• ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৩০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

পুলিশ সদর দপ্তরের প্রতিবেদন: আন্দোলন দমনে ৭.৬২ এমএম বুলেট ব্যবহার হয়েছে

Usbnews.
প্রকাশিত আগস্ট ১২, ২০২৬
পুলিশ সদর দপ্তরের প্রতিবেদন: আন্দোলন দমনে ৭.৬২ এমএম বুলেট ব্যবহার হয়েছে
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে পুলিশ সাত দশমিক ৬২ এমএম বুলেট ব্যবহার করেছে বলে পুলিশ সদর দপ্তরের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে পঞ্চম দিনের যুক্তি উপস্থাপনের সময় বিষয়টি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এম ইচ তামিম।

শুনানিতে তামিম পুলিশ সদর দপ্তরের প্রতিবেদনের বরাতে বলেন, আন্দোলন দমনে সারা দেশে মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩১১ রাউন্ড গুলি ব্যবহার করা হয়েছে। যেখানে এলএমজি, এসএমজি, চায়নিজ রাইফেল, শটগান, রিভলবার, পিস্তলসহ বিভিন্ন মারণাস্ত্র দিয়ে এসব গুলি চালানো হয়। শুধু ঢাকা শহরে ৯৫ হাজার ৩১৩ রাউন্ড ছোড়া হয়।

এ ছাড়া ৪০ জেলায় মারণাস্ত্র ব্যবহার করে পুলিশ। সারা দেশে ৫০টির বেশি জেলায় পুলিশ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায়।

গাজী এম এইচ তামিম শুনানিতে বলেন, আন্দোলন দমনে বিধ্বংসী সাত দশমিক ৬২ অ্যামুনেশন (গুলি) ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি হাইলি লেথাল অ্যামুনিশন। যা সাধারণত আর্মিরা ব্যবহার করে। পুলিশ এটি আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যবহার করেছে।

এ দিন যুক্তিতর্ক শেষে আগামীকাল বুধবার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়।

এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

এ মামলার সব আসামিই পলাতক। গত ১৮ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে পলাতক থাকা ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।