• ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১১ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

শাপলা চত্বর গণহত্যা : রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল

Usbnews.
প্রকাশিত মে ৬, ২০২৬
শাপলা চত্বর গণহত্যা :  রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে হাজির হয়ে এই ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন ট্রাইব্যুনালে সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার। শুনানিকালে তিনি আদালতকে জানান, তার মক্কেল এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী হতে আগ্রহী। তবে ট্রাইব্যুনাল বিস্তারিত পর্যালোচনার পর তার জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

ট্রাইব্যুনালকে আইনজীবী আলী হায়দার বলেন, ‘আমার মক্কেল আবদুল জলিল মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তার বয়স ৬০ বছর। শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ছিলেন। তবে এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এছাড়া তার হার্টে সাতটি ব্লক ধরা পড়েছে। আমরা তার উন্নত চিকিৎসার জন্য জামিন প্রার্থনা করছি।’

এ সময় ট্রাইব্যুনাল জানায়, স্বাস্থ্য প্রতিবেদন অনুযায়ী তার অবস্থা সংকটাপন্ন নয়। এই প্রেক্ষিতে আদালত জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে একজন বিচারপতির উদাহরণ দেওয়া হয়। যার হার্টে ১৭-১৮টি ব্লক থাকলেও নিয়মিত বিচারকার্য পরিচালনা করছেন।

উল্লেখ্য, আবদুল জলিল মন্ডল পুলিশ বাহিনীতে নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ছিলেন। এছাড়া শাপলা চত্বরে হেফাজতের আন্দোলনের সময় তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।