• ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

হজ নিবন্ধনে ভাটা, ৭৮ হাজার ৫০০ কোটার বিপরীতে নিবন্ধন ৩ হাজার ৭৪১

Usbnews.
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
হজ নিবন্ধনে ভাটা, ৭৮ হাজার ৫০০ কোটার বিপরীতে নিবন্ধন ৩ হাজার ৭৪১
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটার বিপরীতে এখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন মাত্র ৩ হাজার ৭৪১ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জন নিবন্ধন করেছেন। ফলে নির্ধারিত কোটার বড় অংশ এখনো নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে।

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হজ নিবন্ধনের শেষ সময়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর আর নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর সুযোগ থাকবে না। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিবন্ধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

চলতি বছরের ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। তবে শুরু হওয়ার প্রায় দেড় মাস পরও নিবন্ধনের সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে মাত্র ৩ হাজার ৭৪১ জন নিবন্ধন করেছেন।

নিবন্ধনের ধীরগতির মধ্যে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি ও সংশ্লিষ্টদের দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা জানানোর পর চূড়ান্ত সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ করা হবে। পাশাপাশি হজযাত্রীদের মেডিকেল পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ, টিকা প্রদান ও প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

২০২৭ সালের হজের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বনিম্ন প্যাকেজের মূল্য ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা এবং অন্য প্যাকেজের মূল্য ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বনিম্ন প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

এর আগে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত হজের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন করেছিলেন মাত্র ১ হাজার ২১৭ জন। সংশ্লিষ্টদের মতে, হজের ব্যয় বৃদ্ধি, সময়ের ব্যবধান এবং ওমরাহ পালনে মানুষের আগ্রহসহ বিভিন্ন কারণে এবার নিবন্ধনে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।

নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটার বিপরীতে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৪১ জন নিবন্ধন করায় এখনো প্রায় ৭৪ হাজার ৭৫৯ জনের নিবন্ধন বাকি রয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর নিবন্ধনের শেষ সময় হওয়ায় আগামী কয়েক দিনে নিবন্ধনের সংখ্যা কতটা বাড়ে, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্টদের।