চলমান গ্যাস সংকট কবে মোচন হবে– এ প্রশ্ন এখন শুধু বিশেষজ্ঞ, শিল্পোদ্যোক্তা বা বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের নয়, সাধারণ মানুষেরও। শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং, সিএনজি স্টেশনে গাড়ি নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা– সব মিলিয়ে সংকটের প্রভাব পড়ছে অর্থনীতির প্রায় সব স্তরে। সরকার বলছে, স্থায়ীভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্তত দুই বছর লাগবে। কিন্তু দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে, অন্যদিকে এলএনজি আমদানিও নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক বাজার ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর। ফলে দুই বছর পর পরিস্থিতি কোথায় দাঁড়াবে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে কোথাও কারখানার উৎপাদন কমেছে, কোথাও বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি এ সংকটের তাৎক্ষণিক চিত্র। কম চাপের কারণে অনেক চালক নির্ধারিত পরিমাণ গ্যাসও নিতে পারছেন না। ফলে একই গাড়িকে দিনে একাধিকবার স্টেশনে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও আয় দুটিই কমছে। আবাসিক লাইনে গ্যাস পাওয়া যায় না বললে চলে। এ কারণে রান্নাঘরে নিয়মিত জ্বলছে না চুলা।