❝ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ❞ প্রতিষ্ঠালগ্নে শেয়ারহোল্ডার হিসাবে যারা ছিলেন….
১. ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি)
২. কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস
৩. দুবাই ইসলামিক ব্যাংক
৪. আল-রাজহী কোম্পানি ফর এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (সৌদি আরব)
৫. জর্ডান ইসলামিক ব্যাংক
৬. ফেডারেল আরব ব্যাংক (বাহরাইন) সহ মোট ১১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
একইসাথে বাংলাদেশি বেসরকারি উদ্যোক্তা হিসাবে মীর কাসেম আলী-সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ২২ জন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও পেশাজীবী ছিলেন।
এরপরও কি বলা যায় যে ইসলামী ব্যাংক জামায়াতে ইসলামীর দলীয় ব্যাংক?
ব্যাংক কখনোই কোন দলের হয়না। যেমনটা আমরা বলতে পারি না যে মির্জা আব্বাস ভাইয়ের ❝ঢাকা ব্যাংক❞ বিএনপির ব্যাংক কিংবা আওয়ামী মাফিয়া সালমান এফ রহমানের ❝আইএফআইসি ব্যাংক❞ আ’লীগের ব্যাংক। যেকোনো ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় এক কিংবা একাধিক ব্যাক্তি মূল উদ্যোক্তা হিসাবে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। সেক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পিছনে মীর কাসেম আলীর অবদান অনেক অনেক বেশি।।
এখন আসি আসল কথায়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ নাম্বার ওয়ান আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এমনকি বিশ্বের টপ লিস্টেড ব্যাংকগুলোরও একটি হলো বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক।
এই ব্যাংক ভালো চলুক ভালোভাবে কাজ করুক এটা যেমম পাশের দেশের দাদারা চাননা ঠিক একইভাবে দাদাদের এদেশীয় লেস্পেন্সারগুলোও চান না। ১৯৮৩ সাল থেকেই ব্যাংকটির দিকে তাদের কুনজর ছিলে এখনো আছে, অনেকবার ছোবল দিয়েছে কিন্তু ধ্বংস করতে পারেনি। জানিনা সামনে কি হবে…
ফারুক হাসান
Faruk Hasan
মুখপাত্র
গণঅধিকার পরিষদ