শেখ হাসিনার ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা এবং বিডিআরসহ অন্যান্য বাহিনীগুলোকে দুর্বল করাই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন- মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ যুগ্মসচিব (অব.), ড. এম. আকবর আলী ডিআইজি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।
রোববার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা শেষে কমিশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। ১১ মাস পর এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। সেখানে আমরা ২৪৭ জনের সাক্ষ্য নিয়েছি। এদের মধ্যে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জবানবন্দি ১৪ জন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ১০ জন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা দুজন, সামরিক কর্মকর্তা ১৩০ জন, অসামরিক কর্মকর্তা চারজন, পুলিশ কর্মকর্তা ২২ জন, বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ ৯ জন, সাবেক ও বর্তমান বিডিআর বা বিজিবি সদস্য ২২ জন, কারাগারে আছেন ২৬ জন ও সাংবাদিক তিনজন। এর মধ্যে আমরা ৬০০ ঘণ্টা ভিডিও সাক্ষাৎকার ও রেকর্ডিং রিভিউ করেছি। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ছবি নিয়েছি প্রায় ৮০০টি। বিভিন্ন খবরের কাগজে প্রচারিত সংবাদ নিয়েছি প্রায় ২১৫টি, সরকারি ও বেসরকারি মোট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পত্রালাপ করা হয়েছে। পত্রালাপের মাধ্যমে ৯০৫টি এবং প্রতিমাসে ৮১টি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ছয়টি তদন্ত প্রতিবেদন সেনাবহিনীকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। জাতীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তৎকালীন বিডিআর পরিচালিত ৫২টি তদন্ত প্রতিবেদন বিজিবিতে ফেরত দেওয়া হয়েছে। ওয়েবসাইট বা ই-মেইল বা জবানবন্দি ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে ৩১৬টি বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব হত্যাকাণ্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড কারা ছিল— এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, শেখ সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, সাহারা খাতুন, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারেক সিদ্দিকী, তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ, তৎকালীন ডিজিএফআই-এর প্রধান মেজর জেনারেল আকবর।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই সময় সরকার তার ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চেয়েছিল এবং বিডিআরসহ বাহিনীগুলোকে দুর্বল করতে চেয়েছিল।
এই ষড়যন্ত্র কতদিন ধরে চলছিল এবং পেছনে কারা জড়িত ছিল— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা এই ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এই বিডিআর হত্যাকাণ্ডে পার্শ্ববর্তী একটি দেশ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রতিবেশী দেশ বলতে আমরা ভারতকে বুঝিয়েছি।
পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিশন দুইজন পলাতক আওয়ামী নেতার জবানবন্দি নিয়েছে। এই দুই নেতা ইমেইলে জবানবন্দি দিয়েছেন।
তারা হলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।
সেনা অভিযান কেন করা হয়নি— সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মঈনের কারণে সেনা অভিযান হয়নি। জেনারেল মঈন বলেছিলেন, সেনা অভিযানে গেলে ভারত এখানে হস্তক্ষেপ করত। আমি যদি এখানে অভিযান চালানো শুরু করতাম, তাহলে ভারত এখানে ইন্টারফেয়ার করত এবং ভারত ১৯৭১ সালের মতো বাংলাদেশ থেকে তারা আর ফিরে যেত না। দুই দিনে যখন ৫৭ অফিসার নিহত হয়, তখন দেশে আর স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব থাকে না।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস , পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিলো। : কমিশন
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের প্রধান আ ল ম ফজলুর রহমান এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার নাম জানান। তাঁরা হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিদেশে পলাতক শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন।
এর বাইরে শেখ হাসিনার সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মোল্লা ফজলে আকবর।
তদন্তে সময় বৃদ্ধি চায় কমিশন
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ৫০ জনের অধিক ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ এখনো বাকি আছে। এ ছাড়া কিছুসংখ্যক ব্যক্তির পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণেরও প্রয়োজন হবে। গৃহীত সাক্ষ্যগুলোর পূর্ণাঙ্গ লিখিত রূপ প্রস্তুত, স্বাক্ষর গ্রহণ ও বিশ্লেষণের কাজ চলমান রয়েছে। এটি একটি সময়সাপেক্ষ কাজ। কিছু বিদেশি দূতাবাস ও সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। যার জন্য কিছু সময় প্রয়োজন। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের মেয়াদ আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
ভারতের সম্পৃক্ততা
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা থেকে লাভবান হয়েছে।
তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। ওই ঘটনার সময় কিছু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং কয়েকজন সাংবাদিকের ভূমিকা ছিলো অপেশাদার।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর পাঁচজন সেনাবাহিনী কর্মকর্তাকে কি গুম করা হয়েছিল— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিজিএফআই-এর হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
৩৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
তদন্ত কমিশন জানায়, প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ ও তদন্ত কার্যক্রমে অধিকতর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন ৩৩ জন ব্যক্তির দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পলাতক ব্যক্তিদের সাক্ষ্য প্রদানের জন্য কমিশন তিনটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিডিআর হত্যাযজ্ঞের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। ছবি : সংগৃহীত
ডাল-ভাত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডাল-ভাত কর্মসূচিকে তারা সামনে এনেছিল, কিন্তু এর পেছনে ছিল বড় ধরনের ষড়যন্ত্র। বাহিনীগুলোকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা ও শেখ হাসিনার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাক্ষ্য
তিনি বলেন, ৮ জন সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনের সাক্ষাৎকার জেলে নেওয়া হয়েছে। ৩ জন উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২ জন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা ইমেইলে জবানবন্দি দিয়েছেন।
সামরিক ব্যক্তি
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি বলেন, ৫৫ জন সামরিক অফিসার যারা বিভিন্নভাবে পিলখানা ট্র্যাজেডির সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন বা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তাদের জবানবন্দি নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন একাধিক সাবেক সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান, বিভিন্ন গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধান ও অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা।
বেসামরিক ব্যক্তি
২০ জনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক, আমলা ও পূর্বতন তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
পুলিশ কর্মকর্তা
তিনি আরও বলেন, তৎকালীন আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে।
বেসরকারি ব্যক্তি
মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান আরও বলেন, ৯ জনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ব্যবসায়ী, টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তি যাদের কাছে ঘটনা সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত রয়েছে।
কারাগারে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি
কারাগারে দণ্ডপ্রাপ্ত ২৫ জন বিডিআর সদস্যের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। তারা ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত সে সম্পর্কে নানা ধরনের তথ্য দিয়েছে যেগুলো এখন বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। আরো সাক্ষাৎকার গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
বিডিআর সদস্যদের সাক্ষ্যগ্রহণ
২৯ জন কারামুক্ত বিডিআর সদস্যের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে।
মোট সাক্ষ্য গ্রহণ
মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান বলেন, সর্বমোট ১৫৮ জনের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে এবং আরো প্রায় ৫০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ বাকি আছে।
বিদেশি সংস্থা ও দূতাবাস
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি বলেন, ৬টি দেশের দূতাবাস ও ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় থেকে তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যান্য সাক্ষ্য গ্রহণ
পিলখানা ট্র্যাজেডি সংক্রান্ত কোনো তথ্য আছে এমন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান/গণমাধ্যমেকে কমিশনের কাছে তথ্য প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি জানান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে জেনারেল আজিজ আহমেদের চলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তাকে প্রোমোশন দিয়ে ডিজি বিজিবি করা হয়।
বিডিআর বিদ্রোহে শুধু বিডিআর সদস্য নাকি বাইরের কেউ ছিল— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিডিআর সদস্য ছাড়াও বহিরাগতরা ছিল। আমরা তদন্তে পেয়েছি, সেই সময়ে ৯২১ জন ভারতীয় বাংলাদেশে এসেছিল, তাদের মধ্যে ৬৭ জন লোকের হিসাব মিলছে না। তারা কীভাবে বের হয়েছে, সেটা পাওয়া যাচ্ছে না। এ ৬৭ জনকে খুঁজে বের করার জন্য সরকারকে আমরা সুপারিশ করেছি। ভারত যে এই ঘটনায় জড়িত, সেটা সরকারকে বলেছি ভারতের কাছে জবাব চাইতে।
বিডিআর বিদ্রোহে গোয়েন্দা ব্যর্থতা পাওয়া গেছে কি না— জানতে চাইলে তিনি বলেন, গোয়েন্দা ব্যর্থতার প্রমাণ ছিল। কীভাবে গোয়েন্দা কার্যক্রম শক্তিশালী করা যায়, এটার বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছি। আমরা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছি। বিভিন্নভাবে সে বিষয়গুলো তুলে ধরেছি।
ঘটনার সময় পিলখানায় হত্যাকারীদের অনেকে হিন্দি ভাষায় কথা বলছিল, এমন বক্তব্য বিভিন্ন সময়ে ভিডিওতে স্বজনরা দিয়েছেন, এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমরা এমন তথ্য পেয়েছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্তে একাধিক সাক্ষ্যে দেখা যায়— বিদ্রোহে শুধু বিডিআর সদস্য নয়, বাইরে থেকেও মানুষ অংশ নেয়। এদের মধ্যে অনেকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্য ছিল বলেও সাক্ষ্যে উঠে এসেছে। ২০-২৫ জনের দল বিদ্রোহস্থলে ঢুকে পড়ে ২০০ জনের একটি মিছিলে বের হয়ে যায়।