মার্কিন পক্ষের অযৌক্তিক অতিরিক্ত দাবির প্রেক্ষিতে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরানি প্রতিনিধিদলের দৃঢ় অবস্থানের কারণে পাকিস্তানি পক্ষের প্রস্তাবে এবং উভয় পক্ষের সম্মতিতে আলোচনা অজ রোববার আলোচনা আরেক দফা অব্যাহত থাকবে।
প্রথম দিনের আলোচনা গত ভোররাত পর্যন্ত অব্যাহত ছিল এবং প্রথম দিন প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
তাসনিম সংবাদ সংস্থার পার্লামেন্টারি গ্রুপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে—যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সাম্প্রতিক বক্তব্য সম্পর্কে বলেন: দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মার্কিনিদের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে আমাদের অভিজ্ঞতা সবসময়ই ব্যর্থতা ও চুক্তিভঙ্গের মুখোমুখি হয়েছে। এক বছরেরও কম সময়ে দুইবার, আলোচনার মাঝপথে—ইরানি পক্ষের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও—তারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে।
কলিবফ আরও বলেন: আসন্ন আলোচনায় যদি মার্কিন পক্ষ প্রকৃত চুক্তি এবং ইরানি জনগণের অধিকার প্রদানে প্রস্তুত থাকে, তবে আমাদের পক্ষ থেকেও চুক্তির প্রস্তুতি দেখা যাবে। তবে বর্তমান সংঘাতে আমরা তাদের দেখিয়েছি যে, যদি তারা আলোচনাকে একটি ফলহীন প্রদর্শনী বা প্রতারণামূলক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাহলে আমরা আল্লাহর ওপর বিশ্বাস ও আমাদের জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করে নিজেদের অধিকার আদায়ে প্রস্তুত রয়েছি।
ইসলামাবাদ থেকে ইরানি সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে ব্যাপক কূটনৈতিক শলা-পরামর্শ হয়েছে এবং ইরানের শর্তগুলো পূরণের বিষয়ে অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে আলোচনায় বসেছে ইরানি প্রতিনিধিদল। ইসলামাবাদে ব্যাপক কূটনৈতিক শলা-পরামর্শ হয়েছে এবং ইরানের শর্তগুলো পূরণের বিষয়ে অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে আলোচনায় বসেছে ইরানি প্রতিনিধিদল।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা সীমিত হয়েছে- যা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে ইরানের সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি গৃহীত হয়েছে। এ বিষয়ে আরও নির্ভুল কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে। এ কারণে বৈঠকে যোগ দিয়েছে ইরান।
ইরান মনে করে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এখনো সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো ইসরায়েলকে এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধ্য করা। ইরানি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানি মধ্যস্থতার মাধ্যমে এবং আলোচনার কক্ষেও বিষয়টির ওপর ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা সীমিত হয়েছে- যা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে ইরানের সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি গৃহীত হয়েছে। এ বিষয়ে আরও নির্ভুল কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে। এ কারণে বৈঠকে যোগ দিয়েছে ইরান।
ইরান মনে করে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এখনো সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো ইসরায়েলকে এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধ্য করা। ইরানি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানি মধ্যস্থতার মাধ্যমে এবং আলোচনার কক্ষেও বিষয়টির ওপর ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে।
ইরানি প্রতিনিধিদল এর আগের আলোচনাগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এবং প্রতিপক্ষের প্রতি সংশয় প্রকাশ করে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই দফার আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছে। কিন্তু ইরান বারবারই বলছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কোনো ধরণের আস্থা-বিশ্বাস রাখতে পারছে না। ইরান এ ধরণের মনোভাব নিয়েই আলোচনায় অংশ নিচ্ছে।
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, পাকিস্তানে আলোচনায় অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদল ইরানের স্বার্থ রক্ষাকারী এবং এই লক্ষ্যেই তারা সাহসিকতার সঙ্গে আলোচনা করবে।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, পাকিস্তানে উপস্থিত ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পুরোপুরি ইরানের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং এই উদ্দেশ্যে তারা সাহসিকতার সঙ্গে আলোচনা চালাবে। তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণের প্রতি সরকারের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং আলোচনা থেকে যে ফলাফলই আসুক না কেন, সরকার জনগণের সেবা করে যাবে।