২০২৪ সালের জুলাই মাসে তরুণ ছাত্রসমাজের দাবানল জ্বলে ওঠে, যা ৫ আগস্ট পরিণতি পায়। এই জন্যই দেশের ক্যালেন্ডারে ৩৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই আন্দোলনে শুধু ছাত্র নয়, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি জনতা, মা ও শিশু—সবাই অংশগ্রহণ করে। দুধের শিশু নিয়ে মা রাস্তায় নেমেছিলেন এবং চার বছরের শিশুও এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে।
সংসদে আলোচনায় সরকারি দল বললেন – জুলাই সনদ আদেশ অবৈধ, অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান এড়িয়ে উল্টো আরেকটি প্রস্তাব আনার অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। গতকাল বুধবার বিকেলে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ওয়াকআউটের ঘোষণা দিয়ে বিরোধী সদস্যদের নিয়ে সংসদকক্ষ থেকে বের হয়ে যান।
বাইরে গিয়ে জুলাই সনদ আদেশ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের দাবি আদায়ে ১১ দলের রাজপথে আন্দোলন করার কথা বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তবে উল্টো প্রস্তাব আনার কথা নাকচ করেছেন সরকারি দলের সদস্য সদস্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি এ নিয়ে বক্তব্য দেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারিকৃত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’-কে ‘সম্পূর্ণ বেআইনি ও অবৈধ’ বলে আখ্যায়িত করেছে সরকারি দল বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল ও জাতীয় প্রতারণা। এই আদেশের কোনো আইনি বৈধতা নেই এবং এটি সূচনা থেকেই অবৈধ।’
গণভোটের ব্যালট নিয়ে সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোটের ব্যালটে চারটি প্রশ্ন দিয়ে জনগণকে ‘হ্যাঁ’’ অথবা ‘না’ ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এটি তো কলার ভেতরে তিতা ওষুধ ঢুকিয়ে জোর করে খাওয়ানোর মতো অবস্থা। কোনো আইনকে আপনি জাতিকে এভাবে বাধ্য করে খাওয়াতে পারেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মৌলিক কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাখে না।
কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ বিধিতে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমানের আনা ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ (আদেশ নং ০১, ২০২৫) এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান প্রসঙ্গে জরুরি জনগুরুত্ব বিষয়ে আলোচনা’ শীর্ষক মুলতবি প্রস্তাবের ওপর গতকাল মঙ্গলবার সংসদে পূর্বনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন।
আরেকটি প্রশ্ন এখন ভাইরাল। জনগণের মুখে সোচ্চার। সেটা হলো , বেগম খালেদা জিয়া…তিনি বলেছিলেন, যেদিন জনতার সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, যেদিন এই পার্লামেন্ট জনতার কাছে যাবে, সেদিন এই সংবিধানকে ছুড়ে ফেলা হবে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৌতিক মহলের এক কয়েকদিনের বক্তব্যে যে হুঙ্কার শোনা যাচ্ছে সেটার সারমর্ম হচ্ছে , “১৭ অক্টোবর ২০২৫-এ অধিকাংশ দলের সম্মতিতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১৩ নভেম্বরের রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে দেশের ৬৮.৫৯ শতাংশ মানুষ এই সনদের পক্ষে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া মানেই জনগণের এই সরাসরি রায়কে অগ্রাহ্য করার লাইসেন্স পাওয়া নয়। ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাস্তবায়নে সরকারের এই গড়িমসি ও টালবাহানা মূলত জনগণের ম্যান্ডেটের সাথে স্পষ্ট বিশ্বাসঘাতকতা।”
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং গণভোট বাস্তবায়নের প্রশ্নে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রভাব ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকদের বক্তব্যে শোনা যায় – ছোট রায় বড় রায়কে গিলে খেতে চাচ্ছে। গণভোটের ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে মনে হয় তিনি যা বলবেন তাই আইন। চাতুরির রাজনীতি করছে বিএনপি। তারা জুলাই সনদকে অক্ষরে অক্ষরে মানবে বললেও কোনোক্ষেত্রে সেটি মানছেন না।
বৈঠকে আলোচকগণ বলেছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা এবং ৬৮.৫৯ শতাংশ মানুষের সরাসরি ম্যান্ডেটকে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নস্যাৎ করার অপচেষ্টা চলছে। ২৫টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ আজ খোদ স্বাক্ষরকারী দল বিএনপির হাতেই জিম্মি হয়ে পড়েছে। রাজপথের লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়কে আইনি মারপ্যাঁচে নস্যাৎ করার কোনো হীন চক্রান্ত এ দেশের ছাত্র-জনতা বরদাশত করবে না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সঠিকভাবে মানতে হলে জনগণের দেয়া গণভোটের রায়কেও মানতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে মন্তব্য করেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং গণভোট বাস্তবায়নের প্রশ্নে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রভাব ও সম্ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিশির মনির বলেন, বিএনপির ৩১ দফাতেই সংবিধান সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু সেখানে সংবিধান সংশোধনের কোনো উল্লেখ নেই। গণভোট নাকি সংবিধানে নেই—যা ঠিক নয়। জিয়াউর রহমানও সংবিধানে না থাকা অবস্থায় গণভোট করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে যেসব অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, বিএনপি তা চাইছে না, এজন্য কিছু অধ্যাদেশ বাদ দেওয়া হচ্ছে।
এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বিএনপির রাজনীতি হীনমন্যতায় ভরপুর। দলটি সনদ বাস্তবায়ন করবে না। আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যেই ফ্যাসিবাদ দেখিয়েছে, বিএনপি ১৭ দিনে তা অনুকরণ করছে। তারা এখনো বাহাত্তরের সংবিধান ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়।
তিনি আরও যোগ করেন, বিএনপি আর এক্সক্লুসিভ রাজনীতি করতে পারছে না। আওয়ামী লীগ ও মাইনরিটিদের ভোটে সরকার গঠিত হয়েছে। ৫৫ বছর পর দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় দেখতে চাইলে প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে এবং অন্য সমস্যা সমাধানের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
আমাদের সন্তানেরা জুলাই বিপ্লব করেছে কি ফ্যামিলি কার্ডের জন্য, প্রশ্ন ড. মাসুদের। জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, দেশের ৭০ ভাগ মানুষ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর ৫১ ভাগ ফ্যামিলি কার্ডের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অথচ রাষ্ট্র সংস্কার বাস্তবায়ন নিয়ে কাজ করছে না সরকার।নির্বাচনে ৫১% ফ্যামিলি কার্ডের পক্ষে ভোট দিয়েছে, আর ৭০% জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে। এই ৫১%-কে গুরুত্ব দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করে বিগত ১৭ বছরের মত উন্নয়নের কথা বলে পুনরায় মূল জায়গা থেকে জনগণকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে কিনা— এমন প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বিগত ১৭ বছরের উন্নয়নের কথা বলে নির্বাচন ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিগত দেড় বছর নির্বাচনের কথা বলে বিচার ও সংস্কার ভুলে গিয়েছিলাম। নখের কালি শুকাতে না শুকাতে জুলাই সনদ ভুলে গিয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, রাস্তা সংস্কার না, রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে। সংশোধনের দিকে যাচ্ছি। সংশোধনের জন্য জনগণ কাজ করেনি। অ্যামেডমেন্টের জন্য শেখ হাসিনা প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ছেলেরা এটা গ্রহণ করেনি। ১১টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বদল হয়েছে। সেখানে সরকার দলীয় লোক। একটাও সরকারের বাইরে নেই। বিএনপি ৪২টা জেলা প্রশাসক বদলি করেছে। সেখানেও কি ন্যায্যতার ভিত্তিতে দেওয়া যেত না?
জামায়াত আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দেশের ইতিহাসে বারবার জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে বলেন, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তার মূল লক্ষ্যই হলো দেশে যেন আর কখনও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তিনি সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ বিষয়ে আলোচনার সূচনায় এসব মন্তব্য করেন।
জাতীয় সংসদ থেকে বিরোধীদলীয় সদস্যদের ওয়াকআউটের পর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নিঃসন্দেহে আন্দোলন ছাড়া আমাদের আর কী করার আছে? আমরা আন্দোলন করব এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়েই করব।” তিনি জানান, এ বিষয়ে ১১টি রাজনৈতিক দল দ্রুত বৈঠকে বসে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবে এবং তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানানো হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, সংসদে জনগণের চূড়ান্ত অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটেনি। “এটি কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তিস্বার্থের দাবি নয়। যেহেতু সংসদে আমরা জনগণের দাবি আদায় করতে পারিনি, তাই আবারও জনগণের কাছে ফিরে যাব,” বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ–২০২৫” নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার আনা নোটিশের ওপর সংসদে প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনা হয়। তবে এ বিষয়ে স্পিকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। এই পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন কর্মসূচি ও আন্দোলনের সম্ভাবনা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
সরকারের দ্বিচারিতার তীব্র সমালোচনা করে আইনজীবী ও অন্তর্বর্তীকালীন সড়কের অনেকের বক্তব্যে অনেকটা হতাশা , আবেগ , বিরক্তি, আশংখা পরিলক্কিত হচ্ছে , তারা বলছেন , “আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি যে, সরকার এখন মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ কমিশন এবং বিচার বিভাগ পৃথক করার মতো ১৫টি মৌলিক সংস্কারের অধ্যাদেশ রহিত বা সংশোধন করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় দলীয়করণের পুরোনো ছকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। বিচারপতি নিয়োগের স্বচ্ছ বাছাই কমিটি ও সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করার মাধ্যমে পুনরায় বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী বিভাগের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা চলছে। নির্বাচনের আগে দলীয় প্রধান কর্তৃক ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালিয়ে, এখন সেই রায়কেই অস্বীকার করা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছুই নয়।”
রাজনৌতিক কর্মসূচিতে নেতারা বলছেন , গত জাতীয় নির্বাচনে গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন, তারা সংস্কার চান। ফলে সংবিধান পরিবর্তন ও সংশোধন জাতির অনিবার্য দাবি। কিন্তু সরকার মানুষের সেই আকাক্সক্ষার বাস্তবায়ন নিয়ে গড়িমসি করছে। কতিপয় মন্ত্রী-এমপি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছেন। অথচ বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারী দলসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সকল দল মিলেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছেন। এখন জুলাই সনদকে উপেক্ষা করার ষড়যন্ত্র হলে ছাত্র-জনতা ফের রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।