বোমা হামলার ৪৯ বছর পর আসামির সন্ধান পেল জাপানের পুলিশ। দীর্ঘদিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দেয়ার পর সম্প্রতি টোকিওয়ের হাসপাতালে আসা এক রোগী এ কথা স্বীকার করেছেন। তার দাবি অনুসারে, তিনিই সত্তরের দশকে কয়েকটি বোমা হামলায় অভিযুক্ত কিরিশিমা। পুলিশ তার ডিএনএ ফলাফলের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন। কিরিশিমা সম্প্রতি হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। কিরিশিমা ছিলেন ইস্ট এশিয়া অ্যান্টি-জাপান আর্মড ফ্রন্টের সদস্য, যা একটি কট্টর ও বামপন্থী সংগঠন।

১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে জাপানের রাজধানীতে বেশ কিছু কোম্পানির কার্যালয়ে বোমা হামলা চালায় গোষ্ঠীটি। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল ১৯৭৪ সালে মিতসুবিশির প্রধান কার্যালয়ে বোমা হামলায় আট ব্যক্তির নিহত হওয়া। জাপানের ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির দাবি, কিরিশিমা দেশের আইন লঙ্ঘন করেছে। বোমা বহন, সিরিয়াল বোম্বিংয়ের পরিকল্পনা এবং কয়েকটা জায়গায় ধ্বংসাত্মক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। বিশেষ করে ১৮ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে টোকিওয়ের গিনজা প্রদেশের বোমা বিস্ফোরণের পেছনে তার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল। কিরিশিমার বয়স এখন ৭০ বছর। টোকিওয়ের কামাকুরা সিটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় তিনি ভিন্ন নাম ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি নিজের সত্যিকার পরিচয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেছেন, ‘জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নিজের সত্যিকার পরিচয় জানাতে চান। আর মাত্র কয়েক মাস বাকি আছে।’ তবে পুলিশ এখন তার ডিএনএর ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছেন।