নিধারিত ৯০ মিনিট শেষ হলে রেফারি যোগ করেন ৬ মিনিট। এই সময়টায় ভারত মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশ রক্ষণে ছিলেন ঢালাওভাবে সংগঠিত।অবশেষে ম্যাচশেষে চূড়ান্ত বাঁশি ওখন বাজে তখন স্কোরলাইন বাংলাদেশ ১–০ ভারত।
যদিও গোলটা করেছেন মোরছালিন, পুরো ম্যাচে সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন হামজা। অসংখ্য ক্লিয়ারেন্স, ট্যাকল এবং রক্ষণে ঠাণ্ডা মাথার সিদ্ধান্ত—বাংলাদেশের এ জয়ের পেছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
ম্যাচের ১১ মিনিটে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে শেখ মোরছালিন গোল করেন। রাকিবের বাঁ পাশ থেকে করা পাসকে গোলকিপারের সামনে থেকে স্পর্শ করে জালে পাঠান তিনি, যা বাংলাদেশের জন্য মূল্যবান ১-০ লিড এনে দেয়।
২৭ মিনিটে চোটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তারিক কাজী। তার জায়গায় নামেন শাকিল আহাদ তপু। এই সময়ে গোলকিপার মিতুল মারমার ভুলে বাংলাদেশ প্রায় গোল হজম করেছিল, কিন্তু হামজা চৌধুরী ক্রস হেড করে বল ক্লিয়ার করে দলের হয়ে দারুণ ত্রাণ দেখান।
ম্যাচের ৩৪ মিনিটে তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি পর্যন্ত চলে যায়। রেফারি উভয় খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান।