• ২রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৪ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ফ্যাসিস্ট পালালেও ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া দেশ থেকে হারিয়ে যায়নি , জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে পূর্ণ একমত আট দল

Usbnews.
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৬, ২০২৫
ফ্যাসিস্ট পালালেও ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া দেশ থেকে হারিয়ে যায়নি ,  জুলাই অভ্যুত্থানের   আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে পূর্ণ একমত আট দল
নিউজটি শেয়ার করুনঃ
সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো :  আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “বিশ্বের সকল শান্তিকামী দেশকে আমরা সম্মান জানাই। কিন্তু কেউ যেন আমাদের উপর দাদাগিরি করতে না আসে। আমরা আর কারো দাদাগিরি দেখতেও চাই না, বরদাস্ত করতেও রাজি না। বাংলাদেশ চলবে আল্লাহ তাআলার নির্দেশ মোতাবেক-এই দেশের জনগণের পছন্দে। এর বাইরে আর কারো পছন্দ-অপছন্দের কথা শুনতে চাই না। যারা অন্যদের তল্পিবাহক হবেন তাদেরকে বলব- আগে যারা তাঁবেদারি করেছে, তাদের থেকে মেহেরবাণী করে একটু শিক্ষা গ্রহণ করুন।
তিনি শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে ইসলামী ও সমমনা ৮ দলের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। মূল সমাবেশ বেলা ২টা থেকে শুরু হলেও বেলা ১১টা থেকেই শুরু হয় আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ মুখী জনস্রোত। বেলা ১টার আগেই মাঠ লোকে লোকারণ্য হয়ে আশপাশের এলাকা জনস্রোত ছড়িয়ে পড়ে। ৮ দলের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ দলের প্রতীক সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্লেকার্ড হাতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করেন গোটা এলাকা।
প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ- বিপুল জনসম্পদ পরিপূর্ণ। আফসোসের বিষয়- স্বাধীনতার বিগত ৫৪টি বছর চলে গেছে; কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর লুটপাটের কারণে বাংলাদেশের মানুষ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। অপকর্মের দায় নিয়ে ফ্যাসিস্টরা পালিয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিজমের কালো ছায়া দেশ থেকে যায়নি।
সিলেটে ৮ দলের সমাবেশে জামায়াত আমিরসহ নেতৃবৃন্দ
তিনি একটি দলের উদ্দেশে বলেন, একদল যে অপকর্ম করে চলে গিয়েছে, আরেকদল সেই অপকর্মের দায় নিয়েছে। একদল চাঁদাবাজির কারণে জনগণের ঘৃণা কুড়িয়েছে, আরেকদল আবার তার চেয়ে বেশি শক্তি দিয়ে চাঁদাবাজিতে নেমে পড়েছে। একদলের দখলবাণিজ্যের কারণে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে, আরেকদল বেপরোয়া দখলবাণিজ্য হয়ে উঠেছে। একদল জনগণের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে- আলেম ওলামা ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছে, ফাঁসি দিয়েছে, নির্যাতন করেছে, পঙ্গু করেছে, দেশ ছাড়া করেছে; আরেকদল একই পথ ধরেছে- এমনকি তারা নিজেরা নিজেদের শেষ করে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশবাসী আশা করেছিল, রাজনীতিবিদরা অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলবেন। কিন্তু আমরা দুঃখের সাথে দেখতে পাচ্ছি, একদল সেই পুরাতন ধারায় পড়ে আছে। তারা কোনো সংস্কারে রাজি না, সনদ বাস্তবায়নে রাজি না। তারা গণভোটেও প্রথমে রাজি ছিল না। এখন আবার ক্ষীণ স্বরে শুনতে পাচ্ছি- যারা নির্বাচন নির্বাচন করে জনগণকে বেহুঁশ করে তুলেছিল, এখন তারা ভিন্ন সুরে কথা বলতে শুরু করেছেন। আমি তাদেরকে বলব-এ লক্ষণ ভালো নয়। তারা বুঝতে পেরেছেন যে, তারা যে অপকর্ম পরিচালনা করছেন, তাতে দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনে তাদেরকে লাল কার্ড দেখানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে।
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ‘সেকুলারপন্থী ও দেশবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করে দেশে ইসলামপন্থীদের বিজয়ী করতে হবে। ইসলামের পথে শান্তির পথে দেশকে পরিচালিত করতে হবে। এ দেশে শরিয়াহবিরোধী শক্তিকে নির্মূল করতে হবে। আগামী নির্বাচনে ৮ দলকে ভোট দিয়ে আধিপত্যবাদী ও দেশ বিরোধীদের পরাজিত করতে হবে। গণভোট হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে। জনগণ জেগে উঠেছে, আগামী নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের বিজয়ী করবে। দালাল ও আধিপত্যবাদী শক্তিকে জনগণ আর গ্রহণ করতে চায় না। ২৪-এর বিপ্লবকে বৃথা যেতে দেয়া হবে না।’ দেশে নতুন ফ্যাসিবাদ গজিয়ে উঠার ষড়যন্ত্র চলছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে মুছে দেয়ার আয়োজন চলছে। ২৪ এর বিপ্লবকে মুছে দিতে দেয়া যাবেনা। সব আলেম উলামাকে দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নব্য ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে।
ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, তবে আমরা চাইব, জাতীয় নির্বাচনের সময় গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন হবে। আমরা আরও দেখেছি স্বাধীনতার ৫৪ বছরে এই দেশের শাসকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের পরিবর্তন হয়নি। এবারের নির্বাচনে ডিসি এসপিদের থেকে কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ আমরা দেখতে চাই না।
কারো দাদাগিরি দেখতেও চাই না, বরদাস্ত করতেও রাজি না: ডা. শফিকুর রহমান

 জামায়াত আমির বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়ে তারা অমুক দেশ তমুক দেশের ভয় দেখান। আমরা একমাত্র আল্লাহকে ভয় করি। আমরা আর কাউকে পাত্তা দেই না। তারা কেউ রক্তচক্ষুর ভয় করে না। যারা দাদাদের তাঁবেদারি করেছে, তাদের কাছ থেকে শিখুন। তারা এই অখাদ্য ফেলতেও পারছে না, গিলতেও পারছে না। জনতার কাছে আসুন, না হয় জনগণ আপনাদের ছাড়বে না। আগামী নির্বাচনে লাল কার্ড দেখাবে।’

তিনি সিলেটবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা অতীতেও জালিমদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ বিরোধী আন্দোলনে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে এসেছেন। সিলেটবাসী কারো রক্তচক্ষুকে ভয় করে না। আগামী নির্বাচনে ইসলামের পক্ষে বিজয় ছিনিয়ে আনবে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘বাংলাদেশ বিপুল সম্পদে ভরপুর। তবুও ৫৪ বছরেও এ জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। বর্গিরা পালিয়ে গিয়েও সম্পদ পাচার করেছে। কিন্তু চাঁদাবাজ একদল পালিয়ে চলে গেছে, আরেক দল চাঁদাবাজির দায়িত্ব নিয়েছে, নিজেরা নিজেরা মারামারি করছে। নিজেরা নিজেদের কাছে নিরাপদ নয়, তাদের কাছে দেশ কিভাবে নিরাপদ হবে।’

তিনি বলেন, কেউ যদি আবার চিন্তা করেন- জনগণের সমর্থন পাব না, তাই বাঁকা পথে প্রশাসনিক ক্যুর মাধ্যমে নির্বাচনের ক্রেডিট হাইজ্যাক করব-আমরা তাদেরকে বলব- বন্ধু, সে সূর্য ডুবে গেছে, এই সূর্য আর বাংলাদেশে উঠবে না। এই সূর্য আর বাংলাদেশের কালো মুখ দেখবে না। এখন নতুন সূর্যের উদয় হবে; সেই সূর্য কুরআন বুকে নিয়ে উদিত হবে ইনশাআল্লাহ। আর বাংলাদেশ থেকে অপশাসন দূর হবে।
তিনি বলেন, জেলে, মুটে, মাঝি, শ্রমিক, ছাত্রজনতা-এই বাংলাদেশ হবে তাদের বাংলাদেশ। লুটেরাদের হাত থেকে দেশকে উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হবে দেশপ্রেমিক জনগণের হাতে। আমাদের যুব সমাজ যেই আকাক্সক্ষা নিয়ে রক্ত দিয়েছে তাদের আকাক্সক্ষার সাথে ৮ দল সম্পূর্ণ একমত। এই যুবসমাজের বিরুদ্ধে যারা দাঁড়াবে জনগণ তাদেরকে আর ক্ষমা করবে না।
তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলেন, আমাদের ৮ দলের বাইরে আরও কয়েকটি ইসলামী দল বাইরে ঘুরাফেরা করছেন; আমি তাদেরকে বলব-সকল মোহের জাল ছিন্ন করে আপনারা আপনাদের আঙ্গিনায় ফিরে আসুন। এখন আপনারা যেখানে ঘুরাফেরা করছেন, সেটা আপনাদের আঙ্গিনা নয়।
তিনি এব্যাপারে আরও বলেন, যাদের শীর্ষ নেতারা বলেন, আমরা শরীয়া আইনে বিশ্বাস করি না, যারা মুসলমানদের মৌলবাদী, জঙ্গিবাদী বলে- তাদের সাথে আপনাদের মানায় না। আপনাদের মানায় আমাদের সাথে; আসুন, আমরা আপনাদের বুকে জড়িয়ে কবুল করব ইনশাআল্লাহ। আপনাদের অভিনন্দন জানাব, সম্মান দিব, ভালোবাসব। আপনারা কেন চাঁদাবাজদের অংশীদার হবেন, দখলদারদের সমর্থক হবেন? আপনারা মেহেরবাণী করে এই অপবাদ নিজেদের গলায় তুলে নিবেন না। আমরা আপনাদের ভাই, আপনারাও আমাদের ভাই।
তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশের দিকে খোলা চোখে তাকান- সকল ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ইস্পাত কঠিন ঐক্য ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে। এই ঐক্য ইনশাআল্লাহ আগামী বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। আজকে রাস্তা-ঘাটে, হাটে-বাজারে, বন্দরে সকল জায়গার মুক্তিপাগল মানুষ জানান দিচ্ছে- আগামীতে তারা কোথায় ভোট দিবে। তারা এখন আর কারো রক্ত চক্ষুকে পরোয়া করছে না। কেউ কেউ আমাদেরকে অন্যদের শক্তির ভয় দেখান- ওমক শক্তি, তমুক শক্তি, ওমুক দেশ, তমুক দেশ- তাদের পরিষ্কার করে বলতে চাই, ইসলামী ও দেশপ্রেমিক নেতাকর্মীরা হাসিমুখে যেখানে ফাঁসি বরণ করে- মেহেরবাণী করে তাদেরকে কোনো কিছুর ভয় দেখাবেন না। আমরা ভয় করি শুধু আল্লাহ তাআলাকে। বাকী যাদের কথা বলেন, আমরা তাদের কোনো পাত্তায়ই দেই না।
অন্য একটি দেশের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা গিয়ে আপনাদের পেটে আশ্রয় নিয়েছে-এটা অখাদ্য, গিলতেও পারছেন না, আবার ফেলতেও পারছেন না। বিএনপির উদ্দেশে বলেন, আপনারা যাবেন কোথায়? আপনারা এই দেশে থাকেন। এই দেশের মানুষের আকাক্সক্ষাকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেন।
তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশে বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করুন। দখলবাজি যারা করছেন, দখলবাজি বন্ধ করুন। যদি তা না করেন, তাহলে আমরা আপনাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিচ্ছি- এটা অচিরেই বাংলাদেশে বন্ধ হবে। তখল কিন্তু কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। সেই পরিণতি ভোগ করার আগে মেহেরবাণী করে সকল অপকর্ম ছেড়ে দিন। জনতার কাতারে আসুন। মানুষকে আর কষ্ট দিবেন না।
তিনি সিলেটবাসীদের সম্বোধন করে বলেন, বরাবর আপনারা অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। আপনারা ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ যখন চরম তাণ্ডব দেশবাসীর উপর চালিয়েছিল, তখন এই সিলেটবাসী আপনারা তাদেরকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় আওয়ামী লীগ সেদিন প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল। এ থেকে প্রমাণিত হয়, অন্যায় ও অসত্যের যারা অনুসারী তাদেরকে আপনারা বরদাস্ত করেন নাই।
আগামীতে ন্যায়ের পক্ষে, জনআকাক্সক্ষার পক্ষে, কুরআনের পক্ষে আপনাদের অবস্থান হবে সুদৃঢ়। আমরা সেই সুদৃঢ় অবস্থান কামনা করে আপনাদের এখান থেকে বিজয়ের স্লোগান শুরু হোক- সেই আহ্বান জানিয়ে আপাতত আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি।”

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘ভারতের কাছে মাথা বিক্রি করে ৫৪ বছরের পঁচা বস্তা মতবাদ নিয়ে ওরা আবার দেশ শাসন করতে চায়। বাংলাদেশের জনগণ তা চায় না। বাংলাদেশে আর দুর্নীতি চলবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ৮ দল কাজ করছে। সাম্য ও ন্যায়ের বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ৮ দলের সংগ্রাম চলবে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনূস আহমেদ বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরেও দেশে চুরি, চাঁদাবাজি কমেনি। এক জালিমের বিদায় হয়েছে, নতুন জালিম ও চাঁদাবাজদের আগমন ঘটেছে। তাই এ থেকে মুক্তিতে প্রয়োজন ভালো নীতি ও সৎ লোকের শাসন। একমাত্র ইসলামপন্থীরাই দেশের মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারবে। তাই আগামী নির্বাচনে ইসলামপন্থী ৮ দলকে বিজয়ী করতে হবে।’

বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব যে গণআকাঙ্ক্ষা নিয়ে হয়েছে, প্রশাসনকে সেই পালস বুঝতে হবে। প্রশাসনকে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। জুলাই বিপ্লবের দাবি, জুলাই চেতনা ধারণ করে মানবিক বাংলাদেশ গঠন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম গণভোট হয়েছে এই সিলেটে। এই সিলেটই ’৪৭ সালের গণভোটে বিজয়ী হয়েছে, সুতরাং এই সিলেটবাসী এবারো গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেবে। আর এর মাধ্যমে ন্যায় ও সাম্যের বাংলাদেশ গঠন হবে।’

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আজকে সিলেটের সমাবেশের মধ্য দিয়ে, ৮ দলের সমাবেশ সমাপ্ত হয়েছে। জালিমরা যদি মনে করে, ৮ দলের সমাবেশ শেষ, তাহলে ভুল করবে। ৮ দল দেশের স্বার্থে জেগে উঠবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীম  বলেন, আজকে বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪ বছর ধরে যারা আমাদেরকে জিম্মি করে রেখেছিল, তাদেরও চরিত্র আমরা দেখেছি যে, তারা নিজেদের কাছে নিজেরা নিরাপদ নয়, আজকে তারা নিজেরা নিজেদের খেয়ে ফেলছে। আমার দুঃখ হয়, আজকে এত গুম হল, এত খুন হলো, লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী যুগ যুগ পর্যন্ত তাদের জীবনকে বিপন্ন করল জেলের মধ্যে। আমাদের দাবি ছিল, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের খুনিদের বিচার হবে, লক্ষ কোটি টাকা পাচারকারীদের বিচার হবে। এরপরে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হবে। কিন্তু আমরা দেখে হতবাক, আজকে সংস্কারে বাঁধা, দৃশ্যমান বিচারে বাঁধা। কিছু দিন আগেও যারা নির্বাচনের জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিল, আজকে যখন তারা দেখেছে বাংলাদেশের জনগণ ফ্যাসিস্ট এবং জালেম-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অবস্থান করছে; এখন ওরা পাগল হয়ে গেছে আজকে নির্বাচনকে আবার পেছানোর জন্য। কিন্তু আমরা পরিষ্কার বলব- রাশি যখন বামে ঘুরে, তখন যত পরিকল্পনা সব বামেই যায়। আপনারা যত শয়তানি পরিকল্পনা করবেন, ততই আপনারা বাংলাদেশের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হবেন তাতে কোনো সন্দেহ নাই।
তিনি বলেন, ৫৩ বছর আমাদেরকে যারা জিম্মি করে রেখেছিল, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে ৫ আগস্ট স্বাধীনতা দান করেছেন। এই স্বাধীনতার ফসল যারা আমরা দেশপ্রেমিক রয়েছি, যারা আমরা জনতাপ্রেমী রয়েছি, যদি আমরা ভুল করে থাকি, যদি আমরা ব্যর্থ হই, যখন ইতিহাস আমাদের প্রজন্ম লিখবে, তখন কলঙ্কজনক ইতিহাস আমাদের জন্য লিখবে। এই জন্য আমি সকলকে উদাত্ত আহবান জানাব, আসেন আমরা যারা দেশপ্রেমিক রয়েছি, ক্ষমতাপ্রেমিকদেরকে, চাঁদাবাজদেরকে আমাদের দেশের টাকা যারা বিদেশে পাচার করে, তাদেরকে আমরা ‘না’ বলার মাধ্যমে আমরা বাংলার জমিন থেকে চিরতরে উৎখাত করে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার পরিবেশ তৈরি করি।
চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামপ্রেমিরা মাঠে নেমেছে। আমরা কোনো ভুল করতে চাই না। দেশের মানুষ ইসলামপন্থী ও দেশ প্রেমিকদের ক্ষমতায় দেখতে চায়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খ মাওলানা মামনুল হক বলেন, দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করতে গিয়ে, বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তির দোসরদের হাতে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ নিপীড়িত হয়েছেন, কারানির্যাতিত হয়েছেন, ফাঁসির কাষ্ঠা বরণ করেছেন, জেলজুলুমের শিকার হয়েছেন, রক্ত দিয়েছেন, জীবন দিয়েছেন। তবুও অন্যায়ের সামনে, জুলুমের সামনে মাথানত করে নাই। তাই, আজ যখন জুলাই বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তি বিতাড়িত হয়েছে, বাংলাদেশ বিরোধী বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তির দোসররা আবার বাংলাদেশে নতুন আরেক শক্তির ঘাড়ে সওয়ার হওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, জীবন দিয়ে জুলাই যোদ্ধারা বাংলার মাটি থেকে যেই ফ্যাসিবাদ এবং বিদেশী কায়েমি শক্তিকে উৎখাত করেছে, বাংলার মাটিতে নতুন কোনো ফ্যাসিবাদীকে জায়গা করতে দিবে না, ইনশাআল্লাহ।“ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ” বন্ধ না হলে ৬৪ জেলায় একযোগে আন্দোলন ও সমাবেশ করা হবে।
তিনি বলেন, আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, ২০২৬ সালের যে নির্বাচন, এটি শুধু প্রতীকের নির্বাচন নয়, এটি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক গণভোটের নির্বাচন। তাই ৮ দলের নেতাকর্মীরা প্রতি ঘরে ঘরে, প্রতি জনে জনে নিজেদের দলীয় প্রতীকের পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কে বিজয়ী করতেও কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে আজ বাংলাদেশ আজ দুই শিবিরে বিভক্ত হয়েছে। একটি পক্ষ যে কোনো বাহানায় জুলাই সনদকে এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে চায়। তারা চিন্তা করে বিগত সময়ে, বছরের পর বছর, একদল শাসন করেছে, আগামীতেও কোনো দল বছরের পর বছর একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের মধ্যে দিয়ে বাংলার সম্পদ লুটপাট করবে, মানুষের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করবে। আমরা বার্তা দিতে চাই, জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা ‘না’ বাক্সে ভোট দেওয়ার জন্য ক্যাম্পেইন করবে, বাংলার মানুষ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে, প্রত্যাখ্যান করবে। ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, একটি দল ইসলামী দলের সাথে সব সময় প্রতারণা করে আসছে। তারা শরিয়া আইনে বিশ্বাস করেনা। এদের সাথে ইসলামী দলের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। আগামীতে ইসলামী ও সমমনা ৮ দলের প্রার্থীদের বিজয়ী করে তাদের শিক্ষা দিতে হবে।
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) সভাপতি এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, দেশের সবগুলো বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের স্বাধীনতার সুফলকে জাতির ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। ঈশ্বরদিতে কুকুর ছানা হত্যা নির্মম, এটার নিন্দা আমরাও জানাই। কিন্তু এটাকে নিয়ে মিডিয়ার অতি কথন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অথচ সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা নিয়ে মিডিয়ার নিরব থাকা ঠিক নয়। আমরা স্বাধীন নিরপেক্ষ মিডিয়া চাই। বাংলাদেশ রুখে দাঁড়িয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অর্জন নিয়ে কোন ষড়যন্ত্র চলবেনা। প্রয়োজনে আবার জুলাই বিপ্লবের ডাক দেয়া হবে।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, আজকে বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ কর্মসূচি শেষ হয়েছে। নতুন করে জেগে উঠা জালিমরা যদি মনে করে ৮ দলের কর্মসূচি শেষ, তবে তাদেরকে বলে দিতে চাই- দেশে নতুন করে আর কোন ফ্যাসিবাদ তৈরী হতে দেয়া যাবেনা। ৮ দলের কর্মসূচি চলছে চলবে। জাতি ১৫ আগস্টে ফ্যাসিস্ট মুজিবের পতন, ৬ আগস্ট স্বৈরাচার এরশাদের পতন ও সর্বশেষ ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন দেখেছে। আবার যদি কেউ ফ্যাসিস্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তাদের জন্যও সামনে এই পতন অপেক্ষা করছে। বিজয়ের পদ যাত্রা শুরু, মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী বলেন, ইসলামকে বিজয়ী করতে ৮ দলের জোট হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা বাকী সব ইসলামী দলও আমাদের সাথে আসবে।আমরা নৈতিকতার চর্চা করতে চাই। নৈতিকতার মাধ্যমে মানুষের মাঝে পরিবর্তন আনতে চাই। এজন্য দেশের ১৮ কোটি মানুষের হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। আমরা মনে করি শুধু আইন করে কাউকে বদলানো যায় না।
নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মজিদ আতাহারি বলেন, নারায়ে তাকবির হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা। এই চেতনাকে ভুলুন্টিত হতে হবে দেয়া হবেনা। প্রতীকের ভোটে ৮ দলের প্রার্থীকে এবং গণভোটে জুলাই সনদকে বিজয়ী করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ প্রফেসর মাওলানা ইউনুছ আহমদ বলেন, অতীতে সরকার পরিবর্তন হলেও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় নাই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও দেশে চুরি, ডাকাতি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। এক জালিমের পরিবর্তন হলেও আরেক জালিমের আবির্ভাব হয়েছে। এথেকে জাতিকে মুক্ত করতে নেতা ও নীতির দরকার। আগামী নির্বাচনে ৮ দলের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম বলেন, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ৮ দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। আমরা রক্ত দিবো, জীবন দিবো, শহীদ হবো, তবু থামবোনা। এই দেশে চাঁদাবাজি ও দখলবাজি চলতে দেয়া হবেনা।
খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদের সভাপতিত্বে ইসলামী ও সমমনা ৮ দল সিলেট জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খ মাওলানা মামনুল হক, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী ও মহাসচিব অধ্যক্ষ প্রফেসর মাওলানা মুহাম্মাদ ইউনুছ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মজিদ আতাহারি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি-বিডিপির সভাপতি এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ মুহিউদ্দিন মোঃ নাকিব।
মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি ডা: রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নাসির উদ্দিন, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন ও বাংলাদেশ ডেভোলাপমেন্ট পার্টি-বিডিপির সিলেট মহানগর সভাপতি কবির আহমদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ তৌহিদুজ্জামান, আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ খান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল আজিজ, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উলামা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আলী হাসান উসামা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উলামা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রেজাউল করিম আবরার, নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা এহতেশামুল হক সাকি, সিলেট অঞ্চল জামায়াতের টীম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা সাঈদ আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ ইকবাল হোসাইন ও খেলাফত মজলিসের সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নেহাল আহমদ প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ বলেন, ভোট দিলেই দায়িত্ব শেষ হবেনা। ভোট রক্ষা করতে হবে। আমাদের বিশ্বাস দেশের সকল ইসলামী এবং দেশপ্রেমিক দলও আমাদের সাথে যোগ দিবে। আমরা অনেক দল ও জোট দেখেছি। এবার ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে জোট করেছি। জুলাই শহীদের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণে ৮ দলের যুগপৎ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।