• ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার : তেহরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘কার্ড’ অব্যবহৃত আছে

Usbnews.
প্রকাশিত এপ্রিল ২৭, ২০২৬
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার :  তেহরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘কার্ড’ অব্যবহৃত আছে
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অর্থনৈতিক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটনের আধিপত্যের ধারণা বাস্তবসম্মত নয় এবং তেহরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘কার্ড’ অব্যবহৃত রয়েছে।

রোববার রাতে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। সেখানে তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কৌশলকে একটি সমীকরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন।

গালিবাফের মতে, ইরানের শক্তির মূল ভিত্তি সরবরাহভিত্তিক- যার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং তেলের পাইপলাইন নেটওয়ার্ক। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র নির্ভর করছে চাহিদাভিত্তিক পদক্ষেপের ওপর, যেমন কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ এবং সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়।

তিনি বলেন, তেহরানের হাতে এখনো এমন কিছু বিকল্প রয়েছে যা এখনো প্রয়োগ করা হয়নি। বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে তার বেশ কিছু অর্থনৈতিক হাতিয়ার ব্যবহার করেছে বা আংশিকভাবে প্রয়োগ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে তিনি মন্তব্য করেন, “তারা কার্ড নিয়ে বড়াই করছে- দেখা যাক, সরবরাহ কার্ড বনাম চাহিদা কার্ড।”

ইরানের সম্ভাব্য কৌশল প্রসঙ্গে গালিবাফ জানান, হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং পাইপলাইন সংক্রান্ত বিকল্প এখনো প্রয়োগ করা হয়নি।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়া হয়েছে, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ আংশিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও মূল্য সমন্বয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার দিক তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটির মৌসুমে দেশটিতে জ্বালানির চাহিদা বাড়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।