• ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৬ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

দলগুলোকে উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহারের আহ্বান রিজভীর

Usbnews.
প্রকাশিত জুলাই ২৯, ২০২৬
দলগুলোকে উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহারের আহ্বান রিজভীর
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

সংঘাতের দিকে নিতে পারে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

হবিগঞ্জের হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আমরা চাই, দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক। রাজনৈতিক দল-মত প্রকাশ করবে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে মতপ্রকাশের একটা সভ্য মান থাকা উচিত। সভ্য ভাষা ও শব্দ ব্যবহার করা উচিত।’

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘প্রতিনিয়ত উসকানিমূলক বক্তব্য, অশ্রাব্য ভাষা এবং মিথ্যা অপপ্রচার গণতন্ত্রের বিকাশ এবং একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ গঠনের জন্য কখনোই সহায়ক হতে পারে না। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করতে হলে সবাইকে সংযম, সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে হবে। একই সঙ্গে এমন আচরণ ও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, যাতে পারস্পরিক আলোচনা, সমালোচনা ও মতবিনিময় কোনোভাবেই সংঘাত বা বিভেদের দিকে না গড়ায়।’

তিনি বলেন, ‘১৭ বছরের নিরন্তর সংগ্রামের মধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার বিস্ফোরণ ঘটে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ একটি জাতির স্মরণীয় ইতিহাস। অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ও কিশোর-কিশোরীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এ দীর্ঘ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল বাক্-স্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শুরু হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় যে রাজনৈতিক পটভূমি তৈরি হয়েছিল, তার ওপর ভিত্তি করেই ছাত্র-জনতা, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষের ঐতিহাসিক গণজাগরণ গড়ে ওঠে।’

রিজভী বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ৫ আগস্ট। যেদিন স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে। ৩৬ দিনের এ রক্তঝরা আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে গত বছরের মতো এবারও বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৪ আগস্ট রাজধানীর কেআইবিতে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং সভাপতিত্ব করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।’