শীতকালীন বৈরি আবহাওয়া ও ব্ল্যাক আউট সংক্রান্ত ঘটনায় গত দুই সপ্তাহের ধারাবাহিক ঝড়ের কারণে সারা দেশে কমপক্ষে ৫৫ জন মারা গেছেন , অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে হাইপোথার্মিয়া বা আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনার কারণে।
টেনেসিতে ১৯ জন মারা গেছে, যার মধ্যে একজন ২৫ বছর বয়সী মৃতদেহ পায় যায়। একটি স্পেস হিটার পড়ে গিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে একটি মোবাইল বাড়ির ভিতরে পাওয়া গিয়েছিলবলে টেনেসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
একটি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘পাওয়ার আউটেস ইউএস’ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তুষার ঝড়ে ওরেগনের ৭৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন ছিল। এর পরেই রাজ্যের গভর্নর রাজ্যটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হিমশীতল তাপমাত্রা, তুষারপাত ও ঘন বরফে ঢাকা বিপজ্জনক সড়কপথে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে দেশটির বিমান চলাচল ও স্কুল অনেকাংশে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে হাজার হাজার বাসিন্দা। লাখ লাখ মার্কিনীর জন্য আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন, কেন্টাকিতে আবহাওয়া সংক্রান্ত পাঁচটি মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার তুষার ঝড়ের সময় পার্ক করা গাড়িতে একটি জীবন্ত বিদ্যুতের লাইন পড়ে তিনজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান বলে পোর্টল্যান্ড দমকল বিভাগ জানিয়েছে।
পাওয়ার আউটেজ ডট কম নামক একটি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটের মতে, সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝড়ের কারণে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন ছিল। ফলে রাজ্যের গভর্নর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
ইলিনয়, কানসাস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, নিউ ইয়র্ক, উইসকনসিন ও ওয়াশিংটন রাজ্যেও মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এখানে পাঁচজন লোক আত্মহত্যা করেছে বলে মনে করা হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিম, রকি পর্বতমালা ও নিউ ইংল্যান্ডের কিছু অংশসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি অংশে তুষারঝড় আঘাত হানে। বিশেষ করে পশ্চিম নিউইয়র্কের বাফেলোর কাছে পাঁচ দিনের ব্যবধানে প্রায় ৭৫ ইঞ্চি পুরো তুষার পড়েছে।
একটি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘পাওয়ার আউটেস ইউএস’ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তুষার ঝড়ে ওরেগনের ৭৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন ছিল। এর পরেই রাজ্যের গভর্নর রাজ্যটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে বিমান চলাচল উল্লেখযোগ্য বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। ১ হাজার ১০০টির বেশি মার্কিন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং আরও ৮ হাজারটি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।