হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচলের ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে ওমানে গেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। শনিবার তিনি মাস্কাটে পৌঁছান তিনি। হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে গত দুই মাস ধরে আলোচনা করছে তেহরান ও মাস্কাট।
ইরানি কর্মকর্তারা বারবার বলছেন যে, হরমুজ প্রণালিকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার জন্য এর ব্যবস্থাপনার সার্বভৌম অধিকার তাদের রয়েছে। সমালোচনার পর ইনস্টাগ্রামের বিতর্কিত সুবিধা সরিয়ে নিল মেটাসমালোচনার পর ইনস্টাগ্রামের বিতর্কিত সুবিধা সরিয়ে নিল মেটা
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল জানিয়েছেন, বাঘাই বলেন, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আরাগচির এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার পর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পুনরায় শুরু হয়েছে।
ইরান কখনো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না এবং ওয়াশিংটন সমঝোতা স্মারক (এমও ইউ) থেকে পিছিয়ে গেলে তেহরান নিজের আত্মরক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
গালিবাফ বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশকে রক্ষা করার প্রস্তুতি কখনো বন্ধ করিনি। মার্কিনরা যেকোনো মুহূর্তে এই সমঝোতা ভঙ্গ করলে আমরা পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত আছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ করা বিশ্বের দেশগুলোর জন্য একটি অগ্রাধিকারমূলক বিষয়। তবে সবার জানা উচিত যে, ইরানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই সংঘাত কখনই শেষ হবে না।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের পর ইরানের পক্ষ থেকে এই বক্তব্য এলো। ওই পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটন আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে, তবে তাদের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ‘শেষ’ হয়ে গেছে।