• ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাজনৌতিক দলগুলো

Usbnews.
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে  প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাজনৌতিক দলগুলো
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৌতিক দল ও ছাত্র সংগঠন।

এর আগে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না।

শুধু দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার, সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ এপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ফোন রাখতে পারবেন।

এর আগে নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও বাহিনী মোতায়েন কার্যক্রম নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বরাতে শনিবার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশের জন্য ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে। বৈঠকে এসব ক্যামেরার কার্যক্রমের একটি সরাসরি প্রদর্শনীও দেখানো হয়।

‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’ পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অ্যাপটি কেবল নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করবেন।

কোনো ভোটকেন্দ্র বা আশপাশে সহিংসতা বা গোলযোগ হলে অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত সংশ্লিষ্ট বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে বার্তা পৌঁছে যাবে। এতে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

অন্যায্য সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে নির্বাচন কমিশনকে বাধ্য করা হবে: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। আজ ৯ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতি প্রদান করে তিনি এ আহবান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। আমরা মনে করি, এই সিদ্ধান্ত ভোটারদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের ওপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ আরোপের শামিল।

এমতাবস্থায় আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই অন্যায্য সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আমরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করে কমিশনের এই অন্যায্য সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য করবো ইনশাআল্লাহ।”

 

ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে খেলাফত মজলিস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।

দলটি বলছে, নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করতে পারে এবং ভোটারদের অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ভোটারদের মোবাইল ফোন না রাখার নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে নাগরিক সাংবাদিকতা ব্যাহত হবে এবং ভোটের দিন দুষ্কৃতিকারীদের অনিয়ম করা আরও সহজ হয়ে উঠতে পারে। ভোটাররা অনিয়মের অভিযোগ করলেও তার পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

তারা আরও বলেন, মোবাইল ফোন ছাড়া দূরবর্তী এলাকার ভোটাররা বাসা থেকে বের হতে শঙ্কাবোধ করতে পারেন কিংবা অনেকে বেরই হবেন না। এতে ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এছাড়া যারা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন, তাদেরও বাইরে পরিচিত বা অপরিচিত কারও কাছে মোবাইল জমা রেখে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে অস্বস্তি হতে পারে।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ইন্টারনেট শাটডাউনের নতুন রূপের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে খেলাফত মজলিস নির্বাচন কমিশনের প্রতি এ নির্দেশনা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার প্রয়োজন হলে কেবল ভোটকক্ষ বা গোপন বুথে প্রবেশের আগে পোলিং কর্মকর্তার কাছে মোবাইল জমা রাখার বিধান করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। ভোটগ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে যা বললেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির  সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে  সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘এই নির্দেশনা দুরভিসন্ধিমূলক। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অসৎ উদ্দেশ্য ছাড়া এর পেছনে আর কী কারণ থাকতে পারে, তা আমরা বুঝতে পারি না। নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত আমাদের বিস্মিত করেছে। এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই বাতিল করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধ করার চিন্তা থাকলেই তথ্যের প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করার অপচেষ্টা দেখা যায়। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তথ্যের প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল। তখন মানুষের হাতে মোবাইল থাকায় অপরাধের রেকর্ড রাখা সম্ভব হয়েছে। নির্বাচন কমিশন মোবাইল নিষিদ্ধ করে রেকর্ড রাখার রাস্তা বন্ধ করতে চাইছে। কোন উদ্দেশ্যে এটা করা হচ্ছে, তা জাতি জানতে চায়।’

ইসির প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘ইসির এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং ইসির প্রতি অনাস্থার বীজ প্রস্ফুটিত হচ্ছে। আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান করব, অবিলম্বে এই নির্দেশনা বাতিল করুন। মানুষের মনে কোনো সন্দেহ তৈরি করবেন না। একই সাথে আপনাদেরকে সতর্ক করে দিচ্ছি, ১২ তারিখ কোনধরনের কারসাজি করার সাহস করবেন না। জনতাকে স্বাধীনভাবে ভোট প্রদান করতে দিন। ভোটের ফলাফল যথাযথভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করুন। কোনো র ছলচাতুরী বা কারসাজি করার অপচেষ্টা করলে চব্বিশের কথা মনে রাখার আহ্বান করব।’

ভোট কেন্দ্রে নারী কর্মকর্তা রাখার আহ্বান জানিয়ে  সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম  আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বহু মহিলা শরিয়াহর নির্দেশনা মান্য করে নেকাব করেন। ভোট কেন্দ্রে তাদের মুখ দেখানোর প্রয়োজন হলে অবশ্যই সেখানে নারী কর্মকর্তা রাখতে হবে। কোনো পুরুষের সামনে পর্দানশীন নারীকে নেকাব খুলতে বাধ্য করা যাবে না।’

 

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে হাসনাতের প্রতিক্রিয়া

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড আইডির এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও এলাউড না। এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

তিনি লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।

তিনি আরও লিখেছেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দিবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে। হয়তো এসব জালিয়াতির ভিডিও কেউ করতে না পারে সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটা সুস্পষ্টভাবে ভোট চুরির সুযোগ করে দেওয়া। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি ডাকসু ভিপির

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

তিনি এই সিদ্ধান্তকে নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকারের পরিপন্থি উল্লেখ করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ মানে সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এতে কোনো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজম কার্যকর হবে না। ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য বা ফুটেজ থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং ফ্রি, ফেয়ার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে। আমরা স্পষ্টভাবে দাবি করছি, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।