• ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ১২ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

টানা দ্বিতীয়বার এশিয়ার সেরা কাতার

usbnews
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
টানা দ্বিতীয়বার এশিয়ার সেরা কাতার
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এক ফাইনালে একটি নয়, দুটি নয়, একদম তিনটি পেনাল্টি পেলো কাতার! তিনটিকেই গোলে পরিণত করলেন আকরাম আফিফ। এতে জর্ডানকে থামিয়ে এশিয়ান ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ধরে রাখলো কাতার। শনিবার দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে এএফসি এশিয়ান কাপে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারায় কাতার। আফিফ পেনাল্টি থেকে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে জর্ডানকে সমতায় ফেরান ইয়াজান আল নিয়ামাত। পরে আফিফের আরও দুই পেনাল্টি গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতার। এই জয়ে পঞ্চম দল হিসেবে এশিয়ান কাপে টানা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়ে কাতার। এশিয়ান কাটে এটি তাদের টানা দ্বিতীয় শিরোপা। এই কৃতিত্ব আছে শুধু জাপান, সৌদি আরব, ইরান ও দক্ষিণ কোরিয়ার। একমাত্র দেশ হিসেবে টানা তিনবার শিরোপা জয়ের রেকর্ড শুধু ইরানের। এবারের এশিয়ান কাপের বড় চমক ছিল জর্ডান।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরার ভালো একটি সুযোগ নষ্ট হয় জর্ডানের। মৌসা তামারির প্লেসিং শট মোহাম্মদ ওয়াদের গায়ে লেগে ব্লকড হয়। বিরতি থেকে ফিরে গোল শোধে মরিয়া জর্ডান সমতায় ফেরে ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে। ডান দিক থেকে হাদ্দাদের বাড়ানো ক্রস প্রথম ছোঁয়ায় দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন আল নিয়ামাত।
তবে সমতায় ফেরার স্বস্তি বেশিক্ষণ থাকেনি জর্ডানের। মাত্র ৬ মিনিট পরই লিড পুনরুদ্ধার করে কাতার। বক্সে মোহাম্মাদ ইসমাইলকে মাহমুদ আল মুরাদি ফাউল করলে ভিএআর দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। ফের লক্ষ্যভেদ করেন আফিফ।
১৩ মিনিটের যোগ করা সময়ের শুরুতেই আক্রমণে ওঠেন আফিফ। তবে বলে প্রথম স্পর্শ জোরে হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারান তিনি। এরপর এক পর্যায়ে ছুটে আসা গোলরক্ষকের সাথে সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তার । অফসাইডের পতাকা উঠলে কাতারের খেলোয়াড়দের দাবিতে ভিএআর চেক করেন রেফারি। তাতে আরও একবার পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। আরেকটি সফল স্পট কিকে হ্যাটট্রিক পূরণের সাথে কাতারের জয়ও একরকম নিশ্চিত করে দেন আফিফ।

শুরু থেকে দারুণ পারফর্ম করা দলটি সেমিফাইনালে হারায় দুইবারের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়াকে। তবে ফাইনালে সবচেয়ে বেশি শট, বেশি সময় বল দখল আর বেশি পাস খেলেও জর্ডান হেরেছে কাতারের আক্রমণাত্মক ফুটবলের কাছে। সপ্তম মিনিটে প্রথম আক্রমণটি শাণায় কাতার। আফিফের নেওয়া শট ফেরান জর্ডান গোলরক্ষক আবু ইয়াজিদ। ১৬তম মিনিটে ইয়াজান আল নিয়ামাতের দূরপাল্লার জোরাল শট জমা হয় কাতার গোলরক্ষক মেশাল বারশামের গ্লাভসে।
ম্যাচের ২০তম মিনিটে আফিফকে বক্সে পেছন থেকে আব্দল্লাহ নাসিব ফাউল করলে পেনাল্টির পায় কাতার। নিখুঁত স্পট কিকে দলকে লিড এনে দেন আফিফ। বলের লাইনে ঝাঁপালেও গতির সঙ্গে পেরে ওঠেননি জর্ডান গোলরক্ষক।