হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বসানো মাইন অপসারণে ছয় মাসের মতো সময় লাগতে পারে। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে একটি মার্কিন গণমাধ্যম। তবে এমন দাবি অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর পেন্টাগন।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ‘হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির’ সদস্যদের জন্য একটি গোপন বৈঠক আয়োজন করেছিল পেন্টাগন। সেখানে মাইন অপসারণে অন্তত ছয় মাসের হিসাব তুলে ধরা হয়।
বৈঠকের বিষয়ে অবগত তিনটি সূত্র পোস্টকে বলেছে, আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে ২০টির বেশি মাইন বসিয়েছে। এর মধ্যে কিছু মাইন জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ফলে সেগুলো শনাক্ত করা অনেক কঠিন।
প্রতিবেদনটির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বুধবার পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, ‘এসব তথ্য ঠিক নয়। বেশিরভাগই মিথ্যা।’ এএফপিকে পার্নেল আরও বলেন, ‘একটি মূল্যায়ন মানেই তা গ্রহণযোগ্য নয়। হরমুজ প্রণালি ছয় মাস বন্ধ থাকা অসম্ভব। প্রতিরক্ষামন্ত্রী (পিট হেগসেথ) এ অবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না।’
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ আছে। এতে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হরমুজের ১ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে ‘বিপদজনক অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।