সামুন মাহমুদ খানের বাড়ি মৌলভীবাজারে। তার পিতা ছিলেন সিলেটের এক সময়ের শিক্ষা কর্মকর্তা। নাম ওয়ালী মাহমুদ খান। দরগাহের এক সময়ের মোতাওয়াল্লি এজেড আব্দুল্লাহ’র সময়ে দরগাহ এলাকায় বসবাস করতেন ওয়ালী খান। ঘনিষ্ঠ ছিলেন মোতাওয়াল্লি পরিবারের সঙ্গে। দরগাহের পরিচালনার নানা কাজে ওয়ালী খানের সহযোগিতাও ছিল।
সেই সূত্র ধরে দরগাহের তৎকালীন মোতাওয়াল্লি অস্থায়ী ভাবে বসবাসের জন্য ঝরনাপাড় এলাকায় তাকে ৪ ডিসিমেল জমিতে ঘর তৈরির সুযোগ দেন। ওই জমি দরগাহের। এ কারণে বলা হয়েছিল একচালা ঘর নির্মাণ করে ওখানে বসবাস করতে পারবেন। বর্তমানে সেখানে তিন তলাবিশিষ্ট একটি সুরম্য বিল্ডিং। স্থানীয়রা বলছেন; দখল করা জমির পরিমাণ হবে ১২ শতকের উপরে। সিলেট চেম্বারের সভাপতি জুন্নুন মাহমুদ খান এবং ভাইবোন সহ সামুন মাহমুদ খান ওই বাড়িতে বসবাস করেন। তবে বাড়ির স্থাপনা তার থাকলেও জমির মালিক তিনি নন। দরগাহের সম্পত্তি হওয়ার কারণে জমির মালিক হওয়ার সুযোগও নেই।

মাজারের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ট্রল হয়েছে সামুন মাহমুদ খানকে ঘিরে। তিনি মাজারের কেউ নন। অথচ মাজার কর্তৃপক্ষের হয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য চালিয়েছেন। তাকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল লুটপাট সিন্ডিকেট। এবারের ঘটনার পর সামুন খানকে নিয়ে মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিতর্ক দেখা দেয়। মাজারের একাধিক খাদেমের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সেই তথ্য। বিতর্ক এড়াতে তারা নাম প্রকাশ করতে চান না। তারা জানিয়েছেন- সামুন মাহমুদ খান আসলে মাজারের যে তিন পক্ষ রয়েছে সেটির কোনো পক্ষই নয়। তিনি মূলত অফিসিয়াল দায়িত্ব দেখতেন। তারা মনে করেন সামুন মাহমুদ খানকে ঘিরেই মূলত এবারের সব সমস্যা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি আওয়ামী লীগার বনে যান। আর তখন বিএনপি’র অনেককেই তিনি সমাদর তো দূরের কথা ভালো ব্যবহারও করেননি। এ কারণে এবার বিতর্ক শুরু হওয়ার পর মাজারের মুফতি ও খাদেম অংশের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা সামুন খানকে মাজার থেকে সরিয়ে দিতে মোতাওয়াল্লি সরেকুম ফতেহ উল্লাহ আল আমানকে চাপ প্রয়োগ করেন। এমনকি পাশে বসে সামুনকে ফোন করে মাজারে না আসার কথাও বলা হয়।
এরশাদের জমানায় সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সঙ্গে সখ্য গড়ে উঠেছিল সামুন মাহমুদের। মন্ত্রীর সুবাদে নানা ব্যবসায় জড়ান। ওই ব্যবসাই হচ্ছে তাদের সম্পদের মূল উৎস। ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় তার ভাই চেম্বারের সর্বোচ্চ পদে নির্বাচিত হয়েছেন। দরগাহের খাদেম ও মুফতি অংশের লোকজন জানিয়েছেন- মাজার কর্তৃপক্ষ চাইলে ওই জমি সামুন মাহমুদ ছেড়ে দিতে হবে। শুধু তিনিই নন, যারাই দরগাহের সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন তারাও ছাড়তে হবে। বিগত আওয়ামী লীগের সময় সামুন মাহমুদ হয়ে উঠেছিলেন দরগাহের একক অধিপতি। এক হাতেই চালিয়েছেন দরগাহের নানা কার্যক্রম। তার কাছাকাছি যেতে পারতেন না দরগাহের সংশ্লিষ্ট অনেকেই। সবাইকে দূরে রেখে তিনি দরগাহ চালিয়েছেন নিজের মতো করে। এ কারণে দরগাহ নিয়ে নেতিবাচক ধারণা জন্মে বলে জানান তারা।
মাজারের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ট্রল হয়েছে সামুন মাহমুদ খানকে ঘিরে। তিনি মাজারের কেউ নন। অথচ মাজার কর্তৃপক্ষের হয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য চালিয়েছেন। তাকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল লুটপাট সিন্ডিকেট। এবারের ঘটনার পর সামুন খানকে নিয়ে মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিতর্ক দেখা দেয়। মাজারের একাধিক খাদেমের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সেই তথ্য। বিতর্ক এড়াতে তারা নাম প্রকাশ করতে চান না। তারা জানিয়েছেন- সামুন মাহমুদ খান আসলে মাজারের যে তিন পক্ষ রয়েছে সেটির কোনো পক্ষই নয়। তিনি মূলত অফিসিয়াল দায়িত্ব দেখতেন। তারা মনে করেন সামুন মাহমুদ খানকে ঘিরেই মূলত এবারের সব সমস্যা।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি আওয়ামী লীগার বনে যান। আর তখন বিএনপি’র অনেককেই তিনি সমাদর তো দূরের কথা ভালো ব্যবহারও করেননি। এ কারণে এবার বিতর্ক শুরু হওয়ার পর মাজারের মুফতি ও খাদেম অংশের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা সামুন খানকে মাজার থেকে সরিয়ে দিতে মোতাওয়াল্লি সরেকুম ফতেহ উল্লাহ আল আমানকে চাপ প্রয়োগ করেন। এমনকি পাশে বসে সামুনকে ফোন করে মাজারে না আসার কথাও বলা হয়।