গত ১ তারিখে আমার রুমে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই কোনোরকম প্রশ্রয় ছাড়া আমি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
১ তারিখ সন্ধ্যায় যখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি, তখন আমি নোয়াখালীতে অবস্থান করছিলাম, আমি তৎক্ষণাৎ নোয়াোখালী সদর থানায় অভিযোগ জানাতে যাই। কিন্তু ঘটনা উক্ত এলাকার না হওয়ায় তারা আমাকে অভিযোগ গ্রহণ করেনি। আমি রাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হই এবং সকালেই শাহবাগ থানায় যাই। শিক্ষক আন্দোলন চলতে থাকায় কর্মরত ওসি আমাকে আন্দোলন শেষে যেতে বলে।
এরই মধ্যে হল প্রশাসনের তদন্তেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার জন্য আমি হল অফিসে উপস্থিত হই। কিন্তু ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সেখানে তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে তদন্তের রুমে অযাচিতভাবে ঢুকে এবং তারপর হল সংসদের নেতাদের জানালে তারা আসলে বাইরে অবস্থানরত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা একযোগে হামলা করে। তাহলে সুষ্ঠু তদন্ত আটকালো কারা? এমনকি উক্ত দিনের সিসিটিভি ফুটেজও ডিলিট করা হয়েছে, কিভাবে কখন কেন এই ফুটেজ ডিলিট করলো এটাও পুনরুদ্ধার করে তদন্তের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
এই ঘটনা শেষ করেই সন্ধ্যার পর আমি শাহবাগ থানায় যাই এবং অবশেষে ৯.৩০ মিনিটে ওসি অভিযোগটি গ্রহণ করেন। অর্থাৎ আমি ঘটনা জানার সাথে সাথেই আইনি পদক্ষেপ নিতে একটুও দেরি করিনি, আমি আরও আগে জানলে সেদিনই ব্যবস্থা নিতাম। কিন্তু ২৭ তারিখের ঘটনা কেন আমাকে জানানো হয়নি এটা এখনও বড় প্রশ্ন থেকে যায়, অপরাধীদের ঐদিন প্রশাসনের সোপর্দ না করে ছেড়ে দেওয়া হলো কেনো?
আমার রুমমেটের ভাষ্যমতেই আমি ঘটনা সম্পর্কে মোটেই অবগত ছিলাম না, এবং জানার সাথে সাথেই আমি আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি তাহলে আমি কিভাবে এই অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকি? নুন্যতম সম্পৃক্ততা না থাকার পরেও হলের প্রভোস্ট ছাত্রদলের সুপারিশ সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে আমার সিট সাময়িক বাতিল করে এবং তদন্তও সুষ্ঠু হতে বাধা দেয়। সকল ঘটনা প্রমাণ করে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এই ঘটনাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
আমি আবারও বলছি সমকামিতার মতো জঘন্য অপরাধের কোনো ক্ষমা নাই। সুষ্ঠু তদন্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আমি যেকোনো পদক্ষেপ ও সহযোগিতা করেছি এবং করবো।