধি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছে মাত্র, অথচ তার একটি কাজে, একটি প্রশ্ন এত হাইপার হয়ে যাওয়া, তাকে বেয়াদব আখ্যা দেওয়া, গেট আউট বলা, এটা কতটা সমীচীন? সামিয়া জাহান সহকারী মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, রাকসু so নভেম্বর, ২০২৫'May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 RAJSHAHI" UNIVERSITY 353 J শিক্ষকেরা সরকারের টাকায় বেতন পান। আমরা যোগ্যতার প্রমান দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসি। তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক শিক্ষা দেওয়া আর নেওয়ার কারো কাছে পদ্ধত্যপূর্ণ 'তুমি কে?' প্রশ্নের উত্তর দিতে আসি নাই। কারো মুখে অকারণে 'বেয়াদব' গালি শুনতে আসি নাই। স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, পনারা মনিব না, আমরাও আপনাদের গোলাম না। সুতরাং, অবেধ ক্তৃত্ব ফলানোর অনধিকার চর্চা করবেন না। জায়িদ হাসান জোহা সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক, রাকসু নভেম্বর, ২০২৫'

রাবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে অপসারণে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রারের অপসারণ চায় রাকসু

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রেজিস্ট্রার ইফতেখারুল আলম মাসউদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় রাকসুর নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগে চলমান অচলাবস্থা আজ ২৩ দিন অতিক্রম করেছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের ক্লাস, পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। এই দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে রাকসুর প্রতিনিধিদল একাধিকবার মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সালেহ হাসান নকীব মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত সমাধানের অনুরোধ জানায়।

উপাচার্য বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অপসারণের নির্দেশে স্বাক্ষর করেন এবং ফাইলটি রেজিস্ট্রার দপ্তরে প্রেরণ করেন। প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই দিনে চিঠি ইস্যু হওয়ার কথা থাকলেও রবিবার দুপুর পর্যন্ত তা ইস্যু করা হয়নি। এতে বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থেকে শিক্ষার্থীরা আরও একদিন একাডেমিক ক্ষতির মুখে পড়ে।

বিষয়টি জানতে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক ও সিনেট সদস্য সালাহউদ্দিন আম্মার রেজিস্ট্রার দপ্তরে গেলে দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, রেজিস্ট্রার মহোদয় তখন রাজনৈতিক প্রোগ্রামে ব্যস্ত আছেন এবং পরে আসতে বলেছেন। রাকসুর মতে, প্রশাসনিক দায়িত্বের সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা যেমন নীতিগতভাবে অনুচিত, তেমনি এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসন ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

পরে রেজিস্ট্রার ইফতেখার আলম মাসউদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে বিষয়টির অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে কথা বলেন। এই ঘটনার একটি অংশ ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে বহু শিক্ষার্থী দেখেছেন বলে জানায় রাকসু। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সংকটকে উপেক্ষা করে প্রশাসনিক পদক্ষেপ বিলম্বিত করা দায়িত্বহীনতা ও জবাবদিহিতার অভাবের দৃষ্টান্ত। একজন নির্বাচিত ছাত্র-প্রতিনিধির সঙ্গে এমন আচরণ রাকসুর মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নীতিমালার পরিপন্থী। রাকসুর দাবি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টারের এই অশোভন আচরণের জন্য তদন্তের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার অপসারণ করতে হবে।”

এ সময় রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দীন আম্মার বলেন, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ২৩ দিন ধরে ক্লাস না পেয়ে রাকসুর কাছে অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে গতকাল দুপুর ২টার দিকে রেজিস্ট্রার দপ্তরে গেলে রেজিস্ট্রারের সচিব জানান, সেখানে মহানগর বিএনপির একটি রাজনৈতিক মিটিং চলছে। প্রশাসনিক দপ্তরে রাজনৈতিক কার্যক্রম চলা অত্যন্ত অনৈতিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার পরিপন্থী। যে কর্মকর্তা বা শিক্ষক নিজের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব ভুলে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে যুক্ত হন, তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবিলম্বে অপসারণ করা উচিত।

রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ঘটনা যেহেতু রেজিস্ট্রারের সাথে সম্পৃক্ত তাই আমরা রেজিস্ট্রারের অপসারণ চাই। আর এটি যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী ঠিক আছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হয়। সামনে আমরা দাবি জানাবো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যেন কর্মকর্তার পদে না থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসু প্রতিনিধির সাথে নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পরে বিমাতা সূলভ আচরণ করছে।

তিনি আরো বলেন, প্রথম থেকেই দেখবেন শপথ অনুষ্ঠান দিতে দেরি করা, প্রথম কার্যদিবস দিতে দেরি করা, সার্বিক বিষয়ে অন্যান্য ক্যাম্পাস থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু প্রতিনিধিদের সাথে বিমাতা সুলভ আচরণ করছে। কী কী কারণে তারা এগুলো করছে তা সবার সামনে চলে আসছে আর রাকসু ফান্ডের ৩৫ বছরের টাকার হিসাব দিতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছে। তারা আমাদের সাথে এরূপ আচরণ করছে।

May be an image of one or more people and text that says 'রাকনুসল সচলয ১০নভ্স্বর,২০২৫ ১০ নভম্বর, ২০২৫ GLAD manro! জিঙ্স আম্মারের সঙ্গে খারাপ আচরণ রাবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ইফতিখারুল আলম মাসউদকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণের দাবি রাকসুর ভিপি জাহিদের'

রেজিস্ট্রার অফিসে যা হয়েছে আম্মারের সাথে

আজকে বেলা ১:৩০ আমরা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির শিক্ষার্থীরা সালাউদ্দিন আম্মার এর অফিসে যাই। কারণ, ২০ দিন ধরে ডিপার্টমেন্ট বন্ধ। প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিয়ে অফিসিয়াল চিঠি দিচ্ছিল না। রাকসুতে আমরা যাই আমাদের ক্লাস দ্রুত চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

আম্মার প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারে ভিসি স্যারের অফিস থেকে ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দেয়া হয়েছে রেজিস্ট্রার অফিসে চিঠি আটকে আছে। আমরা ২টার দিকে রেজিস্ট্রার অফিসে যাই আম্মারসহ চিঠির বিষয়ে জানার জন্য।

প্রথমে আম্মার ভিতরে ঢুকে। রেজিস্ট্রার স্যারের অফিসে স্যারের সাথে দেখা করার জন্য। স্যার একটা মিটিং এ ছিলেন অনুমতি দেন নাই। এমন সময় স্যারের অফিস থেকে একটা তথ্য দেয়া হয়, স্যার নাকি বিএনপি মহানগর এর নেতাদের সাথে মিটিং করছেন।

বিষয়টি শুনে আম্মার ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্যার কে জিজ্ঞেস করতে যায় স্যার একটা বিভাগ ২০ দিন ধরে বন্ধ। আপনি বিভাগ এর চিঠি ইস্যু না করে মিটিং করছেন। তখন স্যার এর সাথে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। স্যার মেজাজ হারিয়ে ফেলেন এবং আম্মারের সাথে উচ্যবাচ্য করেন।

পরবর্তীতে আম্মার যাওয়ার কারণে বিকাল ৫ টায় ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চিঠি ইস্যু করা হয়। এবং বহিরাগত চেয়ারম্যান কে তার নিজ বিভাগে প্রত্যাবর্তন করানো হয়।

আম্মারের সাথে পুরো বিষয়টি ঘটার পিছনে মূল কারণ হলো একটি তথ্য যা স্যারের অফিস থেকেই জানানো হয়, ‘রেজিস্ট্রার স্যার মহানগর বিএনপি এর নেতাদের সাথে মিটিং করছেন’। দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজনের এসকল বিষয়ে আরো সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তারা কেমন তথ্য শিক্ষার্থীদের বলছে তার উপর পারসেপশন নির্ভর করে।

*রাইসুল ইসলাম মাহমুদ
শিক্ষার্থী, ক্লিনিকাল সাইকোলজি বিভাগ

 

 

May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 AJSHAH UNIVERSITY PVERS UNIVERSI প্রশাসন প্রভু নয়, শিক্ষার্থীরা কারো দাস নয়। মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ভিপি, রাকসু Iso নভেস্বর, ২০২৫'May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 RAJSHAHI" UNIVERSITY বিশ্ববিদ্যালয় কোনো রাজনৈতিক আলাপচারিতার জায়গা নয়। আমরা পূর্বেও লক্ষ্য করেছি, রাজনৈনতিক দলগুলো কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন বিনষ্ট করে, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক একটি রাজনৈতিক বলয় তৈরি করে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোনমি আর ফাংশন করে না। ফলশ্রুতিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা দলদাসে পরিণত হয়। মেহেদী মারুফ সভাপতি, ছাত্রঅধিকার পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় I so নভেম্বর, ২০২৫'

আজকে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা সামনে নিয়ে আসতে চাইনি এজন্য দুপুর ২টার ঘটনা এই রাতে পোস্ট হচ্ছে হয়তো!

এখন ক্লিয়ার করার প্রয়োজন মনে করছি। কারণ সাংবাদিক ভাইয়েরা কল দিচ্ছেন বারবার। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অপসারনের আন্দোলন চলছে প্রায় ২৩ দিন। তাদের ক্লাস পরীক্ষা সবকিছুই বন্ধ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে এর থেকে বড় পেরেশানি আমার কাছে আর কিছুই হতে পারে না বা হওয়া উচিতও নয়।

আমি ভিসি মহোদয়কে বারবার অনুরোধ করেছি, মঙ্গলবারে যেন স্যার এটার সমাধান করেন, পরে স্যার বৃহস্পতিবার তাদের বিভাগের চেয়ারম্যানকে অপসারণের কাগজে স্বাক্ষর করেন বেলা ২.৩০ মিনিটের দিকে। স্বাক্ষর করে স্যার রেজিস্ট্রার মহোদয় বরাবর প্রেরণ করেন এই কাগজ, এখন শুধু একটাই কাজ সেটা হলো রেজিস্ট্রার ফর্মালিটিসগুলো মেইন্টেইন করে বিভাগে ইস্যু করবেন।

এটা চাইলে বৃহস্পতিবার করা যেত। কিন্তু একটা জিনিস ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সবাই, সচেতন শিক্ষার্থীরা সবাই জানে যে বিভাগের চেয়ারম্যান রেজিস্ট্রার মহোদয়ের প্রত্যক্ষ সমর্থনে সভাপতি হয়েছিলেন।

সেই কাগজটা রবিবার বেলা ২টা পর্যন্ত আটকে রাখা হলো। তারমানে ২৪তম দিনের মতো ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগে তালা মারা।
পরে ভিসি মহোদয়ের সচিবকে কল দিলে উনি বললেন, রেজিস্টারের তো এটা অনেক আগে ইস্যু করার কথা। তখন আমি রেজিস্ট্রার স্যারকে কল দিলে উনি ধরেননি।

এরপর বাধ্য হয়ে আমি রেজিস্ট্রার দপ্তরে যাই ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ভাইবোনদের নিয়ে। দপ্তরে ঢুলে রেজিস্ট্রার দপ্তরের সম্ভাবত একান্ত সচিব জানালেন, ভিতরে মহানগর বিএনপির সাথে স্যার একটা প্রোগ্রাম করতেছেন, আপনাকে পরে আসতে বলছে!!

এটা শুনে আপনাদের কার কি মনে হবে জানিনা তবে আমার ১১৫০০+ ভোটের আমানতের কথা চিন্তা করে মাথায় রক্ত উঠে গেলো। রেজিস্ট্রার দপ্তরে রাজনৈতিক প্রোগ্রাম করবেন সেটার জন্য এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা ইস্যু সাইড হয়ে থাকবে?

May be an image of text that says 'RAJSHAHI UNIVERSITY 24 4 44 ব্যাক্তি সালাহউদ্দিন আম্মার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছুই না, কিনত যে পদে আমি আছি সেটার সম্মান আজ ক্ষুন্ন হয়েছে।... রেজিস্টরার মূলত একটি অফিসার পদ, ওখানে যিনি বসবেন তিনি অফিসার, কোনো সুবিধা নেওয়ার জন্য উনি শিক্ষকের থেকে ٩ স্তর নিচে গিয়ে রেজিন্ট্রার হলেন আমার জানা নেই। সালাউদ্দিন আম্মার জিএস, রাকসু I ১০ নভেম্বর, ২০২৫ f Rajshahi University News24'
আমি আবার ওনাকে বললাম- স্যারকে বলেন! রাজনৈতিক প্রোগ্রাম করবে করুক কিন্তু এটা আর্জেন্ট। উনি ফিরে এসে একই কথাই বললেন- আমাকে পরে আসতে বলেছে।

আমি তখন নিজেই ঢুকে গেলাম, স্যারকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, চিঠি আজ ইস্যু হবে কি না, তখন উনি চড়াও হওয়া শুরু করলেন যার পুরোটাই ভিডিওতে দেখবেন। আর শেষে ভিডিও কেটে গেছে সম্ভাবত যিনি ভিডিও করছিলেন তার দিকে স্যার তেড়ে আসেন, উনি ভয়ে কেটে দেয় ভিডিও।

সেখান থেকে বেরিয়ে আসি শিক্ষার্থীদের নিয়ে, কারণ আমার কাছে সমাধান বেশি জরুরি। আমি এটা ইস্যু করলে অন্যদিকে যাবে, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চিঠির ইস্যু আবার পিছাবে। কিন্তু সন্ধ্যা হতে হতে মুখে মুখে চলে যায় এবং ভিডিও কয়েকজনের কাছে ছড়িয়ে যায়।

ব্যক্তি সালাহউদ্দিন আম্মার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছুই না, কিন্তু যে পদে আমি আছি সেটার সম্মান আজ ক্ষুন্ন হয়েছে। আমি শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং সিনেট সদস্য।

আর একটা বিষয় ক্লিয়ার করি!
রেজিস্ট্রার মূলত একটি অফিসার পদ, ওখানে যিনি বসবেন তিনি অফিসার, কোনো সুবিধা নেওয়ার জন্য উনি শিক্ষকের থেকে ৭ স্তর নিচে গিয়ে রেজিস্টার হলেন আমার জানা নেই।

তবে যে কয়টা দিন জিএস আছি, ইনশাআল্লাহ কোনো দপ্তর কাজ আটকাইয়া রাখলে বলবেন!

শিক্ষার্থীদের সাথে বিন্দু পরিমাণ প্রহসন চলবে না, আপনি রাজনীতি করেণ আর যাই করেন, অফিস টাইমে দায়িত্ব পালন করেন।

আমি সালাহউদ্দিন আম্মার
সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত রাবিয়ানদের জন্য রাকসু ভবনের ২০২ নম্বর রুমে বসে থাকি, আসবেন।

 

রাকসুর জিএস কে এই সালাহ উদ্দীন আম্মার

রাকসুর জিএস সাবেক সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার

দীর্ঘ ৩৪ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ছিলেন।

রাকসু নির্বাচনে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থী সালাহ উদ্দীন আম্মার। রাবিতে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটে’র ব্যাপক প্রভাব সত্ত্বেও আম্মারের ভূমিধ্বস বিজয় পুরো ক্যাম্পাসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। শুধু তাই নয়, সিনেটে ৫টি ছাত্র প্রতিনিধি পদে সর্বাধিক ১২ হাজার ৮৩৩ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সালাহ উদ্দীন আম্মার।

ঘোষিত ফলাফল অনুসারে, ‘সালাহ উদ্দীন আম্মার পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৯৭ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী ফজলে রাব্বি মো. ফাহিম রেজা পেয়েছেন ৫ হাজার ৭২৭ ভোট। প্রায় ৫ হাজার ৮শ’ ভোটের ব্যবধানে আম্মারে বিজয়, অনেকের চোখে অপ্রত্যাশিত, কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। কারণ, কেন্দ্রীয় সংসদের ২৩টি পদের মধ্যে ২০টি পদেই বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিতরা। কিন্তু জিএস পদে ছাত্রশিবির আম্মারের কাছে বিপুল ব্যবধানে হেরেছেন।’

জানা গেছে, সালাহউদ্দিন আম্মার রাবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। খুলনার এই তরুণ ঢাকার মাদ্রাসায় পড়লেও রাবির রাজনীতিতে ইতোমধ্যে সকলের পরিচিত মুখ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়েই তার নেতৃত্বগুণ ও সাহসী অবস্থান শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সেই আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম সমন্বয়ক, সহপাঠীদের মাঝে পরিচিত ‘শ্লোগান মাস্টার’ হিসেবে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাবি’র অন্যতম সংগঠক ও সক্রিয় অংশগ্রহণকারী।

জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে আম্মারের ক্যাম্পাসে রাজনীতি শুরু। এর আগে তিনি চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তবে আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তার রাজনৈতিক চেতনা বিকশিত হয়। ক্যাম্পাসে তিনি ছিলেন প্যালেস্টাইন সংহতি কর্মসূচি, মানবাধিকার, ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সরব। পরে তিনি একটি চাকরিতে যোগ দেন, তবে জুলাই আন্দোলনের সময় চাকরি ছেড়ে রাজপথে নামেন। এরপর থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন।

সূত্র জানায়,‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এই সাবেক সমন্বয়ক আম্মারকে সহপাঠীরা দেখেছেন একজন নির্ভীক কণ্ঠস্বর। লিঁয়াজো বা তোষণ রাজনীতির বাইরে থেকে তিনি শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন এবং সিনিয়র রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনার মুখেও নিজের অবস্থানে অটল। অনেকের চোখে তিনি ‘সোজাসাপ্টা’, সাধারণ শিক্ষার্থীদের চোখে তিনি অসীম সাহসের প্রতীক। যা তিনি প্রমাণ করেছেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর পুনর্বহালকৃত পোষ্যকোটা’র বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনের প্যারিস রোডে হাজির করার মাধ্যমে। মূলত: ঐ রাতেই রাকসু’র ভবিষ্যত নেতা হিসেবে আম্মার নিজেকে প্রমাণ করেছেন বলে ওয়াকিবহাল শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপে জানা গেছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কর্তৃক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) এর নির্বাচিত সাধারন সম্পাদকের প্রতি ঔদ্ধত্য ও অপেশাদারমূলক আচারণ এবং এখনো পর্যন্ত অবান্তর বক্তব্য প্রদানের প্রতিবাদে এবং বিচারের দাবিতে জরুরী প্রেস ব্রিফিং।

 

 

May be an image of text that says 'Rajshahi University News24 RAJSHAHI UNIVERSITY 15P J সালাউদ্দিন আম্মার 3 রেজিস্টার স্যারের সাথে উত্তপ্ত বাকবিতন্তার সময় ওখানে বিএনপির কেউ ছিল না। আমার উপস্থিতিতে রাজশাহী মহানগর এনসিপির নেতৃবৃন্দ ছিল। আমরা ওখানে সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু রেজিস্টার স্যারের পিএস সম্ভবত আমাদেরকে বিএনপির নেতাকর্মী ভেবে তাদেরকে ইনফর্ম করে। এখান থেকে ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত হয়। মো. মোবাশ্বের আলী আন্থায়ক, এনসিপি রাজশাহী মহানগর নভেম্বর, ২০২৫'May be an image of text that says 'নভেম্বর, ২০২৫ রাবি প্রতিদিন " রাবির দপুতরগুলোতে কাজ ঠিকঠাক হলেই আমরা খুশি। আর অফিসার পদগুলোতে যদি প্রধান উপদেষ্টাও বসে থাকে তাহলে তাকে অফিসার হিসেবে গন্য করা হবে। এখানে আলাদা প্রিন্স ট্রিটমেন্ট এর আশা কইরেন না। সালাউদ্দিন আম্মার, রাকসুজিএস।'

 

১ সপ্তাহেও রাকসুর ভিপিকে জবাব দেওয়ার সময় হয়নি রাবি রেজিস্ট্রারের…

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই পোস্টে একজন লিখেন , দিনেও মেসেজের ৭ দিনে রিপ্লাই দিচ্ছে না, অথচ রাজনৈতিক দলের সাথে মিটিং করতে পারে অরাজনৈতিক চেয়ারে বসে।

আরেকজন লিখেন , এক সপ্তাহ মেসেজ দেওয়ার উত্তর না দেওয়া মানে মন মত হয় নাই দেখা করার মত তাই সময় হয় নাই।

আরেকজন লিখেন , শুনেন স্যার মহোদয় নিজের সম্মান নিজে রক্ষা করেন ছাত্রদের বেয়াদব করিয়েন না।

আরেকজন লিখেন , অযোগ্য অদক্ষ রেজিস্টারকে বিশ্ববিদ্যালয় বের করে দিন। জনগণের ও ছাত্রদের টাকায় তার বেতন হয় তাই সব্য ভদ্রভাবে দায়িত্ব পালন না করে ফুটানি করার জায়গায় আর বিশ্ববিদ্যালয় নয়।

May be an image of one or more people and text that says 'so ১০নভেম্বর, ২০২৫ রাবি প্রতিদিন রাকসুর ভিপি দেখা করার জন্য মেসেজ দিয়েছে। ১ সপ্তাহ হয়ে গেলো। আমি এখনো বেচারাকে জবাব দিতে পারিনি। আর এই ছেলে(আম্মার) সব জায়গায় গিয়ে মাতব্বরি করে। একটা বেহায়া ছেলে। “ অধ্যাপক ইফতেখার আলম মাসউদ, রেজিস্ট্ররভরপ্রাপ্ত্, রাবি। রাবি প্রতিদিন'