• ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সংকটের সমাধান: মির্জা ফখরুল

Usbnews.
প্রকাশিত আগস্ট ৩, ২০২৬
বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সংকটের সমাধান: মির্জা ফখরুল
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ যেকোনো রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়েই সরকার কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে হলে বিরোধী দলকে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিরোধী দল আওয়ামী লীগের মতো বক্তব্য দিতে শুরু করেছে।

আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) আয়োজনে এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।

বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সংকটের সমাধান: মির্জা ফখরুল

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই আমাদের হৃদয়ের একটি অংশ। এই আন্দোলনে যাঁরা বুকের তাজা রক্ত দিয়েছেন, যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই দেশের সামনে পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও জনগণের অধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সেই আকাঙ্ক্ষাকে আরও শক্তিশালী করেছে। এখন বিভাজন ও সংঘাত নয়, আলোচনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে এবং সংসদে সংশ্লিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সাংবাদিকদের সমস্যা, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত সাংবাদিকদের পরিবারগুলোর প্রতিও রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই শহীদসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না। তাঁদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন একটি কার্যকর সংসদের মাধ্যমে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।