গাজা নিয়ে যখন পুরো বিশ্বের মনোযোগ, তখন ইসরায়েলের দখল করা পশ্চিম তীরে অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন, সহিংসতা ও ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের ঘটনা আগেও দেখা গেছে। তবে এবার পরিস্থিতি শুধু আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি নয়, বরং এটি একটি মৌলিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাদশাহ আবদুল্লাহ বলেন, পশ্চিম তীরে বিচ্ছিন্নভাবে এসব ঘটনা ঘটছে না। বরং পুরো জনগোষ্ঠীকে তাদের ভূমি ছাড়তে বাধ্য করার জন্য একটি সমন্বিত নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তার ভাষায়, ‘এর একটি নাম আছে—জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি। আর এটি একটি যুদ্ধাপরাধ।’
গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গ তুলে জর্ডানের বাদশাহ বলেন, এ বিষয়ে প্রমাণ এখন ব্যাপক। কথিত যুদ্ধবিরতির প্রথম ৩০০ দিনেই অন্তত ৩০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, গাজায় জর্ডানের পরিচালিত মাঠ হাসপাতালগুলোও হামলার শিকার হয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক দপ্তরের তথ্যেও পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ, উচ্ছেদ, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা ও চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি বাড়ার কথা বলা হয়েছে।
জর্ডান গাজায় চিকিৎসা সহায়তাও অব্যাহত রেখেছে। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, চলতি মাসেও গাজার অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য জর্ডানে নেওয়া হয়েছে।