• ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৫ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির সর্বোচ্চ সাজা চাইল প্রসিকিউশন

Usbnews.
প্রকাশিত আগস্ট ১২, ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির সর্বোচ্চ সাজা চাইল প্রসিকিউশন
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে প্রসিকিউশন।

আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের শেষদিনে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই দাবি জানান। তিনি বলেন, এ জাতীয় রাজনীতিবিদের জন্ম যাতে এ দেশে আর না হয়। জনগণের ম্যান্ডেটের দোহাই দিয়ে যাতে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ড করতে না পারে।

চিফ প্রসিকিউটর শুনানিতে বলেন, আসামিদের অপরাধ খুবই গুরুতর। তারা হাজারো মানুষকে হত্যা ও ৩৫ হাজারের মতো মানুষকে গুরুতর জখম করার জন্য দায়ী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। আসামিরা কোনো অনুকম্পা পেতে পারে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের ইতিহাসে এক রাজনৈতিক জোকার। বিভিন্ন সময়ে তার যে কথাবার্তা–এটা কখনোই কোনো রাজনৈতিক নেতাসুলভ কোনো বক্তব্য নয়। তার বক্তব্যকে টিকটকাররা ব্যবহার করে, তারা ফেসবুকে নানা রকম পোস্ট দেয়।

তার মতো একজন ‘জোকারকে’ সাধারণ সম্পাদক করে আওয়ামী লীগ বিপর্যস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন—কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম,  মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

এ মামলার সব আসামিই পলাতক। গত ১৮ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলে ৪ আগস্ট থেকে শুরু হয় প্রসিকিউশনের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন।