গাছের উঁচু ডালে বসে ঘুঘু ডাকে মধুর স্বরে ,
কি করে ডাক শুনে তার সাথী ঘুঘু আসে ফিরে ,
এত কঠিন ডাক আর সুর কি করে বুঝে ,
শুনতে ভীষণ কঠিন ডাক পারিনা কেউ বুঝতে ,
বিধাতার সৃষ্টির সৃজন খেলা কে বা বুঝতে পারে।
ঘুঘু পাখি ডাকশুনে তার সাথীর কাছে এসে ,
বাচ্চাদের আদার দিলো বাচ্চাদের মুখে ,
উঁচু ডালের সাথী পাখিটি গেলো আবার চলে ,
আসা যাওয়া সময়ে সময়ে ,
বাচ্চাদের লালন পালনে পর্যায়ক্রমে আদার নিয়ে আসে।
বাতাস বহিতেছে প্রচুর বেগে , বিশাল তেজে ,
দুইটি বাচ্চাকে নিয়ে উড়াল দিয়ে ,
কোথায় গেলো আর পাইনি দেখা , পাইনি খুঁজে।
পরদিন দুপুর বেলা গেলাম সেই পথে ,
না দেখে মনখানা হলো উদাস ,
ক্লান্ত হয় না পাখিগুলো এইভাবে আদার তুলে মুখে ,
হয়তো তারা উড়াচ্ছে ডানা দূর আকাশের পথে।
মাবাবার ভাষাটি বুঝে আদর চিনতে পারে ,
একই রঙের কত ঘুঘু উড়া দিয়ে যায় চলে ,
ভাবি কি করে একেক জোড়া পাখি ,
নিজ নিজ সংগীকে চিনে সংসার করিতে পারে।