মিয়ানমারের সামরিক জান্তা মিন অং হ্লাইং ও জেনারেলদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে। তাই তিনি বা তারা আজ সোমবার লাওসে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মিটিংয়ে যোগ দিতে পারেননি। পরিবর্তে একজন উচ্চ পদস্থ অরাজনৈতিক কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক বলেছেন, মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন জেনারেলদের বিরুদ্ধে আসিয়ানের মিটিংয়ে যোগ দেয়ায় নিষেধাজ্ঞা আছে। কারণ, তারা ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর আসিয়ানের পক্ষ থেকে দুই মাসের জন্য যে শান্তি পরিকল্পনা দেয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।
আসিয়ানের এই সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানানোরও রীতি আছে। কিন্তু তাও গত দুই বছর ধরে প্রত্যাখ্যান করেছে সামরিক জান্তা। তাদের ক্ষোভ, এর মধ্য দিয়ে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে আসিয়ান।
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সোমবারের মিটিংয়ে যোগ দিতে লাওস পৌঁছেছেন মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী পররাষ্ট্র সচিব মালার থান হতিকে। অন্য দুটি কূটনৈতিক সূত্র থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।রেতনো বলেন, আসিয়ানের নীতিতে কোনো পরিবর্তন নেই। আসিয়ানের সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো প্রভাব ফেলবে না মিয়ানমার।