• ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ১২ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারকে শেষে দেশে ফিরিয়ে আনার আশা প্রকাশ করেছেন দুদকের আইনজীবী

usbnews
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারকে শেষে দেশে ফিরিয়ে আনার আশা প্রকাশ করেছেন দুদকের আইনজীবী
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কলকাতায় গ্রেফতার গ্লোবাল ইসলামি (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল) ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারকে সেখানে চলমান বিচার শেষে দেশে ফিরিয়ে আনার আশা প্রকাশ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী।

রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান।

দুদকের আইনজীবী বলেন, ভারতে এক মামলায় অর্থপাচারের হোতা পিকে হালদারের বিচার চলছে। বিচার শেষ হলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পিকে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দুদক খুবই সচেতন আছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ জজ আদালতে তার বিচার প্রায় শেষপর্যায়ে। বিচার শেষ হলে পিকে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দুদক সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে।

এদিকে জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং তা পাচারের মামলায় চার বছরের সাজার বিরুদ্ধে পিকে হালদারের বান্ধবী অনিন্দিতা মৃধা ও তার বাবা সুকুমার মৃধা হাইকোর্টে আপিল করেছেন। আপিলে তারা সাজা বাতিল চেয়েছেন।

আজ বিচারপতি জাফর আহমদের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আপিল দায়ের করা হয়েছে। তাদের আইনজীবী হলেন অ্যাডভোকেট প্রণয় কান্তি রায়। খুরশীদ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বছরের ৮ অক্টোবর আদালত পিকে হালদারকে দুই মামলায় ২২ বছরের কারাদণ্ড দেন। ৪২৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং তা পাচারের মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায়ে পিকে হালদার ছাড়াও অন্য ১৩ আসামিকে দুই মামলায় তিন ও চার বছর করে মোট সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে চারজন কারাগারে আছেন। তারা হলেন— অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধা।

এছাড়া পিকে হালদারসহ অন্য ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিরা হলেন— পিকে হালদারের মা লিলাবতী হালদার, ভাই প্রিতিশ কুমার হালদার, সহযোগী অমিতাভ অধিকারী, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

তবে আরও চমক পি কে হালদারের বান্ধবীর সংখ্যা নিয়ে। তার ৮০ জন বান্ধবী! এত বান্ধবীকে রীতিমতো খুশি করত পি কে হালদার। তার বান্ধবীর সংখ্যা বিশ্বের অন্যান্য মাফিয়া ডন ও রাষ্ট্রপ্রধানরাও চমকে যাচ্ছে। জেরায় পি কে হালদার কবুল করছে তার বান্ধবীদের বিপুল আর্থিক উপহারের কথা।

নাহিদা রুনাই ও সুভ্রা রাণী ঘোষ

নাহিদা রুনাই ও সুভ্রা রাণী ঘোষ। ফাইল ছবি

দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে কানাডায় পালিয়ে যাওয়া প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে)-এর দুই বান্ধবী নাহিদা রুনাই ও সুভ্রা রাণী ঘোষকে রিমান্ডে মুখোমুখি করানো হয়েছে। এসময় তারা অর্থ আত্মসাতে যোগসাজসের দায় নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপ করেন।

মুখোমুখি অবস্থায় দু’জনের ঠেলাঠেলিতে কিছুটা বিব্রতও হন দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তারা।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন নাহিদা রুনাই। কাগজে কলমে এমন পরিচয় থাকলেও মূলত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হিসেবেই তাকে চেনে সবাই। গত ১৬ মার্চ গ্রেফতার হন তিনি। 

চট্টগ্রামের খুলশীর মেয়ে নাহিদা রুনাই। বাবা সামান্য কেরানী হলেও পি কে হালদারের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হওয়ার কল্যাণে প্রায় শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। দুদকের অনুসন্ধানে তার ব্যাংক হিসাবে ৭২ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

পি কে হালদারের নানা অর্থিক অনিয়মের অন্যতম সুবিধাভোগী ছিলেন নাহিদা। দুদকের কাছে দেওয়া ১৬১ ধারার জবানবন্দিতে তিনি নিজেই তা স্বীকার করেছেন।

জবানবন্দিতে নাহিদা জানান, কমিশন হিসেবে পি কে সিন্ডিকেটের সদস্য ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ঋণ গ্রহীতা স্বপন কুমার মিস্ত্রির কাছ থেকে নাহিদা রুনাই ১৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন, যা দিয়ে তিনি শেয়ার ব্যবসায় নেমেছিলেন।

শুধু তাই নয়, জবানবন্দিতে নাহিদা রুনাই বর্ণনা দেন, কীভাবে তিনি পি কে হালদারের ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন। তিনি জানান, পি কে হালদারের নিদের্শেই অস্তিত্বহীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মর্টগেজ ছাড়া ব্যাংকিং রীতি-নীতির বাইরে ঋণ দেওয়া হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহিদা রুনাই ও ওকায়ামা লিমিটেড এর পরিচালক সুভ্রা রানী ঘোষ। এদুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পিকে হালদারের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাত করে। তারা দু’জনই পিকে হালদারের ঘনষ্টি বান্ধবী হিসাবে পরিচিত।

দুদকের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে নাহিদা রুনাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ হেড অব বিজনেস হিসাবে যোগদান করেন। এমডি হিসাবে যোগ দেন রাশেদুল হক। মূলত পিকে হালদারের নির্দেশেই লিজিংয়ের সব কাজ পরিচালিত হতো। সবার উপর ছড়ি ঘোরাতেন রুনাই। সোহাগ ও রাফসান রিয়াদ নামের দুই কর্মকর্তা পিকে হালদারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র নিয়ে রুনাইকে দিতেন। পরে রুনাইয়ের নির্দেশ মতো ঋণের ক্রেডিট মেমো প্রস্তুত করা হতো। এমনকি পর্ষদেও অনুমোদন হতো। সব ঋণ বিতরণই পিকে হালদারের নির্দেশ মতো হতো। সব বিষয় মনিটরিং করতেন প্রেমিকা নাহিদা রুনাই। তাকে কেন্দ্র করে ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে সরানো হয় ২৪০০ কোটি টাকা। নাহিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া শেষ করে রিলায়েন্স ফাইন্যান্সে ট্রেনিং অফিসার হিসাবে যোগদান করার পরই প্রতিষ্ঠানটির এমডি পিকে হালদারের নজরে পড়েন। গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠতা।

পিকে হালদার

অপরদিকে অবন্তিকা পিকে হালদারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাধে তাকে প্রথমে আর্থিক প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্সে টেলিফোন অপারেটর চাকরি নেন। অভ্যর্থনা কক্ষের চাকরি হলেও তিনি সরাসরি পিকে হালদারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। এভাবেই গড়ে ওঠে সখ্য। দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩-১৪ সালের দিকে গোপনে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে দুই বান্ধবীকে নিয়ে যাতায়াত শুরু করলেও একপর্যায়ে নাহিদা রুনাইকে নিয়ে গোপনে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া ভ্রমণ শুরু করেন পিকে হালদার। একইভাবে অবন্তিকাকে নিয়েও গোপনে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর যাতায়াত শুরু করেন। এক সপ্তাহে রুনাইকে নিয়ে গেলে পরের সপ্তাহে অবন্তিকাকে বিদেশে নিয়ে যেতেন। একজনের বিষয় অপরজন জানত না। হঠাৎ এক ক্লাবের মিটিংয়ে দুজনই জানতে পারেন পিকে হালদার দুজনের সঙ্গেই সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। এটি জানার পর বান্ধবীদের মধ্যে পিকে হালদারকে নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়া উজ্জ্বল কুমার নন্দীর বক্তব্য থেকেও এর সত্যতা মিলেছে। তিনিও বলেছেন, বান্ধবী- নাহিদা রুনাই ও অবন্তিকাকে নিয়ে তিনি লিজিং সভার নামে পৃথকভাবে ২২-২৫ বার মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেছেন।

দুদকের এ সংক্রান্ত অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার বলেন, পিকের ঘটনা অনুসন্ধান করতে গিয়ে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসছে। তিনি নিজের আধিপত্য ধরে রাখার জন্য একদিকে যেমন নারীদের ব্যবহার করেছেন। তাদের নামে বিপুল সম্পদ গড়ে দিয়েছেন। অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসকে সুর ও শাহ আলমসহ একটি সিন্ডিকেট তিনি ‘মেনটেইন’ করতেন। তাদের হাতেও মোটা অঙ্কের অর্থ তুলে দেন। এসব বিষয়ে চুলচেরা অনুসন্ধান চলছে বলেও জানান তিনি।

চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে পিপলস লিজিংয়ের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী জানিয়েছিলেন, শুধুমাত্র বান্ধবী হওয়ার সুবাদে পি কে হালদারের সঙ্গে ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেছেন নাহিদা রুনাই। এবার দুদকে দেওয়া তার নিজের জবানবন্দিতেও উঠে এসেছে তেমনই তথ্য।

বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে নাহিদা রুনাই জানান, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে যোগ দেওয়ার পর কক্সবাজারের রেডিসন ব্লু হোটেলে বিভিন্ন অফিসিয়াল মিটিংয়ে অংশ নেন। তিনি ছয় থেকে সাত বার মো. সিদ্দিকুর রহমান, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও প্রশান্ত কুমার হালদারদের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়া, মালেয়শিয়া ও ব্যাংকক ভ্রমণে গিয়েছিলেন। তাছাড়া, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজে আরও চার থেকে পাঁচ বার দেশের বাইরে যান তিনি। ভারতে কেনাকাটার জন্য গেছেন ১০ থেকে ১২ বার।

পি কে হালদারের দুর্নীতির আরেক সহযোগী ও তাঁর বান্ধবী শুভ্রা রানী ঘোষকে গ্রেফতার করা হয় । ওই দিন অস্তিত্বহীন কোম্পানি ওয়াকামা ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান শুভ্রা রানী ঘোষ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছিলেন। দুদকের মামলার আসামি ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ তথ্য অনুযায়ী ওই দিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটক করা হয়। পরে শুভ্রাকে দুদকের কাছে সোপর্দ করা হলে দুদক উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে একটি টিম তাকে গ্রেফতার দেখায়।

দুদক সূত্র থেকে জানা গেছে, শুধু নাহিদা রুনাইকে ভারতে নিয়ে গেছেন ২২ বার। তাকে ২০ কোটি টাকা দেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। অবন্তিকাকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে পাঁচ কোটি টাকায় ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন। অনন্দিতা মৃধাকে রাজধানীর উত্তরায় ৯ তলা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করে দিয়েছেন। সুস্মিতা সাহাকে দেওয়া হয়েছে একশ কোটি টাকার বেনামি ঋণ। পাপিয়া ব্যানার্জিকে দেওয়া হয়েছে তিনশ কোটি টাকার বেনামি ঋণ। মমতাজকে দেওয়া হয়েছে তিনশ কোটি টাকার বেনামি ঋণ।
সুন্দরী প্রেমিকা অবন্তিকা বড়ালকে রাজধানীর ধানমন্ডির ১০/এ সাতমসজিদ রোডে ৩৯ নম্বর বাড়ির ১২/ই নম্বর বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন পি কে হালদার। গত বছরের ১৩ জানুয়ারি দুদক উপপরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম তাঁকে নিজ ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে। পি কে হালদারের সঙ্গে যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে অবন্তিকার বিরুদ্ধে।

কে এই পি কে হালদার

পি কে হালদারের জন্ম পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার দিঘিরজান গ্রামে। বাবা প্রয়াত প্রণনেন্দু হালদার ও মা লীলাবতী হালদার। তাঁর মা ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। পি কে হালদার ও প্রিতিশ কুমার হালদার—দুই ভাই–ই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে ব্যবসায় প্রশাসন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

২০০৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন পি কে হালদার। ১০ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিয়েই ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি পদে যোগ দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুই ভাই মিলে ভারতে হাল ট্রিপ টেকনোলজি নামে কোম্পানি খোলেন ২০১৮ সালে, যার অন্যতম পরিচালক প্রিতিশ কুমার হালদার। কলকাতার মহাজাতি সদনে তাঁদের কার্যালয়।

আর কানাডায় পিঅ্যান্ডএল হাল হোল্ডিং ইনক নামে কোম্পানি খোলা হয় ২০১৪ সালে, যার পরিচালক পি কে হালদার, প্রিতিশ কুমার হালদার ও তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা সাহা। কানাডা সরকারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কানাডার টরন্টোর ডিনক্রেস্ট সড়কের ১৬ নম্বর বাসাটি তাদের।