আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে নির্বাচনী সহিংসতার খবর শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায়, গতকাল বুধবার শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় নিহত হয়েছেন।
ঘটনার প্রেক্ষিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং বিগত কয়েকদিন ধরে ১১ দলীয় প্রার্থীদের ওপর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের হামলার ধারাবাহিক পরিণতি। তিনি স্পষ্ট করেছেন, “এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে এগারো দলের জোয়ার বন্ধ করা যাবে না।”
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপির সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর বহুল কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় এই হত্যাকাণ্ড বিএনপির নব্য ফ্যাসিস্ট চরিত্রকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে। হামলা করে প্রতিপক্ষকে দমন করার এমন হীন প্রচেষ্টা শুধুমাত্র ফ্যাসিস্ট লীগের চরিত্রকেই তুলে ধরে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে এরকম বর্বর হত্যাকাণ্ড দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য অশনিসংকেত।
নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন যদি অবিলম্বে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণ এই অরাজকতাকারীদের প্রতিরোধ করতে বাধ্য হবে।