• ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৬শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে : ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পেলেন ট্রাম্প

Usbnews.
প্রকাশিত আগস্ট ৯, ২০২৬
বিল পাস  যুক্তরাষ্ট্রের   সিনেটে :  ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পেলেন ট্রাম্প
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি বিল পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট। ৮৬-১১ ভোটে অনুমোদিত বিলটির ফলে রাশিয়ার তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ ক্রেতার ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউক্রেনের কট্টর সমর্থক এবং প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামে বিলটির নামকরণ করা হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছিলেন গ্রাহাম।

সিনেটে গ্রাহামের স্থলাভিষিক্ত তার বোন ডারলিন গ্রাহাম বিলটি পাসের পর বলেন, এই পদক্ষেপ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর সরাসরি চাপ তৈরি করবে। তার ভাষায়, বিলটি ‘পুতিনকে সঠিক জায়গায় আঘাত হানবে’।

প্রায় চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগামী ৩১ আগস্ট মার্কিন হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভে নতুন অধিবেশনে বিলটি অনুমোদনের জন্য উঠবে।

এই বিলের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টকে রাশিয়া থেকে তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা শীর্ষ পাঁচ দেশের ওপর শুল্ক আরোপের একচ্ছত্র অধিকার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভারত, চীন, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়া রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ আমদানিকারক দেশের তালিকায় রয়েছে।

তবে যেসব দেশ তাদের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের ১৫ শতাংশের কম রাশিয়া থেকে আমদানি করে এবং সেই আমদানি কমাতে সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাদের জন্য বিলে শিথিলতার বিধান রাখা হয়েছে।

আইনটিতে পুতিন, রাশিয়ার শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তা, দেশটির আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি প্রকল্পগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবও করা হয়েছে। এ ছাড়া, রুশ তেল ও জ্বালানি রাজস্বের ওপর বিদ্যমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে মস্কো যেসব পুরোনো ও নতুন পতাকাবাহী তেলের ট্যাংকার ব্যবহার করছে, সেগুলোকে এই বর্ধিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে। রাজনীতি সংবাদ বিশ্লেষণ

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি এই বিলে ১৯৯৬ সালের ‘ইরান স্যাংশনস অ্যাক্ট’-এর মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জরিমানা আরোপ করা হয়ে থাকে।