• ৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৩শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ম্যাচটি সম্পূর্ণ কারচুপি ছিল , ব্যবসার জন্য মেসিকে বিশ্বকাপে রাখতে চায় ফিফা: মিশর কোচ

Usbnews.
প্রকাশিত জুলাই ৮, ২০২৬
ম্যাচটি সম্পূর্ণ কারচুপি ছিল , ব্যবসার জন্য মেসিকে বিশ্বকাপে রাখতে চায় ফিফা: মিশর কোচ
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। ম্যাচের শেষ দিকে মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ব্যবধানে তিন গোল করেছে আর্জেন্টিনা। এতেই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় আলবিসেলেস্তেরা।

তবে ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান। তিনি বলেছেন, তাদের কাছ থেকে আজকের ম্যাচটি কারচুপি করে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিজেদের ব্যবসার জন্য আর্জেন্টিনা ও মেসিকে ফিফা রাখতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হোসাম হাসান ম্যাচ পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, “নিজেদের ব্যবসার জন্য ফিফা আর্জেন্টিনা ও মেসিকে রেখে দিতে চায়। যদি তারা আর্জেন্টিনার জয়ই চেয়েছে তাহলে অন্য দলগুলোকে অংশগ্রহণ করতে আহ্বান জানায় কেন?”

তিনি আরও বলেছেন, “ম্যাচটি সম্পূর্ণ কারচুপি ছিল। পুরো বিশ্ব এটি দেখেছে। আমরা আর্জেন্টিনার চেয়ে ভালো ছিলাম। ফুটবল ফেয়ার নয়।”

ম্যাচের শেষ দিকে মিশর একটি পেনাল্টি পেয়েছিল দাবি করে কোচ বলেছেন, “আমরা স্পষ্ট পেনাল্টি পেয়েছিলাম। কিন্তু রেফারি এটি দেয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জিকোর গোলটি বাতিল করা হয়। যদিও এটি সম্পূর্ণ বৈধ ছিল।”

বিশ্বকাপের বাকী ম্যাচগুলো বয়কট করবেন জানিয়ে হোসাম হাসান আরও বলেন, “প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আমি এ বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো দেখা বয়কট করব। যদি ন্যায্যতা থাকে, আমি আমার খেলোয়াড়দের বলেছি আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় দলের বিপক্ষে লড়তে পারব।”

অস্রুসিক্ত চোখে রেফারিকে ‘জালিম’ বললেন মিশরের ফুটবলার

২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। ম্যাচের শেষ দিকে মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ব্যবধানে তিন গোল করেছে আর্জেন্টিনা। এতেই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় আলবিসেলেস্তেরা। তবে ম্যাচ শেষে অস্রুসিক্ত চোখে রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন মিশরের ফুটবলার মোস্তফা জিকো।

আর্জেন্টিনা ও মিশরের হাইভোল্টেজ ম্যাচে প্রধান রেফারি হিসেবে ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় জিকো বলেন, “রেফারি অন্যায় করেছেন, অন্যায় করেছেন। রেফারি একদমই ফেয়ার ছিলেন না।”

তিনি আরও বলেন, “তিনি (রেফারি) একজন জালিম। এটি স্পষ্ট ও দিবালোকের মতো পরিষ্কার তিনি অবিচার করেছেন। তিনি একটি দেশের পুরো পরিশ্রমকে এক নিমিষে নষ্ট করে দিলেন। ম্যাচের শুরু থেকেই তিনি আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।”

১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় মিশর। বিরতির পর আবারও গোলের দেখা পায় মোহাম্মদ সালহর দল। তবে ফাউলের কারণে ভিএআরে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।