• ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৩রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সৌদি আরবের কাছে ১৯৬ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

Usbnews.
প্রকাশিত জুলাই ১৭, ২০২৬
সৌদি আরবের কাছে ১৯৬ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিবৃতি থেকে জানা যায়, ১.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রাক্কলিত ব্যয়ে ‘ফরেন মিলিটারি সেল’ প্রক্রিয়ার আওতায় সৌদি আরবের কাছে উন্নত সমরাস্ত্র ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম বিক্রির প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১০ হাজার ‘অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম’ এয়ার-টু-এয়ার গাইডেন্স সেকশন এবং আরও ১০ হাজার ‘এপিকেডব্লিউএস-টু’ এয়ার-টু-গ্রাউন্ড গাইডেন্স সেকশন ক্রয়ের অনুরোধ জানিয়েছিল সৌদি আরব সরকার।

মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও শক্তিশালী দুই দেশ সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা করেছে, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য সৌদি আরবের কাছে প্রায় ১৯৬ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ক্রমেই বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, এই বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্যকে সমর্থন করে, কারণ এর মাধ্যমে ন্যাটোভুক্ত নয় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশের নিরাপত্তা জোরদার হবে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দপ্তরটি আরও জানিয়েছে, সৌদি আরবের জন্য প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় বিমান থেকে আকাশে এবং বিমান থেকে ভূ-পৃষ্ঠে পরিচালিত অভিযানে ব্যবহারের জন্য অ্যাডভান্সড প্রিসিশন উইপন সিস্টেম-এর সর্বোচ্চ ২০ হাজার গাইডেন্স ইউনিট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি থাকবে লঞ্চার, ওয়ারহেড, খুচরা যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিক সহায়তা।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট আরও জানায়, এই প্রস্তাবিত বিক্রয় প্রক্রিয়ায় অন্যান্য আনুষঙ্গিক সামরিক সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—এমকে-১৫২ হাই এক্সপ্লোসিভ ওয়ারহেড, এলএইউ-১৩১ এ/এ লঞ্চার, এমকে৬৬ রকেট মোটর, প্রক্সিমিটি ফিউজ, ডব্লিউটিইউ-১/বি প্র্যাকটিস ওয়ারহেড এবং ইনার্ট এমকে৬৬ রকেট মোটর।

এছাড়াও লঞ্চ ও এমপ্লয়মেন্ট সরঞ্জাম, টেস্ট সাপোর্ট সরঞ্জাম, খুচরা যন্ত্রাংশ ও মেরামত সরঞ্জাম, প্রকাশনা ও কারিগরি নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে এই চুক্তির আওতায়। পাশাপাশি মার্কিন সরকার এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনিক্যাল ও লজিস্টিক সাপোর্ট সার্ভিসসহ লজিস্টিকস ও প্রোগ্রাম সাপোর্টের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।