প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির খসড়া এবং শব্দচয়ন নিয়ে পাকিস্তানের বিশেষ মধ্যস্থতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান সরকারের মধ্যে নিবিড় বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তেহরানের পক্ষ থেকে পাঠানো সর্বশেষ প্রস্তাবের বিপরীতে ওয়াশিংটন যে প্রতিক্রিয়া বা জবাব দিয়েছে, তা বর্তমানে গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে ইরান সরকার।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা নূর নিউজ এজেন্সির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই কূটনৈতিক অগ্রগতির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই নূর নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই আলোচনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইরানের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মূল ১৪ দফার খসড়া দলিলের ওপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। আমরা এই বিষয়ে মার্কিন পক্ষের সুনির্দিষ্ট মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি হাতে পেয়েছি এবং আমাদের উচ্চপর্যায়ে এখন তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসেন নাকভির ইরান সফরকালীন সময়ে তেহরানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাসের লক্ষ্যে বর্তমানে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদনে পাকিস্তান সরকার বা ইসলামাবাদ সরাসরি মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে।
সূত্র: আল জাজিরা