সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান : সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সিলেট সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-১ আসনে স্বাধীনতার পর থেকেই যে প্রার্থী বিজয়ী হন, সেই দল সরকার গঠন করে-এমন মিথ প্রচলিত। এবারও এর ব্যত্যয় হয়নি, এ আসনের বিজয়ী এমপি খন্দকার মুক্তাদিরের দল সরকার গঠন করেছে। আসনটির আরেকটি বিশেষত্ব হলো-এ আসনের নির্বাচিত এমপি পরবর্তীতে মন্ত্রীও হন।তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৪ আসনে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য পদে লড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল -১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিলেট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৭১৩৯১ ভোট। দলের নেতা-কর্মীরা জানান, আরিফুল হক চৌধুরী এবার সিলেট-১ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন।
দলের পক্ষ থেকে তাকে সিলেট-৪ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়। প্রথমবারের মতো এ আসনের প্রার্থী হয়ে ফলাফলে বাজিমাত করেন তিনি মন্ত্রী।